মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় গত এক সপ্তাহে পাঁচটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। নোয়াগাঁও ও ইছবপুর গ্রাম ও হাইল হাওরের এলাকা থেকে এসব অজগর উদ্ধার করা হয়। গতকাল শুক্রবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের সময় শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাইল হাওরের ভূবন বেরী এলাকায় মাছ ধরার জাল তুলতে গিয়ে জালের ভেতর একটি সাপ আটকে রয়েছে দেখতে পেয়ে জেলেরা তৎক্ষণাৎ বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষকে ফোনে অবগত করলে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন কুমার দেব সজলসহ অন্যান্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাছ ধরার জাল থেকে অজগর সাপটিকে উদ্ধার করে অক্ষত অবস্থায় বস্থায় বের করে নিয়ে আসেন।
একই দিন সকাল ৮টার দিকে উপজেলা শহর থেকে প্রায় দুই কিমি দূরে অবস্থিত নোয়াগাঁও গ্রামের ফকিরবাড়ি সংলগ্ন ধানক্ষেতে কৃষকরা ধান কাটার সময় হঠাৎ একটি অজগর দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে ফাউন্ডেশনকে খবর দেন। পরে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন কুমার দেব সজল, পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ও রিদন গৌড় ঘটনাস্থলে গিয়ে অজগরটি উদ্ধার করেন।
এর ছয় দিন আগে, ২৩ নভেম্বর একই গ্রাম থেকে আরেকটি অজগর উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী ইছবপুর গ্রামে ২৪ ও ২৭ নভেম্বর দুই দিনে আরও দুটি বিশাল আকৃতির অজগর উদ্ধার করেছে ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে ২৪ নভেম্বর উদ্ধার হওয়া সাপটির দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১২ ফুট এবং ওজন প্রায় ২০ কেজি। উদ্ধারকৃত পাঁচটি অজগর সাপকে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগ কর্তৃপক্ষে কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্থানীয় পরিবেশবিদদের মতে, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন চা-বাগানের ঝোপঝাড় ও জঙ্গল ও বনাঞ্চল নির্বিচারে উজাড় হওয়ায় বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক আবাস সংকুচিত হচ্ছে।
একশ্রেণীর সঙ্ঘবদ্ধ প্রভাবশালী গোষ্ঠী বনাঞ্চলের বিস্তীর্ণভূমি দখল করে বসতি, বাগান ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের কারণে বন্য পশুপাখি খাদ্য সংকটে পড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। ফলে প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় অজগরসহ নানা ধরনের সাপ, বণ্যপ্রাণী ও দুর্লভ পাখি মানুষের হাতের নাগালে ধরা পড়ছে। এতে বন্যপ্রাণীর জীবন যেমন হুমকির মুখে পড়ছে, তেমনি মানুষও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় গত এক সপ্তাহে পাঁচটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। নোয়াগাঁও ও ইছবপুর গ্রাম ও হাইল হাওরের এলাকা থেকে এসব অজগর উদ্ধার করা হয়। গতকাল শুক্রবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের সময় শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাইল হাওরের ভূবন বেরী এলাকায় মাছ ধরার জাল তুলতে গিয়ে জালের ভেতর একটি সাপ আটকে রয়েছে দেখতে পেয়ে জেলেরা তৎক্ষণাৎ বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষকে ফোনে অবগত করলে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন কুমার দেব সজলসহ অন্যান্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাছ ধরার জাল থেকে অজগর সাপটিকে উদ্ধার করে অক্ষত অবস্থায় বস্থায় বের করে নিয়ে আসেন।
একই দিন সকাল ৮টার দিকে উপজেলা শহর থেকে প্রায় দুই কিমি দূরে অবস্থিত নোয়াগাঁও গ্রামের ফকিরবাড়ি সংলগ্ন ধানক্ষেতে কৃষকরা ধান কাটার সময় হঠাৎ একটি অজগর দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে ফাউন্ডেশনকে খবর দেন। পরে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন কুমার দেব সজল, পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ও রিদন গৌড় ঘটনাস্থলে গিয়ে অজগরটি উদ্ধার করেন।
এর ছয় দিন আগে, ২৩ নভেম্বর একই গ্রাম থেকে আরেকটি অজগর উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী ইছবপুর গ্রামে ২৪ ও ২৭ নভেম্বর দুই দিনে আরও দুটি বিশাল আকৃতির অজগর উদ্ধার করেছে ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে ২৪ নভেম্বর উদ্ধার হওয়া সাপটির দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১২ ফুট এবং ওজন প্রায় ২০ কেজি। উদ্ধারকৃত পাঁচটি অজগর সাপকে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগ কর্তৃপক্ষে কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্থানীয় পরিবেশবিদদের মতে, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন চা-বাগানের ঝোপঝাড় ও জঙ্গল ও বনাঞ্চল নির্বিচারে উজাড় হওয়ায় বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক আবাস সংকুচিত হচ্ছে।
একশ্রেণীর সঙ্ঘবদ্ধ প্রভাবশালী গোষ্ঠী বনাঞ্চলের বিস্তীর্ণভূমি দখল করে বসতি, বাগান ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের কারণে বন্য পশুপাখি খাদ্য সংকটে পড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। ফলে প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় অজগরসহ নানা ধরনের সাপ, বণ্যপ্রাণী ও দুর্লভ পাখি মানুষের হাতের নাগালে ধরা পড়ছে। এতে বন্যপ্রাণীর জীবন যেমন হুমকির মুখে পড়ছে, তেমনি মানুষও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।