alt

সম্পাদকীয়

ইউপি নির্বাচন প্রসঙ্গে

: মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১

১৬০ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), নয়টি পৌরসভা এবং দুটি উপজেলায় গতকাল সোমবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় মারা গেছেন ২ জন। এছাড়া নির্বাচনী সংঘাত-সংঘর্ষে বিভিন্ন স্থানে অনেক আহত হয়েছেন। অনেক ভোটকেন্দ্র থেকে অনিয়ম ও গোলযোগের খবর মিলেছে। অনিয়মের অভিযোগে পাঁচ কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেছেন, দুজনের প্রাণহানির ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। ইসির দেয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ইউপি নির্বাচনে ইভিএমে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। পৌরসভায় ভোটের হার ৫৫ শতাংশের বেশি। ব্যালটে ভোট গ্রহণের হার ৬৫ শতাংশের বেশি।

নির্বাচন ঘিরে সংঘাত-সংঘর্ষ অতীতেও ঘটেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও এ অপসংস্কৃতি থেকে বের হওয়া গেল না। নির্বাচনী সহিংসতাকে নিছক আবেগের বশবর্তী হয়ে ঘটানো কাজ বলা দায়িত্বশীলতার পরিচায়ক নয়। সংঘাত-সংঘর্ষমুক্ত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা ইসির দায়িত্ব।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এবার ৪৫টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা শুভ লক্ষণ নয়। গণতন্ত্রের প্রাণ হচ্ছে নির্বাচন। প্রার্থী বা ভোটররা যদি নির্বাচনী ব্যবস্থা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন তাহলে গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়বে। ক্ষমতাসীন দল ভিন্ন বাকি দলগুলো নির্বাচনে কেন আগ্রহী হচ্ছে না সেটা একটা প্রশ্ন।

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অথচ এতে ক্ষমতাসীন দল ছাড়া আর কারও আগ্রহ আছে বলে মনে হয় না। এমনকি স্বতন্ত্র প্রার্থীর দেখাও মিলছে না। ইসিকে এর কারণ খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। অভিযোগ উঠেছে যে, ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ-সংশয়ের কারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশপাশি অনেক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে উৎসাহ পাচ্ছেন না।

আমরা এমন একটি নির্বাচনী ব্যবস্থা দেখতে চাই, যেখানে সব রাজনৈতিক দল অংশ নেবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটরার স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেবেন এটাই কাম্য।

স্পিডবোট চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করুন

করোনাকাল ও দারিদ্র্য বিমোচন দিবস

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে

স্বাধীন দেশে কেন সাম্প্রদায়িকতাকে পরাস্ত করা যাচ্ছে না

‘মা ইলিশ’ নিধন বন্ধে ব্যবস্থা নিন

মাথাপিছু আয়

আবারও সাম্প্রদায়িক হামলা

আবারও সাম্প্রদায়িক হামলা

ভবদহের জলাবদ্ধতা নিরসন করুন

বজ্রপাতের বিপদ মোকাবিলা করতে হবে

প্রকল্পগুলোর এমন পরিণতির দায় কার

নিত্যপণ্যের দাম কি নিয়ন্ত্রণহীনই থাকবে

হত্যাকান্ডগুলো ‘আত্মহত্যা’য় পরিণত হলো কীভাবে

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গৌরবময় অধ্যায়

ঢাকা-লক্ষ্মীপুর লঞ্চ সার্ভিস চালু করুন

তৈরি পোশাক কারখানায় ট্রেড ইউনিয়ন প্রসঙ্গে

আফগানিস্তানে শান্তির দেখা মিলবে কবে

নিত্যপণ্যের বাজারে মানুষের পকেট কাটা বন্ধ করুন

গাঙ্গেয় ডলফিন রক্ষা করুন

দক্ষতা ও মেধাভিত্তিক শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে হবে

করোনার টিকা পেতে প্রবাসী শ্রমিকদের ভোগান্তি দূর করুন

ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিন

তাপমাত্রা ও রাজধানীবাসীর কর্মক্ষমতা

ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতিতে বাস চালুর উদ্যোগ সফল হোক

ইলিশের অভয়াশ্রমে অর্থনৈতিক অঞ্চল নয়

রোহিঙ্গাদের নিয়ে ব্যবসা করতে চাওয়া গোষ্ঠীর নাম প্রকাশ করুন

বাল্যবিয়ে বন্ধে এনআইডি ব্যবহারের প্রস্তাব

শিক্ষার্থী উপস্থিতির প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিন

উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর সমস্যা দূর করুন

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণ প্রসঙ্গে

দশমিনা-পটুয়াখালী সড়কটি দ্রুত সংস্কার করুন

সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিকার চাই

মাধ্যমিক শিক্ষায় দুর্নীতি

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে

প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করুন, ব্যবস্থা নিন

করোনার টিকা প্রয়োগে উল্লেখযোগ্য অর্জন

tab

সম্পাদকীয়

ইউপি নির্বাচন প্রসঙ্গে

মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১

১৬০ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি), নয়টি পৌরসভা এবং দুটি উপজেলায় গতকাল সোমবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় মারা গেছেন ২ জন। এছাড়া নির্বাচনী সংঘাত-সংঘর্ষে বিভিন্ন স্থানে অনেক আহত হয়েছেন। অনেক ভোটকেন্দ্র থেকে অনিয়ম ও গোলযোগের খবর মিলেছে। অনিয়মের অভিযোগে পাঁচ কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়েছে। ইসি সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেছেন, দুজনের প্রাণহানির ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। ইসির দেয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ইউপি নির্বাচনে ইভিএমে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। পৌরসভায় ভোটের হার ৫৫ শতাংশের বেশি। ব্যালটে ভোট গ্রহণের হার ৬৫ শতাংশের বেশি।

নির্বাচন ঘিরে সংঘাত-সংঘর্ষ অতীতেও ঘটেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও এ অপসংস্কৃতি থেকে বের হওয়া গেল না। নির্বাচনী সহিংসতাকে নিছক আবেগের বশবর্তী হয়ে ঘটানো কাজ বলা দায়িত্বশীলতার পরিচায়ক নয়। সংঘাত-সংঘর্ষমুক্ত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা ইসির দায়িত্ব।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এবার ৪৫টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা শুভ লক্ষণ নয়। গণতন্ত্রের প্রাণ হচ্ছে নির্বাচন। প্রার্থী বা ভোটররা যদি নির্বাচনী ব্যবস্থা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন তাহলে গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশের পথ রুদ্ধ হয়ে পড়বে। ক্ষমতাসীন দল ভিন্ন বাকি দলগুলো নির্বাচনে কেন আগ্রহী হচ্ছে না সেটা একটা প্রশ্ন।

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অথচ এতে ক্ষমতাসীন দল ছাড়া আর কারও আগ্রহ আছে বলে মনে হয় না। এমনকি স্বতন্ত্র প্রার্থীর দেখাও মিলছে না। ইসিকে এর কারণ খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। অভিযোগ উঠেছে যে, ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ-সংশয়ের কারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশপাশি অনেক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে উৎসাহ পাচ্ছেন না।

আমরা এমন একটি নির্বাচনী ব্যবস্থা দেখতে চাই, যেখানে সব রাজনৈতিক দল অংশ নেবে। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটরার স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেবেন এটাই কাম্য।

back to top