alt

সম্পাদকীয়

ঝুমন দাশের মুক্তি কোন পথে

: শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১

সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছিল অজ্ঞাত পরিচয়সহ মোট দেড় হাজার লোকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মাত্র ৫২ জনকে। গ্রেপ্তারকৃতদের সবাই এখন জামিনে মুক্ত। কিন্তু ঝুমন দাশ এখনও কারাগারেই আছেন। তার জামিন আবেদন নাকচ হয়েছে সাত দফা। হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নিয়ে ফেইসবুকে পোস্ট দেয়ায় তার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়। ধর্ম অবমাননার অভিযোগ নিয়ে যেন পানি ঘোলা না হয়, সেজন্য শাল্লার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ই এ বছরের ১৬ মার্চ ঝুমন দাশকে পুলিশ হেফাজতে দিয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি, শাল্লার হাবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁওয়ে ১৭ মার্চের ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হামলা ঠেকানো যায়নি। ঝুমন দাশেরও মুক্তি মেলেনি। ঝুমন দাশের মুক্তির দাবিতে গতকাল শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে সমাবেশ হয়েছে।

একজন ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে ফেইসবুকে পোস্ট দিলে সেটা ধর্ম অবমাননা হিসেবে গণ্য হতে পারে কি না সেই প্রশ্ন তুলেছেন ঝুমন দাশের স্ত্রী সুইটি রানী দাস। তিনি বলেছেন, ‘মামুনুল হকের বিরুদ্ধে কিছু বলা হলে ধর্মের অবমাননা হয় কীভাবে? অনেক মন্ত্রী-এমপিও তো মামুনুল হকের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তাহলে তারাও তো অপরাধ করেছেন। তাদের কেন গ্রেপ্তার করা হয় না? আমিও বলেছি, আমাকেও গ্রেপ্তার করা হোক।’

আমরা জানতে চাইব, দেশের একজন নাগরিক যে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন তার উত্তর মিলবে কোথায়। ঝুমন দাশের মুক্তি মিলবে কীভাবে সেটাও একটা প্রশ্ন। সাত দফা জামিন আবেদন করেও তার মুক্তি মিলছে না কেন। ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হামলা করার অভিযোগে অভিযুক্তদের মুক্তি মিলল কোন উপায়ে? অত্যাচারিত ও নিপিড়ীত মানুষ কোন পথে গেলে ‘মুক্তি’র দেখা পাবে সেটা আমরা জানতে চাইব।

ঝুমন দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে। এ আইনের অপপ্রয়োগ হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দুর্বলের বিরুদ্ধে প্রয়োগের জন্য শক্তিমানের এক হাতিয়ার হয়ে উঠেছে এ আইন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ঝুমন দাশের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হওয়া মামলার কোন তদন্ত প্রতিবেদন বা চার্জশিট এখনও দেয়া হয়নি।

ঝুমন দাশের মুক্তির দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আমলে নিতে হবে। তার মুক্তির জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। ব্যবস্থা নিতে হবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে। যারা শাল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এমনটাই আমরা দেখতে চাই।

কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকদের মৃত্যু প্রসঙ্গে

ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনে উদ্যোগ নিন

বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু থেকে রক্ষা করতে হবে

যানজট নিরসনে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে

সব শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে ফেরাতে হবে

ভোলায় সাম্প্রদায়িক অপপ্রচার : সতর্ক থাকতে হবে

নিউমোনিয়া থেকে শিশুদের বাঁচাতে চাই সচেতনতা

যে কোন মূল্যে বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে হবে

মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল বন্ধ করুন

ট্যানারির বর্জ্যে বিপন্ন ধলেশ্বরী

চাঁদাবাজির দুষ্টচক্র থেকে পরিবহন খাতকে মুক্তি দিন

বিমানবন্দরে দ্রুত কোভিড টেস্টের ব্যবস্থা করুন

বাক্সবন্দী রোগ নির্ণয় যন্ত্র

জাতীয় শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন

রোহিঙ্গাদের কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট, এখনই ব্যবস্থা নিন

খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যবিধি যেন মেনে চলা হয়

বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন উন্নয়নের কাজ ত্বরান্বিত করুন

