alt

অপরাধ ও দুর্নীতি

চাকরির আট বছরেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ১২ কোটি টাকার মালিক

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

২০১২ সালে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। চাকরির বয়স মাত্র আট বছর। এর মধ্যেই তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে অর্জিত এসব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ করেছেন পরিবারের বিভিন্ন সদস্যদের নামে। কিন্তু তবু শেষ রক্ষা হয়নি তার। প্রাথমিক তদন্ত শেষে ফারহানুল ইসলাম নামে বিআরটিএ’র ওই কর্মকর্তার নামে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। মামলায় আসামি করা হয়েছে তার ভাই রায়হানুল ইসলামকেও।

আজ বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ সংস্থাটির উপ-পরিচালক রফিকুজ্জামান বাদী হয়ে ওই দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। দুদকের সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

দুদক সূত্র জানায়, বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক ফারহানুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগতি থানাধীন রামদয়াল চরআলগী এলাকায়। ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর তিনি বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আয় করেন। দীর্ঘদিন ছিলেন মিরপুরের বিআরটিএ কার্যালয়ে। গত বছরের ২ নভেম্বর তিনি নোয়াখালী সার্কেলে বদলি হন। বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গচ্ছিত রাখার জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ইউসিবিএল ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক এবং আইডিএলসিতে সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব ও ক্রেডিট কার্ড হিসাবসহ মোট দশটি হিসাব খুলে ১২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা লেনদেন করেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে এসব অর্থের কোনও বৈধ উৎস তিনি দেখাতে পারেননি।

দুদক সূত্র জানায়, ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় বছর আট মাসের মধ্যে ছয়টি ব্যাংক হিসাব খোলেন। এসব ব্যাংক হিসাবের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের গুলশান শাখার একটি হিসাবে ছয় কোটি ৯২ লাখ টাকা, একই ব্যাংকের আরেকটি হিসাবে ১৪ লাখ টাকা, একটি ভিসা কার্ডের বিপরীতে ১৮ লাখ টাকা, একটি মাস্টার কার্ডের বিপরীতে ২৮ লাখ টাকা লেনদেন করেন। এছাড়া ফারহানুল ইসলাম তার আপন ছোট ভাই রায়হানুল ইসলামের নামে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের একই শাখায় নতুন একটি হিসাব খুলে এক কোটি ১৩ লাখ টাকা, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের বসুন্ধরা শাখায় আরেকটি হিসাব খুলে ১১ লাখ টাকা লেনদেন করেন।

দুদক সূত্র জানায়, ফারহানুল ইসলাম তার মা লুৎফুন নাহারের নামে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মিরপুর-১০ নম্বর শাখায় একটি ও আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডে একটি হিসাব খোলেন। এই দুটি ব্যাংক হিসাবে মা লুৎফুন নাহারের নামে ৪ কোটি ৮ লাখ টাকা লেনদেন করেন।

দুদকের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যে রায়হানুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের ১২ কোটি ৮৪ লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু এসব অর্থের কোনও বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি তারা।

দূদক সূত্র জানায়, মামলার তদন্তে আরও তথ্য পাওয়া গেলে সেসব যোগ করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

ধর্ষণের অভিযোগে ময়মনসিংহে জাপা নেতা গ্রেপ্তার

ছবি

মুন্সীগঞ্জে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি,৮ ডাকাত গ্রেফতার

প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে, রাজশাহীতে ১ ব্যক্তির দন্ড

ছবি

নিরাপদ সুপেয় পানি নিশ্চিতে ওয়াসার কর্মপরিকল্পনা দেখতে চায় হাইকোর্ট

ছবি

পাওনা চাইতে গেলে ব্যবসায়ীকে ক্ষুর দিয়ে খুন করলো সেলুনকর্মী

ছবি

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি ও সাহেদসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

ছবি

নারায়ণগঞ্জে সোলেমান হত্যা মামলার ২ আসামির জবানবন্দি

ছবি

স্বাস্থ্য অধিদফতরের গাড়িচালক মালেকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

ছবি

মিটফোর্ডে নকল-ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি, অভিযানেও থামছে না

ছবি

দুর্নীতিবাজরা যেন শাস্তি পায়: দুদককে রাষ্ট্রপতি

ছবি

টেকনাফে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী কালা জোবায়ের আটক

ছবি

রাজারবাগ দরবার শরিফের সব সম্পদের বিষয়ে তদন্ত করতে নির্দেশ: হাইকোর্ট

ছবি

থানচি হেডম্যানপাড়া সড়ক নির্মাণে ঠিকাদারের গাফিলতি : দুর্ভোগ

ছবি

দুদকের মামলায় ২১ সেপ্টেম্বর বাবরের আত্মপক্ষ শুনানি

ছবি

ইভ্যালির রাসেলসহ আরোও ২০ জনের বিরুদ্ধে আরেক মামলা

ছবি

ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপাল বণিক কারাগারে

কুড়িগ্রাম ধর্ষণ মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

ছবি

চট্টগ্রামে ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে ঢাকায় বিলাসবহুল জীবনযাপন

