alt

উপ-সম্পাদকীয়

টিকাদান কর্মসূচির গতি বাড়াতে হবে

আর কে চৌধুরী

: রোববার, ২৫ জুলাই ২০২১

করোনা মহামারী ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। হাসপাতালে রোগীর ঠাঁই হচ্ছে না। করোনা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হচ্ছে দ্রুত বেশির ভাগ মানুষকে টিকা কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা। কিন্তু বর্তমানে যে হারে টিকা দেওয়া হচ্ছে, তাতে কবে আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারব তা বলা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার।

কিছুদিন আগে দেশে টিকার সংকট হয়েছিল। এখন সেই সংকট কেটে গেছে। হাতে টিকার ভালো মজুদ রয়েছে। ঈদের আগে সিনোফার্মের ২০ লাখ টিকা ও মডার্নার ৩০ লাখ টিকা এসেছে। দুই মাসের মধ্যে কমপক্ষে আরো দেড় কোটি ডোজ টিকা দেশে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টিকা কেন্দ্রগুলোতে কোনো বিরতি না দিয়ে এবং দুই-তিন শিফট করে হলেও দৈনিক কমপক্ষে পাঁচ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া প্রয়োজন।

করোনা মহামারী আগে শহরকেন্দ্রিক থাকলেও এখন তা গ্রামেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। গ্রামের মানুষের সচেতনতা আরো কম। তারা আক্রান্ত হলেও চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করে। উপজেলা পর্যায়ে করোনা চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেই। তাই দ্রুত তাদের টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

টিকা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে প্রশ্নটি সামনে এসেছে তা হলো-টিকা দেওয়ার ব্যবস্থাপনা। প্রথম দফায় ছোটখাটো ত্রুটি ছাড়া টিকা কর্মসূচি মোটামুটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় এসে বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু কিছু বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর কারণ টিকার মজুত ছিল খুবই কম। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ টিকা পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। সবাই চেষ্টা করছেন আগে পাওয়ার। সেক্ষেত্রে প্রতিশ্রুত টিকা এলে সংকট কমে আসবে। সরকার তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তৈরি পোশাক শ্রমিকদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদেরও যত দ্রুত সম্ভব দিতে হবে।

টিকা করোনার প্রধান প্রতিষেধক হওয়া সত্ত্বেও আমাদের স্বাস্থ্যবিধির কথা ভুলে গেলে চলবে না। ঘরের বাইরে গেলে সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আপনি যেমন নিজে বিপদে পড়বেন, অন্যকেও বিপদে ফেলবেন; যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

[লেখক : সাবেক চেয়ারম্যান, রাজউক]

উন্নত বাংলাদেশের কাণ্ডারি

সংশপ্তকের জন্য জন্মদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা: স্থপতি স্বর্ণকন্যা শেখ হাসিনা

অপার সম্ভাবনার পর্যটন

ভাবমূর্তির উন্নয়ন

ধর্ম যখন বর্ম

ফল ও সবজি রপ্তানি এবং কেন্দ্রীয় প্যাকিং হাউজ

আফগানিস্তানে তালেবান ও ভূলুণ্ঠিত মানবাধিকার

বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপন প্রসঙ্গে

আত্মহত্যা প্রতিরোধযোগ্য

পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থিদের নেতৃত্বে কারা আসছেন

বোনেরা প্রাপ্য অংশ থেকে বঞ্চিত হলে কী করবেন?

