alt

বাংলাদেশ

লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া বন্ধ থাকবে সব

খোলা থাকবে পোশাক কারখানা

তিন সংগঠনের দাবির মুখে এমন সিদ্ধান্ত : বিকেএমইএ সভাপতি

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image
রোববার, ১১ এপ্রিল ২০২১

লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ থাকলেও তৈরি পোশাক কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পোশাক কারখানা বন্ধ হলে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ ক্রয়াদেশ হারাবে এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এই সিদ্ধান্ত নেয়। রোববার (১১ এপ্রিল) বেলা তিনটায় মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠকের পর নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে রোববার সকালে পোশাকখাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ ও ইএবি’র যৌথ সংবাদ সম্মেলনে শিল্পসমূহকে লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, করোনা নিয়ন্ত্রণে ইউরোপ, আমেরিকা, ব্রাজিলের মতো রাষ্ট্রগুলো হিমশিম খাচ্ছে। সেখানে আমাদের সমন্বয়ের অভাব নেই। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত রেখেছি। সেন্টার ফর বাংলাদেশ, ইউকে বার্কলি ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপ মতে, ৯৪ শতাংশ শ্রমিক বলেছেন তারা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গাইডলাইন বিষয়ে সচেতন। ৯১ দশমিক ৪২ শতাংশ শ্রমিক বলেছেন, কারখানা থেকে তাদের কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। জীবন-জীবিকার স্বার্থে, দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে, শিল্প-কলকারখানাগুলোকে লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানাই। শ্রমিকরা কারখানার মধ্যে থাকলে সংক্রমণ হার কমবে। ইউরোপ, আমেরিকা, প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বে অনেক উন্নত রাষ্ট্রে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও সেখানে শিল্প-কলকারখানা চালু রয়েছে। তাই দেশেও চালু রাখতে হবে।

এই দাবির পর অনলাইনে আলোচনার মাধ্যমে বেলা তিনটায় মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হয়। এতে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম ও নবনির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান, নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ অংশ নেন।

বৈঠক শেষে নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘১৪ এপ্রিল থেকে সম্পূর্ণ লকডাউন হলেও শিল্প কারখানা চলবে। মন্ত্রী পরিষদ সচিব আমাদের নিশ্চিত করেছেন। লকডাউনে শিল্প কারখানা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এছাড়া ব্যাংক বন্ধ থাকতে পারে। তাতে আমদানি রপ্তানিতে সমস্যা হবে। এ বিষয়েও পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব।’

তবে সরকার এ বিষয়ে এখনও প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। আজ বা কাল প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

বিজিএমইএ’র যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে বলেন, ‘২০১৮-২০ অর্থবছরে আমরা প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হারিয়েছি। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় রপ্তানি হারিয়েছি ৯.৫ শতাংশ। বিশেষ করে ওভেন খাতে রপ্তানি সংকট চরমে পৌঁছেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। শুধুমাত্র মার্চ মাসে তার আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ২৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। ২০২০ সালের এপ্রিলের শেষ নাগাদ আমাদের ১১৫০টি সদস্য প্রতিষ্ঠান ৩ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলারের কার্যাদেশ বাতিলের শিকার হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় বিশ্বজুড়ে গৃহীত লকডাউনের কারণে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পোশাকের খুচরা বিক্রিতে ঋণাত্মক ধারা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর মাসে ইউরোপের খুচরা বাজারে বিক্রি কমেছে ২৮ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে কমেছে ১৬ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে আমাদের পোশাকের ৪ দশমিক ৫ থেকে ৫ শতাংশ হারে দরপতন অব্যাহত আছে। এমন সংকটে থেকেও আমাদের শ্রমিকদের মজুরি দিয়ে যেতে হয়েছে এবং অন্যান্য খরচ মেটাতে হয়েছে।’

ছবি

লকডাউন ও করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত রূপগঞ্জের কর্মহীনদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ

ছবি

চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ে ভেজাল মদের কারখানা

ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব : আরও ৩ জন গ্রেফতার

ছবি

বাসচাপায় প্রাণ গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহীর

ছবি

উপাচার্যদের দুর্নীতির তদন্ত, কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় না

ছবি

বিজিবি দিয়েও ঠেকানো যাচ্ছে না জনস্রোত

ছবি

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট : সতর্ক বার্তা জনস্বাস্থ্যবিদদের

ছবি

কক্সবাজার শহরে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ সন্ত্রাসী আটক

ছবি

ভাড়াটিয়া কর্তৃক অবরুদ্ধ হোটেল কল্লোল’র মালিক!

ছবি

ময়মনসিংহে সিটি কর্পোরেশনের ঈদ উপহার বিতরণ

ছবি

এনার্জিপ্যাকের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক উদ্বোধন

ছবি

অর্ধেক দামে মোটরসাইকেল দিচ্ছে থলে ডট এক্সওয়াইজেড

ছবি

করোনাকালে অসহায় মানুষের জন্য তাসাউফ ফাউন্ডেশনের “পাশেই আছি” কর্মসূচী পালন

ছবি

অব্যবহৃতই থাকছে আবু নাসের হাসপাতালের পরিচালক, উপ-পরিচালকের বাসভবন

ছবি

বিয়ানীবাজারে ঈদ শপিংয়ে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়, মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