ধান সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা যাচ্ছে না কেন

বাঁশখালীর বাঁশের সেতু সংস্কার করুন

দুস্থদের ভাতা আত্মসাৎ, দ্রুত ব্যবস্থা নিন

খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে

আত্মহত্যা কোন সমাধান হতে পারে না

বৃত্তাকার নৌপথের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে

অস্ত্র চোরাচালানের মূল হোতাদের ধরুন

আয়হীন প্রান্তিক নারীদের আয়কর পরিশোধের নোটিশ

এইচএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হচ্ছে কেন

সীমান্তহত্যা বন্ধে ভারতকে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে

‘প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে’ বাঁচাতে হবে

সিডও সনদের ধারা দুটির ওপর থেকে সংরক্ষণ তুলে নিন

মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রটিতে লোকবল নিয়োগ দিন

কিশোর অপরাধ রুখতে চাই সম্মিলিত চেষ্টা

পানি শোধনাগারের সক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার নিশ্চিত করুন

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়ান

দূষণের ক্রনিক রোগে ধুঁকছে রাজধানী, ভুগছে মানুষ

সর্বগ্রাসী দুর্নীতির আরেক নমুনা

বন্যপ্রাণী ও ফসল দুটোই রক্ষা পাক

tab

সম্পাদকীয়

ঝুমন দাশের মুক্তি কোন পথে

শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১

সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছিল অজ্ঞাত পরিচয়সহ মোট দেড় হাজার লোকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মাত্র ৫২ জনকে। গ্রেপ্তারকৃতদের সবাই এখন জামিনে মুক্ত। কিন্তু ঝুমন দাশ এখনও কারাগারেই আছেন। তার জামিন আবেদন নাকচ হয়েছে সাত দফা। হেফাজত নেতা মামুনুল হককে নিয়ে ফেইসবুকে পোস্ট দেয়ায় তার বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তোলা হয়। ধর্ম অবমাননার অভিযোগ নিয়ে যেন পানি ঘোলা না হয়, সেজন্য শাল্লার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ই এ বছরের ১৬ মার্চ ঝুমন দাশকে পুলিশ হেফাজতে দিয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি, শাল্লার হাবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁওয়ে ১৭ মার্চের ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হামলা ঠেকানো যায়নি। ঝুমন দাশেরও মুক্তি মেলেনি। ঝুমন দাশের মুক্তির দাবিতে গতকাল শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে সমাবেশ হয়েছে।

একজন ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে ফেইসবুকে পোস্ট দিলে সেটা ধর্ম অবমাননা হিসেবে গণ্য হতে পারে কি না সেই প্রশ্ন তুলেছেন ঝুমন দাশের স্ত্রী সুইটি রানী দাস। তিনি বলেছেন, ‘মামুনুল হকের বিরুদ্ধে কিছু বলা হলে ধর্মের অবমাননা হয় কীভাবে? অনেক মন্ত্রী-এমপিও তো মামুনুল হকের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তাহলে তারাও তো অপরাধ করেছেন। তাদের কেন গ্রেপ্তার করা হয় না? আমিও বলেছি, আমাকেও গ্রেপ্তার করা হোক।’

আমরা জানতে চাইব, দেশের একজন নাগরিক যে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন তার উত্তর মিলবে কোথায়। ঝুমন দাশের মুক্তি মিলবে কীভাবে সেটাও একটা প্রশ্ন। সাত দফা জামিন আবেদন করেও তার মুক্তি মিলছে না কেন। ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হামলা করার অভিযোগে অভিযুক্তদের মুক্তি মিলল কোন উপায়ে? অত্যাচারিত ও নিপিড়ীত মানুষ কোন পথে গেলে ‘মুক্তি’র দেখা পাবে সেটা আমরা জানতে চাইব।

ঝুমন দাশকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে। এ আইনের অপপ্রয়োগ হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দুর্বলের বিরুদ্ধে প্রয়োগের জন্য শক্তিমানের এক হাতিয়ার হয়ে উঠেছে এ আইন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ঝুমন দাশের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হওয়া মামলার কোন তদন্ত প্রতিবেদন বা চার্জশিট এখনও দেয়া হয়নি।

ঝুমন দাশের মুক্তির দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আমলে নিতে হবে। তার মুক্তির জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। ব্যবস্থা নিতে হবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে। যারা শাল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এমনটাই আমরা দেখতে চাই।

back to top