ছবি

তালেবানরা উদারপন্থি হচ্ছে কি

ছবি

কারিকুলাম প্রণয়নের চেয়ে বাস্তবায়নই বেশি গুরুত্বপূর্ণ

দুর্বিনীত লোভের ফাঁদ

কিশোর শিক্ষার্থীদের কোভিড ভ্যাকসিন

সমাপনী পরীক্ষা এবার থেকেই বাদ নয় কেন

ইটিং ডিজঅর্ডার সম্পর্কে জানা জরুরি

ধনী হওয়ার মন্ত্র ও বোকা বানানোর যন্ত্র

মুজিব বাহিনী ও মুজিববাদ

দেশের ইস্পাত শিল্প

আদিবাসীদের শ্মশানও দখল হয়ে গেল

অন্ধকার অতল গহ্বরে আফগান জনগণ

সংকটে রবিদাস জনগোষ্ঠী

প্রশাসনকে মাটির কাছাকাছি আসতে হবে

তালেবানদের সরকার গঠন

যেখানে সময় এসে মানুষকে ধরা দেয়

পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী রাজনীতির ঘূর্ণাবর্ত

ছবি

শিক্ষা দিবস

সাংস্কৃতিক কার্যক্রম শূন্যতা ও জঙ্গিবাদ

ঐতিহাসিক সত্য উন্মোচনে ট্রুথ কমিশন

’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন ও আজকের শিক্ষা

আন্তর্জাতিক ওজন দিবস

ভূমিসংক্রান্ত অপরাধ দমনে আইন প্রণয়ন জরুরি

ছবি

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা

বেশি দামে সার বিক্রিতে প্রতারিত হচ্ছেন কৃষক

tab

উপ-সম্পাদকীয়

টিকাদান কর্মসূচির গতি বাড়াতে হবে

আর কে চৌধুরী

রোববার, ২৫ জুলাই ২০২১

করোনা মহামারী ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। হাসপাতালে রোগীর ঠাঁই হচ্ছে না। করোনা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হচ্ছে দ্রুত বেশির ভাগ মানুষকে টিকা কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা। কিন্তু বর্তমানে যে হারে টিকা দেওয়া হচ্ছে, তাতে কবে আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করতে পারব তা বলা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার।

কিছুদিন আগে দেশে টিকার সংকট হয়েছিল। এখন সেই সংকট কেটে গেছে। হাতে টিকার ভালো মজুদ রয়েছে। ঈদের আগে সিনোফার্মের ২০ লাখ টিকা ও মডার্নার ৩০ লাখ টিকা এসেছে। দুই মাসের মধ্যে কমপক্ষে আরো দেড় কোটি ডোজ টিকা দেশে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টিকা কেন্দ্রগুলোতে কোনো বিরতি না দিয়ে এবং দুই-তিন শিফট করে হলেও দৈনিক কমপক্ষে পাঁচ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া প্রয়োজন।

করোনা মহামারী আগে শহরকেন্দ্রিক থাকলেও এখন তা গ্রামেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। গ্রামের মানুষের সচেতনতা আরো কম। তারা আক্রান্ত হলেও চিকিৎসকের কাছে যেতে দেরি করে। উপজেলা পর্যায়ে করোনা চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেই। তাই দ্রুত তাদের টিকা প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

টিকা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে প্রশ্নটি সামনে এসেছে তা হলো-টিকা দেওয়ার ব্যবস্থাপনা। প্রথম দফায় ছোটখাটো ত্রুটি ছাড়া টিকা কর্মসূচি মোটামুটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় এসে বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু কিছু বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর কারণ টিকার মজুত ছিল খুবই কম। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ টিকা পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। সবাই চেষ্টা করছেন আগে পাওয়ার। সেক্ষেত্রে প্রতিশ্রুত টিকা এলে সংকট কমে আসবে। সরকার তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তৈরি পোশাক শ্রমিকদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদেরও যত দ্রুত সম্ভব দিতে হবে।

টিকা করোনার প্রধান প্রতিষেধক হওয়া সত্ত্বেও আমাদের স্বাস্থ্যবিধির কথা ভুলে গেলে চলবে না। ঘরের বাইরে গেলে সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আপনি যেমন নিজে বিপদে পড়বেন, অন্যকেও বিপদে ফেলবেন; যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

[লেখক : সাবেক চেয়ারম্যান, রাজউক]

back to top