alt

সম্পাদকীয়

গণটিকাদান কর্মসূচি

: মঙ্গলবার, ০৩ আগস্ট ২০২১

দ্রুত বেশিসংখ্যক মানুষকে করোনার টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ৭ থেকে ১৪ আগস্টের মধ্যে দেশের অন্তত এক কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেয়া হবে। আট দিনে এই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে প্রতিদিন ১২ লাখের বেশি ডোজ টিকা প্রয়োগ করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর চেয়ে অনেক বেশি হারে টিকা দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দেশে রয়েছে।

টিকা দানের লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় টিকার মজুদ আছে বলে আশ্বস্ত করেছে সরকার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ বলেছেন, এখন প্রায় সোয়া কোটি টিকা আছে। প্রশ্ন হচ্ছে, ঘোষণা অনুযায়ী আট দিনব্যাপী টিকা উৎসবের আগে এবং পরে প্রতিদিনই টিকার প্রয়োজন পড়বে। সেই প্রয়োজন মিটবে কীভাবে?

কোন কারণে মজুদে ঘাটতি থাকলে পরিকল্পনা অনুযায়ী গণটিকাদান কর্মসূচি হোচট খেতে পারে। টিকাদান কর্মসূচি সাবলীলভাবে এগিয়ে নেয়ার জন্য টিকার পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অবশ্য টিকার আমদানি নিয়ে অনেক আশার বাণী শোনা যাচ্ছে। আগামী মার্চেরে মধ্যে দেশে ২১ কোটি ডোজ টিকা আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। প্রত্যাশা অনুযায়ী সময়মতো টিকা আনা গেলে ভালো।

এ বছর ৭ ফেব্রুয়ারি গণটিকাদান শুরু হয়েছিল। কিন্তু ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কেনা টিকা সময়মতো পাওয়া যায়নি। ভারতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুত টিকা দেয়া বন্ধ করে দেয়। যে কারণে টিকাদান কর্মসূচি এক পর্যায়ে বন্ধ করতে বাধ্য হয় সরকার। এবার টিকা আমদানিতে চীনের ওপর অনেকাংশে নির্ভর করতে হচ্ছে। আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, চীনে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার খবর মিলছে। আমরা আশা করতে চাই যে, এ কারণে বাংলাদেশে টিকা সরবরাহে দেশটিকে সমস্যায় পড়তে হবে না। তবে সরকারকে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

মহামারী করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনতে চায় সরকার। এতে অন্তত ১৪ কোটি মানুষকে ২ ডোজ করে মোট ২৮ কোটি ডোজ টিকার প্রয়োজন পরবে। কিন্তু টিকাদানের গতিতে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে আছে। আইএমএফ, বিশ্ব ব্যাংক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্সের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, করোনার টিকা প্রয়োগে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত, পাকিস্তান, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার চেয়ে বেশ পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

করোনার বিশেষকরে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রভাব মোকাবিলা করতে দ্রুত টিকা দেয়ার বিকল্প নেই। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সিংহভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করা। কেবল আমদানি করা আর উপহারের টিকা দিয়ে কতটুকু প্রয়োজন মেটানো যাবে সেই প্রশ্ন রয়েছে। দুই ডোজ টিকা দিলেই যে সমস্যার সমাধান হবে তাও না। বুস্টার ডোজ দেয়ারও প্রয়োজন রয়েছে। দেশে উৎপাদন করা গেলে টিকা সরবরাহের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হতো। নীতিনির্ধারকরা এ নিয়ে অনেকবার আশার বাণী শুনিয়েছেন। রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে চুক্তি করার কথা বলেছেন। আমরা টিকা উৎপাদনের আশ্বাসের দ্রুত বাস্তবায়ন দেখতে চাই।

সড়ক ও সেতু দুটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করুন

গণটিকা : ব্যবস্থাপনা হতে হবে সুষ্ঠু

বিইআরসি’র ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে কার স্বার্থে

শিক্ষার্থীদের করোনা সংক্রমণ নিয়ে আতঙ্ক নয়, সতর্ক থাকতে হবে

দশ টাকায় চাল বিক্রি কর্মসূচির পথে বাধা দূর করুন

কিন্ডারগার্টেনের অমানিশা

জনসাধারণের ব্যবহার উপযোগী পার্ক চাই

শিশুর পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে হবে

কিশোর বাউল নির্যাতনের বিচার করে দৃষ্টান্ত তৈরি করুন

করোনার টিকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান প্রসঙ্গে

মেয়াদের আগেই বিআরটিসির বাসের আয়ু ফুরায় কেন

সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত : সক্ষমতা না থাকলে সেটা বলা হোক