ছবি

চেয়ারম্যানের অত্যাচার নির্যাতন থেকে বাচঁতে প্রধানমন্ত্রীর সহানুভূতি কামনা

ছবি

নওগাঁয় বিভিন্ন রোগিদের সরকারী সহায়তা প্রদান

ছবি

নারায়ণগঞ্জে করোনা হাসপাতালে বসেছে অক্সিজেন ট্যাংক

ছবি

মামুনুলের রিমান্ড শুনানি পেছাল

ছবি

সিলেটে মাজারে রক্তের ছােপ

ছবি

জাফলংয়ে সিরাত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

ছবি

পত্নীতলায় গোল্ডেন তরমুজ চাষে সফল মিজানুর

ছবি

করোনা: গ্রামের মানুষের রঙ্গরস

ছবি

মির্জাপুরে মাটি ব্যবসায়ীর তিনদিনের জেল

ছবি

মির্জাপুরে ঈমামদের সম্মানি প্রদান

বিশেষ মহলের চাপে বন্ধ বাসদের মানবতার বাজার

কিশোরগঞ্জে মনি সিংহ ফরহাদ ট্রাস্টের ত্রাণ

ছবি

করতোয়ার বালু তুলে তীর ভরাট, হুমকিতে সড়ক : ভাঙন আশঙ্কা

সোনাইমুড়িতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা : আটক ২

ছবি

অনাবৃষ্টিতে সেচ সংকট বীজতলা ফেটে চৌচির

বাইক হাতে বেপরোয়া কিশোররা : নিত্য দুর্ঘটনা

ফেসবুক স্ট্যাটাসে ধর্ম অবমাননা, আটক : এক

ছবি

শিল্পে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার টিউবওয়েলে উঠছে না পানি

পঞ্চগড় সড়কে মৃত্যু ১

ঈশ্বরদীতে হেরোইনসহ যুবক গ্রেফতার

মির্জাগঞ্জে মাস্ক না পড়ায় ৮ জনকে জরিমানা

tab

বাংলাদেশ

লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া বন্ধ থাকবে সব

খোলা থাকবে পোশাক কারখানা

তিন সংগঠনের দাবির মুখে এমন সিদ্ধান্ত : বিকেএমইএ সভাপতি

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
image
রোববার, ১১ এপ্রিল ২০২১

লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ থাকলেও তৈরি পোশাক কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পোশাক কারখানা বন্ধ হলে বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ ক্রয়াদেশ হারাবে এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এই সিদ্ধান্ত নেয়। রোববার (১১ এপ্রিল) বেলা তিনটায় মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠকের পর নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে রোববার সকালে পোশাকখাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ ও ইএবি’র যৌথ সংবাদ সম্মেলনে শিল্পসমূহকে লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, করোনা নিয়ন্ত্রণে ইউরোপ, আমেরিকা, ব্রাজিলের মতো রাষ্ট্রগুলো হিমশিম খাচ্ছে। সেখানে আমাদের সমন্বয়ের অভাব নেই। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত রেখেছি। সেন্টার ফর বাংলাদেশ, ইউকে বার্কলি ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপ মতে, ৯৪ শতাংশ শ্রমিক বলেছেন তারা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গাইডলাইন বিষয়ে সচেতন। ৯১ দশমিক ৪২ শতাংশ শ্রমিক বলেছেন, কারখানা থেকে তাদের কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। জীবন-জীবিকার স্বার্থে, দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে, শিল্প-কলকারখানাগুলোকে লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানাই। শ্রমিকরা কারখানার মধ্যে থাকলে সংক্রমণ হার কমবে। ইউরোপ, আমেরিকা, প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বে অনেক উন্নত রাষ্ট্রে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও সেখানে শিল্প-কলকারখানা চালু রয়েছে। তাই দেশেও চালু রাখতে হবে।

এই দাবির পর অনলাইনে আলোচনার মাধ্যমে বেলা তিনটায় মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হয়। এতে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম ও নবনির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান, নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ অংশ নেন।

বৈঠক শেষে নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘১৪ এপ্রিল থেকে সম্পূর্ণ লকডাউন হলেও শিল্প কারখানা চলবে। মন্ত্রী পরিষদ সচিব আমাদের নিশ্চিত করেছেন। লকডাউনে শিল্প কারখানা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এছাড়া ব্যাংক বন্ধ থাকতে পারে। তাতে আমদানি রপ্তানিতে সমস্যা হবে। এ বিষয়েও পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব।’

তবে সরকার এ বিষয়ে এখনও প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। আজ বা কাল প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

বিজিএমইএ’র যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে বলেন, ‘২০১৮-২০ অর্থবছরে আমরা প্রায় ছয় বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি হারিয়েছি। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় রপ্তানি হারিয়েছি ৯.৫ শতাংশ। বিশেষ করে ওভেন খাতে রপ্তানি সংকট চরমে পৌঁছেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। শুধুমাত্র মার্চ মাসে তার আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ২৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। ২০২০ সালের এপ্রিলের শেষ নাগাদ আমাদের ১১৫০টি সদস্য প্রতিষ্ঠান ৩ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলারের কার্যাদেশ বাতিলের শিকার হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় বিশ্বজুড়ে গৃহীত লকডাউনের কারণে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পোশাকের খুচরা বিক্রিতে ঋণাত্মক ধারা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর মাসে ইউরোপের খুচরা বাজারে বিক্রি কমেছে ২৮ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে কমেছে ১৬ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে আমাদের পোশাকের ৪ দশমিক ৫ থেকে ৫ শতাংশ হারে দরপতন অব্যাহত আছে। এমন সংকটে থেকেও আমাদের শ্রমিকদের মজুরি দিয়ে যেতে হয়েছে এবং অন্যান্য খরচ মেটাতে হয়েছে।’

back to top