alt

উপ-সম্পাদকীয়

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বনাম উদ্ভাবন ও উন্নতি

পরিতোষ চন্দ্র রায়

: রোববার, ০১ আগস্ট ২০২১

বাংলাদেশে অতীতের তুলনায় বর্তমান সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। গত এক দশক ধরে দেশে বেশ কিছু ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সরকারের সেই মানসিকতাই প্রকাশ করে। তবে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেই থেমে থাকা যাবে না। শিক্ষক ও গবেষকদের গবেষণা করার মতো পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এবং মানসম্মত গবেষণাগার তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণার জন্য যে অর্থ বরাদ্দ করা হয় তা যথেষ্ট নয় বলে শিক্ষকদের আপত্তি আছে। তাই শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়িয়ে আত্মতৃপ্তি পেলে চলবে না; পাশাপাশি এমন পরিবেশ তৈরি করা দরকার যেন শিক্ষকরা একান্তমনে গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে পারে। এমফিল এবং পিএইচডি গবেষকদেরও পর্যাপ্ত বৃত্তি দিয়ে গবেষণায় উৎসাহিত করতে হবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু সার্টিফিকেট ছাপানোর কারখানা না; গবেষক তৈরির সূতিকাগারও বটে। এখানে একজন ভালো গবেষকের জন্ম হলে কর্মজীবনে সে তার গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ভালো কিছু উদ্ভাবন করে দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারবে। তাই গবেষক তৈরির ব্যাপারে শিক্ষকদেরও সচেতন থাকা জরুরি। দেশের আপামর জনসাধারণের কাজে লাগে এমন বিষয়কে গবেষণায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে গবেষণা করা এক ধরনের বিলাসিতা। বিলাসিতা করে গবেষণার বিষয়বস্তু নির্ধারণ না করে দেশের বাস্তবতা এবং সমস্যা মাথায় রেখে গবেষণার পরিকল্পনা করা এখন সময়ের দাবি। আমরা অনেক সময় অভিযোগ করে থাকি, সরকার গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করে না। একথা একেবারেই বেঠিক নয়। ভালোমানের গবেষণার জন্য আরো বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। তবে আমরা যেটুকু অর্থ গবেষণা খাতে পাই তার বিনিময়ে দেশকে যেন কিছু দিতে পারি সেটি মাথায় রাখা দরকার। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান গণমাধ্যমে খুব স্পষ্টভাবেই এ বিষয়ে অনুযোগ করেছেন। তার কথার সারমর্ম হলো-তিনি ইউজিসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে গবেষণা খাতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিতেন অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় সেই হিসেবে ভালো কিছু দিতে পারেনি। একমাত্র কৃষিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে দেশের উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা পালন করতে পেরেছে।

দেশের বাস্তবতা এবং সমস্যা মাথায় রেখে গবেষণার পরিকল্পনা করা এখন সময়ের দাবি

অধ্যাপক মান্নানের এ কথার প্রমাণ পাওয়া যায় সিমাগো র‌্যাংকিং-২০২১ এর তালিকা দেখে। গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে এ তালিকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেশে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। বিগত এক দশকে বায়োকেমিস্ট্রি, জেনেটিক্স এবং মলিকুলার বায়োলজি গবেষণায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা এবং উদ্ভাবনে দেশের মানুষ সরাসরি উপকৃত হচ্ছে। দেশের কৃষিক্ষেত্রে চরম দুঃসময়েও এ বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২০১৬ সালে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ৮ জেলায় ১৫০০০ হেক্টর জমিতে গমের ব্লাস্ট রোগ মহামারী আকারে দেখা দিলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির ফেলো ড. মো. তোফাজ্জল ইসলামের নেতৃত্বে ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একদল গবেষক জিনোম সিকুয়েন্সিং করে গমের ব্লাস্ট রোগের জীবাণু চিহ্নিত করেন। পরবর্তীতে তারা সেই রোগের উৎপত্তিস্থলও নির্ণয় করেন। চারটি মহাদেশের ৩১ জন বিজ্ঞানীকে তিনি এ গবেষণায় যুক্ত করেছিলেন। ড. তোফাজ্জল ইসলামের উদ্ভাবিত আরটি কিট ব্যবহার করে কৃষকরা এখন সহজে দ্রুততম সময়ে অল্প খরচে ব্লাস্ট রোগ নির্ণয় করতে পারছে। তার আবিষ্কৃত প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া প্রযুক্তি কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশে তিনিই প্রথম জিন এডিটিংয়ের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কৃষিক্ষেত্রে প্রয়োগ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। ড. তোফাজ্জল ইসলামের মতো যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ এবং দেশের সেবায় নিয়োজিত তাদের শুধু নিজ বিভাগের গ-ির মধ্যে বন্দী করে রাখা বোকামি। মানবসম্পদকে কাজে লাগাতে না পারলে দেশেরই ক্ষতি। শুধু নতুন প্রতিষ্ঠান আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেই দেশের উন্নতি সম্ভব নয়। সুযোগ্য এবং বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের জাতীয় পর্যায়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিতে হবে, তাদের মেধাকে দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। তাহলেই দেশের মানুষ উপকৃত হবে-দেশ এগিয়ে যাবে।

