alt

পাঠকের চিঠি

স্কুলে ভর্তি লটারি প্রক্রিয়া হোক স্বচ্ছ

: মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০

করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে সরকার এবার ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীকে নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্কুলগুলোতে প্রথম শ্রেণীর মতো সব শ্রেণীতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

এবার ক্যাচমেন্ট এরিয়া (বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকা) ১০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ স্কুলের আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদের এখন ৫০ শতাংশ ভর্তি করা হবে। এত দিন আশপাশের এলাকার ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হতো। এছাড়া এবার ঢাকা মহানগরের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিতে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় পছন্দের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। এত দিন একেকটি গুচ্ছের মধ্যে একটিতে পছন্দ করতে পারত শিক্ষার্থীরা। এখন একটি গুচ্ছের পাঁচটি পছন্দক্রম দিতে পারবে। এতে করে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়বে, ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমবে, শিক্ষার হার বাড়বে।

পূর্বে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়ায় অনেকটা বৈষম্য হতো। কারণ এতে করে শুধু ভালো মেধাবী শিক্ষার্থীরাই সেরা সেরা বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেত। কিন্ত এবার লটারির ভর্তি পরীক্ষায় মেধাবী ও কম মেধাবী সব শিক্ষার্থীরাই যে কোন বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে। এক্ষেত্রে শিক্ষায় সব ধরনের বৈষম্য দূর হবে। এতে করে শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

করোনার ঝুঁকি থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে এ লটারি পদ্ধতি বেছে নেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টি জোর দিয়েই সরকার এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। যা সত্যিই প্রশংসনীয়। লটারির মাধ্যমে ভর্তির কারণে শিক্ষার্থী ভর্তিতে এবার সাম্য তৈরি হবে। ভর্তিতে এবার বৈষম্য থাকছে না। সন্তানের ভর্তি লটারিতে সব অভিভাবকের উপস্থিত হওয়ার সুযোগ না থাকলেও তাদের ভেতরের পাঁচ থেকে সাতজনকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে। তাদের ভর্তিচ্ছু সব অভিভাবকের প্রতিনিধি হিসেবে ভর্তি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যার দরুন লটারিতে ভর্তির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যাবে।

ভালো মানের স্কুল কম থাকায় রাজধানী ঢাকায় হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি স্কুলে খালি আসনের চেয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির আকাক্সক্ষায় প্রচন্ড চাপ থাকে। সেজন্য প্রতিযোগীও বেশি হয়। তাই ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে রাজধানীর নামকরা মাত্র কয়েকটি স্কুলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে তাদের উপস্থিতিতে লটারি কার্যক্রম পরিচালনা করা উচিত। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় উক্ত সিদ্ধান্তটি বেশ কার্যকরী ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। এটি সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ সরকারের ওপর আস্থা রাখবে। বর্তমানে স্থবির হয়ে থাকা শিক্ষা কার্যক্রমকে গতিশীল করতে লটারির ভর্তি একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ

চিঠিপত্র : হাট-বাজারে ডিজিটাল ওজন স্কেল স্থাপন করুন

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত

নারী জাগরণের অগ্রদূত

পরিবেশ রক্ষায় জলাভূমির গুরুত্ব

হাসপাতালের সামনে ডাস্টবিন কেন

আইল কাটার অপসংস্কৃতি বন্ধ হোক

নদী থাকুক নদীর মতো

ছবি

বইয়ের সঠিক মূল্য লিখুন

ছবি

আম শিল্প সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

অর্থনীতিতে প্রান্তিক নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে

শিক্ষাক্ষেত্রে অচল অবস্থার অবসান ঘটুক

আমার বাবা সনদবিহীন এক মুক্তিযোদ্ধা

ছবি

অসহায় বস্তিবাসীর পাশে দাঁড়ান

অনলাইন ক্লাস প্রসঙ্গে

ছবি

শীতার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসুন

নৌপথে অনিয়ম বন্ধ করুন

ভোলায় বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি মেডিকেল কলেজ চাই

সড়কে বিশৃঙ্খলার দায় কার

টেলিটকের দুর্দশা ঘুচবে কবে

অপ্রয়োজনে হর্ন নয়

ছবি

কীর্তিমানের মৃত্যু নাই

ছবি

দ্রব্যমূল্যে দুর্বিষহ জনজীবন

সেশন জট থেকে রক্ষা করুন

রাজধানীতে খেলার মাঠ চাই

বিশুদ্ধতার মানদন্ডে ‘রেল পানি’