নকল ও ভেজাল ওষুধ : আইনের কঠোর প্রয়োগই কাম্য

ইউপি নির্বাচন প্রসঙ্গে

কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের মৃত্যু প্রসঙ্গে

ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনে উদ্যোগ নিন

বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু থেকে রক্ষা করতে হবে

যানজট নিরসনে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে

সব শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে ফেরাতে হবে

ভোলায় সাম্প্রদায়িক অপপ্রচার : সতর্ক থাকতে হবে

নিউমোনিয়া থেকে শিশুদের বাঁচাতে চাই সচেতনতা

যে কোন মূল্যে বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে হবে

মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল বন্ধ করুন

ট্যানারির বর্জ্যে বিপন্ন ধলেশ্বরী

চাঁদাবাজির দুষ্টচক্র থেকে পরিবহন খাতকে মুক্তি দিন

বিমানবন্দরে দ্রুত কোভিড টেস্টের ব্যবস্থা করুন

বাক্সবন্দী রোগ নির্ণয় যন্ত্র

জাতীয় শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন

রোহিঙ্গাদের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট, এখনই ব্যবস্থা নিন

খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যবিধি যেন মেনে চলা হয়

বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন উন্নয়নের কাজ ত্বরান্বিত করুন

ধান সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা যাচ্ছে না কেন

বাঁশখালীর বাঁশের সেতু সংস্কার করুন

ঝুমন দাশের মুক্তি কোন পথে

দুস্থদের ভাতা আত্মসাৎ, দ্রুত ব্যবস্থা নিন

খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে

tab

সম্পাদকীয়

গণটিকাদান কর্মসূচি

মঙ্গলবার, ০৩ আগস্ট ২০২১

দ্রুত বেশিসংখ্যক মানুষকে করোনার টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ৭ থেকে ১৪ আগস্টের মধ্যে দেশের অন্তত এক কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেয়া হবে। আট দিনে এই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে প্রতিদিন ১২ লাখের বেশি ডোজ টিকা প্রয়োগ করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর চেয়ে অনেক বেশি হারে টিকা দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দেশে রয়েছে।

টিকা দানের লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় টিকার মজুদ আছে বলে আশ্বস্ত করেছে সরকার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ বলেছেন, এখন প্রায় সোয়া কোটি টিকা আছে। প্রশ্ন হচ্ছে, ঘোষণা অনুযায়ী আট দিনব্যাপী টিকা উৎসবের আগে এবং পরে প্রতিদিনই টিকার প্রয়োজন পড়বে। সেই প্রয়োজন মিটবে কীভাবে?

কোন কারণে মজুদে ঘাটতি থাকলে পরিকল্পনা অনুযায়ী গণটিকাদান কর্মসূচি হোচট খেতে পারে। টিকাদান কর্মসূচি সাবলীলভাবে এগিয়ে নেয়ার জন্য টিকার পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অবশ্য টিকার আমদানি নিয়ে অনেক আশার বাণী শোনা যাচ্ছে। আগামী মার্চেরে মধ্যে দেশে ২১ কোটি ডোজ টিকা আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। প্রত্যাশা অনুযায়ী সময়মতো টিকা আনা গেলে ভালো।

এ বছর ৭ ফেব্রুয়ারি গণটিকাদান শুরু হয়েছিল। কিন্তু ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কেনা টিকা সময়মতো পাওয়া যায়নি। ভারতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুত টিকা দেয়া বন্ধ করে দেয়। যে কারণে টিকাদান কর্মসূচি এক পর্যায়ে বন্ধ করতে বাধ্য হয় সরকার। এবার টিকা আমদানিতে চীনের ওপর অনেকাংশে নির্ভর করতে হচ্ছে। আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, চীনে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার খবর মিলছে। আমরা আশা করতে চাই যে, এ কারণে বাংলাদেশে টিকা সরবরাহে দেশটিকে সমস্যায় পড়তে হবে না। তবে সরকারকে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

মহামারী করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনতে চায় সরকার। এতে অন্তত ১৪ কোটি মানুষকে ২ ডোজ করে মোট ২৮ কোটি ডোজ টিকার প্রয়োজন পরবে। কিন্তু টিকাদানের গতিতে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে আছে। আইএমএফ, বিশ্ব ব্যাংক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্সের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, করোনার টিকা প্রয়োগে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত, পাকিস্তান, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার চেয়ে বেশ পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।

করোনার বিশেষকরে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রভাব মোকাবিলা করতে দ্রুত টিকা দেয়ার বিকল্প নেই। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সিংহভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করা। কেবল আমদানি করা আর উপহারের টিকা দিয়ে কতটুকু প্রয়োজন মেটানো যাবে সেই প্রশ্ন রয়েছে। দুই ডোজ টিকা দিলেই যে সমস্যার সমাধান হবে তাও না। বুস্টার ডোজ দেয়ারও প্রয়োজন রয়েছে। দেশে উৎপাদন করা গেলে টিকা সরবরাহের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হতো। নীতিনির্ধারকরা এ নিয়ে অনেকবার আশার বাণী শুনিয়েছেন। রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে চুক্তি করার কথা বলেছেন। আমরা টিকা উৎপাদনের আশ্বাসের দ্রুত বাস্তবায়ন দেখতে চাই।

back to top