[লেখক : শিক্ষক, জেনেটিক্স অ্যান্ড প্লান্ট ব্রিডিং বিভাগ, সরকারি শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও]

আত্মহত্যা প্রতিরোধযোগ্য

পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থিদের নেতৃত্বে কারা আসছেন

বোনেরা প্রাপ্য অংশ থেকে বঞ্চিত হলে কী করবেন?

ছবি

তালেবানরা উদারপন্থি হচ্ছে কি

ছবি

কারিকুলাম প্রণয়নের চেয়ে বাস্তবায়নই বেশি গুরুত্বপূর্ণ

দুর্বিনীত লোভের ফাঁদ

কিশোর শিক্ষার্থীদের কোভিড ভ্যাকসিন

সমাপনী পরীক্ষা এবার থেকেই বাদ নয় কেন

ইটিং ডিজঅর্ডার সম্পর্কে জানা জরুরি

ধনী হওয়ার মন্ত্র ও বোকা বানানোর যন্ত্র

মুজিব বাহিনী ও মুজিববাদ

দেশের ইস্পাত শিল্প

আদিবাসীদের শ্মশানও দখল হয়ে গেল

অন্ধকার অতল গহ্বরে আফগান জনগণ

সংকটে রবিদাস জনগোষ্ঠী

প্রশাসনকে মাটির কাছাকাছি আসতে হবে

তালেবানদের সরকার গঠন

যেখানে সময় এসে মানুষকে ধরা দেয়

পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী রাজনীতির ঘূর্ণাবর্ত

ছবি

শিক্ষা দিবস

সাংস্কৃতিক কার্যক্রম শূন্যতা ও জঙ্গিবাদ

ঐতিহাসিক সত্য উন্মোচনে ট্রুথ কমিশন

’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন ও আজকের শিক্ষা

আন্তর্জাতিক ওজন দিবস

ভূমিসংক্রান্ত অপরাধ দমনে আইন প্রণয়ন জরুরি

ছবি

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা

বেশি দামে সার বিক্রিতে প্রতারিত হচ্ছেন কৃষক

হাঁস-মুরগির রোগ ও চিকিৎসা

দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স

ছবি

রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব

মহামারীকালে মানসিক স্বাস্থ্য

করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রস্তুতি

ছবি

টিকা বিভ্রান্তি ও রাজনীতি

আফগানিস্তানে তালেবান ও বাংলাদেশে এর প্রভাব

মহামারী, প্রতারণার ফাঁদ এবং রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের যুদ্ধ