দুর্ভোগের নাম সনদপত্র সত্যায়িত করণ

ছবি

নো মাস্ক নো সার্ভিস

ছবি

সবজির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিন

লাগামহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার

সেলফিতে সতর্কতা প্রয়োজন

ছবি

বেপরোয়া মোটরবাইক নিয়ন্ত্রণ জরুরি

নৌপথে অনিয়ম বন্ধ করুন

পর্যটকদের সচেতন হতে হবে

ছবি

করোনা প্রতিরোধে মাস্কই শ্রেয়

ধর্মীয় উগ্রবাদ সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি

tab

পাঠকের চিঠি

স্কুলে ভর্তি লটারি প্রক্রিয়া হোক স্বচ্ছ

মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০

করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে সরকার এবার ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীকে নতুন বিদ্যালয়ে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্কুলগুলোতে প্রথম শ্রেণীর মতো সব শ্রেণীতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

এবার ক্যাচমেন্ট এরিয়া (বিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকা) ১০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ স্কুলের আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদের এখন ৫০ শতাংশ ভর্তি করা হবে। এত দিন আশপাশের এলাকার ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হতো। এছাড়া এবার ঢাকা মহানগরের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিতে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় পছন্দের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। এত দিন একেকটি গুচ্ছের মধ্যে একটিতে পছন্দ করতে পারত শিক্ষার্থীরা। এখন একটি গুচ্ছের পাঁচটি পছন্দক্রম দিতে পারবে। এতে করে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়বে, ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমবে, শিক্ষার হার বাড়বে।

পূর্বে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়ায় অনেকটা বৈষম্য হতো। কারণ এতে করে শুধু ভালো মেধাবী শিক্ষার্থীরাই সেরা সেরা বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেত। কিন্ত এবার লটারির ভর্তি পরীক্ষায় মেধাবী ও কম মেধাবী সব শিক্ষার্থীরাই যে কোন বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে। এক্ষেত্রে শিক্ষায় সব ধরনের বৈষম্য দূর হবে। এতে করে শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

করোনার ঝুঁকি থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে এ লটারি পদ্ধতি বেছে নেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টি জোর দিয়েই সরকার এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। যা সত্যিই প্রশংসনীয়। লটারির মাধ্যমে ভর্তির কারণে শিক্ষার্থী ভর্তিতে এবার সাম্য তৈরি হবে। ভর্তিতে এবার বৈষম্য থাকছে না। সন্তানের ভর্তি লটারিতে সব অভিভাবকের উপস্থিত হওয়ার সুযোগ না থাকলেও তাদের ভেতরের পাঁচ থেকে সাতজনকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে। তাদের ভর্তিচ্ছু সব অভিভাবকের প্রতিনিধি হিসেবে ভর্তি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। যার দরুন লটারিতে ভর্তির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যাবে।

ভালো মানের স্কুল কম থাকায় রাজধানী ঢাকায় হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি স্কুলে খালি আসনের চেয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির আকাক্সক্ষায় প্রচন্ড চাপ থাকে। সেজন্য প্রতিযোগীও বেশি হয়। তাই ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে রাজধানীর নামকরা মাত্র কয়েকটি স্কুলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে তাদের উপস্থিতিতে লটারি কার্যক্রম পরিচালনা করা উচিত। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় উক্ত সিদ্ধান্তটি বেশ কার্যকরী ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। এটি সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ সরকারের ওপর আস্থা রাখবে। বর্তমানে স্থবির হয়ে থাকা শিক্ষা কার্যক্রমকে গতিশীল করতে লটারির ভর্তি একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ

back to top