জয়েন্ট স্টক ও বিএসইসি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ছিল

টঙ্গীতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী অন্তঃসত্বা : ধৃত ১

ঝালকাঠির গৃহবধূর দেহ সোনারগাঁয়ে উদ্ধার

ছবি

বগুড়ায় শালিস নিয়ে বিরোধে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা

ছবি

ইভ্যালির রাসেল রিমান্ডে ‘অসুস্থ’ ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা

ছবি

আদালতে বিচারাধীন হিন্দু পরিবারের জমিতে পাঁচ তলা ভবন নির্মাণ

মহেশপুরে ইজিবাইক চালককে পিটিয়ে হত্যা : বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

মুক্তাগাছায় আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

চাঁপাইয়ে অস্ত্র-গুলিসহ যুবক আটক

তারাকান্দায় জুয়া, মাদক বিরোধী অভিযানে ধৃত ১১

ছবি

১১ সাংবাদিক নেতার ‘সম্মানহানি’র প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ছবি

হেফাজত নেতা রিজওয়ান রফিকী গ্রেপ্তার

ছবি

ইভ্যালির অফিস বন্ধ ঘোষণা

বাঘাইছড়িতে প্রতিপক্ষের গুলিতে সন্তুলারমা দলের নেতা নিহত

ছবি

ত্রাণ নিতে এসে হয়রানীর শিকার ৩৩৩ শে আবেদনকারীরা

ছবি

গৃহকর্মীকে মাথা ন্যাড়া করে মারধর, আটক গৃহকর্তা

ছবি

জঙ্গি সন্দেহে দিনাজপুরে এবিটির ৪২ সদস্য গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় বৃদ্ধাসহ নিহত দুই

tab

অপরাধ ও দুর্নীতি

চাকরির আট বছরেই বিআরটিএ কর্মকর্তা ১২ কোটি টাকার মালিক

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

২০১২ সালে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেছিলেন। চাকরির বয়স মাত্র আট বছর। এর মধ্যেই তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে অর্জিত এসব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ করেছেন পরিবারের বিভিন্ন সদস্যদের নামে। কিন্তু তবু শেষ রক্ষা হয়নি তার। প্রাথমিক তদন্ত শেষে ফারহানুল ইসলাম নামে বিআরটিএ’র ওই কর্মকর্তার নামে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। মামলায় আসামি করা হয়েছে তার ভাই রায়হানুল ইসলামকেও।

আজ বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ সংস্থাটির উপ-পরিচালক রফিকুজ্জামান বাদী হয়ে ওই দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। দুদকের সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

দুদক সূত্র জানায়, বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক ফারহানুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগতি থানাধীন রামদয়াল চরআলগী এলাকায়। ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর তিনি বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আয় করেন। দীর্ঘদিন ছিলেন মিরপুরের বিআরটিএ কার্যালয়ে। গত বছরের ২ নভেম্বর তিনি নোয়াখালী সার্কেলে বদলি হন। বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গচ্ছিত রাখার জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ইউসিবিএল ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক এবং আইডিএলসিতে সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব ও ক্রেডিট কার্ড হিসাবসহ মোট দশটি হিসাব খুলে ১২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা লেনদেন করেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে এসব অর্থের কোনও বৈধ উৎস তিনি দেখাতে পারেননি।

দুদক সূত্র জানায়, ২০১২ সালের ৫ নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় বছর আট মাসের মধ্যে ছয়টি ব্যাংক হিসাব খোলেন। এসব ব্যাংক হিসাবের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের গুলশান শাখার একটি হিসাবে ছয় কোটি ৯২ লাখ টাকা, একই ব্যাংকের আরেকটি হিসাবে ১৪ লাখ টাকা, একটি ভিসা কার্ডের বিপরীতে ১৮ লাখ টাকা, একটি মাস্টার কার্ডের বিপরীতে ২৮ লাখ টাকা লেনদেন করেন। এছাড়া ফারহানুল ইসলাম তার আপন ছোট ভাই রায়হানুল ইসলামের নামে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের একই শাখায় নতুন একটি হিসাব খুলে এক কোটি ১৩ লাখ টাকা, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের বসুন্ধরা শাখায় আরেকটি হিসাব খুলে ১১ লাখ টাকা লেনদেন করেন।

দুদক সূত্র জানায়, ফারহানুল ইসলাম তার মা লুৎফুন নাহারের নামে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মিরপুর-১০ নম্বর শাখায় একটি ও আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডে একটি হিসাব খোলেন। এই দুটি ব্যাংক হিসাবে মা লুৎফুন নাহারের নামে ৪ কোটি ৮ লাখ টাকা লেনদেন করেন।

দুদকের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যে রায়হানুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের ১২ কোটি ৮৪ লাখ টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু এসব অর্থের কোনও বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি তারা।

দূদক সূত্র জানায়, মামলার তদন্তে আরও তথ্য পাওয়া গেলে সেসব যোগ করে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।

back to top