নেতিবাচক খবরের প্রাধান্য

tab

উপ-সম্পাদকীয়

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বনাম উদ্ভাবন ও উন্নতি

পরিতোষ চন্দ্র রায়

রোববার, ০১ আগস্ট ২০২১

বাংলাদেশে অতীতের তুলনায় বর্তমান সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। গত এক দশক ধরে দেশে বেশ কিছু ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সরকারের সেই মানসিকতাই প্রকাশ করে। তবে শুধু বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেই থেমে থাকা যাবে না। শিক্ষক ও গবেষকদের গবেষণা করার মতো পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এবং মানসম্মত গবেষণাগার তৈরি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণার জন্য যে অর্থ বরাদ্দ করা হয় তা যথেষ্ট নয় বলে শিক্ষকদের আপত্তি আছে। তাই শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়িয়ে আত্মতৃপ্তি পেলে চলবে না; পাশাপাশি এমন পরিবেশ তৈরি করা দরকার যেন শিক্ষকরা একান্তমনে গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে পারে। এমফিল এবং পিএইচডি গবেষকদেরও পর্যাপ্ত বৃত্তি দিয়ে গবেষণায় উৎসাহিত করতে হবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু সার্টিফিকেট ছাপানোর কারখানা না; গবেষক তৈরির সূতিকাগারও বটে। এখানে একজন ভালো গবেষকের জন্ম হলে কর্মজীবনে সে তার গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ভালো কিছু উদ্ভাবন করে দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে পারবে। তাই গবেষক তৈরির ব্যাপারে শিক্ষকদেরও সচেতন থাকা জরুরি। দেশের আপামর জনসাধারণের কাজে লাগে এমন বিষয়কে গবেষণায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে গবেষণা করা এক ধরনের বিলাসিতা। বিলাসিতা করে গবেষণার বিষয়বস্তু নির্ধারণ না করে দেশের বাস্তবতা এবং সমস্যা মাথায় রেখে গবেষণার পরিকল্পনা করা এখন সময়ের দাবি। আমরা অনেক সময় অভিযোগ করে থাকি, সরকার গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করে না। একথা একেবারেই বেঠিক নয়। ভালোমানের গবেষণার জন্য আরো বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন। তবে আমরা যেটুকু অর্থ গবেষণা খাতে পাই তার বিনিময়ে দেশকে যেন কিছু দিতে পারি সেটি মাথায় রাখা দরকার। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান গণমাধ্যমে খুব স্পষ্টভাবেই এ বিষয়ে অনুযোগ করেছেন। তার কথার সারমর্ম হলো-তিনি ইউজিসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে গবেষণা খাতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিতেন অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় সেই হিসেবে ভালো কিছু দিতে পারেনি। একমাত্র কৃষিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে দেশের উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা পালন করতে পেরেছে।

দেশের বাস্তবতা এবং সমস্যা মাথায় রেখে গবেষণার পরিকল্পনা করা এখন সময়ের দাবি

অধ্যাপক মান্নানের এ কথার প্রমাণ পাওয়া যায় সিমাগো র‌্যাংকিং-২০২১ এর তালিকা দেখে। গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে এ তালিকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দেশে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। বিগত এক দশকে বায়োকেমিস্ট্রি, জেনেটিক্স এবং মলিকুলার বায়োলজি গবেষণায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা এবং উদ্ভাবনে দেশের মানুষ সরাসরি উপকৃত হচ্ছে। দেশের কৃষিক্ষেত্রে চরম দুঃসময়েও এ বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২০১৬ সালে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ৮ জেলায় ১৫০০০ হেক্টর জমিতে গমের ব্লাস্ট রোগ মহামারী আকারে দেখা দিলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির ফেলো ড. মো. তোফাজ্জল ইসলামের নেতৃত্বে ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একদল গবেষক জিনোম সিকুয়েন্সিং করে গমের ব্লাস্ট রোগের জীবাণু চিহ্নিত করেন। পরবর্তীতে তারা সেই রোগের উৎপত্তিস্থলও নির্ণয় করেন। চারটি মহাদেশের ৩১ জন বিজ্ঞানীকে তিনি এ গবেষণায় যুক্ত করেছিলেন। ড. তোফাজ্জল ইসলামের উদ্ভাবিত আরটি কিট ব্যবহার করে কৃষকরা এখন সহজে দ্রুততম সময়ে অল্প খরচে ব্লাস্ট রোগ নির্ণয় করতে পারছে। তার আবিষ্কৃত প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া প্রযুক্তি কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশে তিনিই প্রথম জিন এডিটিংয়ের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কৃষিক্ষেত্রে প্রয়োগ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। ড. তোফাজ্জল ইসলামের মতো যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ এবং দেশের সেবায় নিয়োজিত তাদের শুধু নিজ বিভাগের গ-ির মধ্যে বন্দী করে রাখা বোকামি। মানবসম্পদকে কাজে লাগাতে না পারলে দেশেরই ক্ষতি। শুধু নতুন প্রতিষ্ঠান আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেই দেশের উন্নতি সম্ভব নয়। সুযোগ্য এবং বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের জাতীয় পর্যায়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিতে হবে, তাদের মেধাকে দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। তাহলেই দেশের মানুষ উপকৃত হবে-দেশ এগিয়ে যাবে।

[লেখক : শিক্ষক, জেনেটিক্স অ্যান্ড প্লান্ট ব্রিডিং বিভাগ, সরকারি শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও]

back to top