ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের উত্তর গাড়াদিয়া পূর্ব পাড়ায় ১৫ বছরের এক বাক প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পরে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে অভিযুক্ত নায়েছ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত নায়েছ আলী (৩৬) একই ইউনিয়নের উত্তর শিবপুর গ্রামের নবু মিয়ার ছেলে।
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) জে.ও.এম তৌফিক আজম। তিনি বলেন, ভিকটিমকে ২২ ধারায় জবানবন্দীর জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে ভিকটিমের বাবা নায়েছ আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের আগেই থানা পুলিশ বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকে অবগত হলে রাতেই নায়েছ আলীকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে ।
মামলার এজাহার সূত্রে প্রকাশ, ভিকটিমের বসতবাড়ির পাশে অভিযুক্ত নায়েছ আলী আখ ক্ষেত ক্রয় করে। সেই সুবাদে যাতায়াত ছিল তার। গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীকে ফুসলিয়ে আখ দেয়ার কথা বলে ক্ষেতের পাশে বাঁশ ঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য নায়েছ আলী ভিকটিমকে ভয়-ভীতি দেখায়।
এদিকে, ওই তরুণীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে প্রেগনেন্সি কিট দিয়ে টেস্ট করে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। অভিযুক্ত নায়েছ আলী গত ২১ নভেম্বর দুপুরের দিকে ভিকটিমের বাড়িতে টিউবওলের পানি খেতে গেলে ভুক্তভোগী তরুণী ইশারা ইঙ্গিতে ঘটনার জন্য তাকে শনাক্ত করে। পরে অভিযুক্ত নায়েছ আলী স্থানীয় দু’ব্যক্তির উপস্থিতিতে ১০ হাজার টাকার প্রস্তাব দিয়ে গর্ভের সন্তান নষ্ট করে চুপ থাকার পরামর্শ দিয়ে চলে যায় বলে মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের উত্তর গাড়াদিয়া পূর্ব পাড়ায় ১৫ বছরের এক বাক প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পরে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে অভিযুক্ত নায়েছ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত নায়েছ আলী (৩৬) একই ইউনিয়নের উত্তর শিবপুর গ্রামের নবু মিয়ার ছেলে।
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) জে.ও.এম তৌফিক আজম। তিনি বলেন, ভিকটিমকে ২২ ধারায় জবানবন্দীর জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে ভিকটিমের বাবা নায়েছ আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের আগেই থানা পুলিশ বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকে অবগত হলে রাতেই নায়েছ আলীকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে ।
মামলার এজাহার সূত্রে প্রকাশ, ভিকটিমের বসতবাড়ির পাশে অভিযুক্ত নায়েছ আলী আখ ক্ষেত ক্রয় করে। সেই সুবাদে যাতায়াত ছিল তার। গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীকে ফুসলিয়ে আখ দেয়ার কথা বলে ক্ষেতের পাশে বাঁশ ঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য নায়েছ আলী ভিকটিমকে ভয়-ভীতি দেখায়।
এদিকে, ওই তরুণীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে প্রেগনেন্সি কিট দিয়ে টেস্ট করে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। অভিযুক্ত নায়েছ আলী গত ২১ নভেম্বর দুপুরের দিকে ভিকটিমের বাড়িতে টিউবওলের পানি খেতে গেলে ভুক্তভোগী তরুণী ইশারা ইঙ্গিতে ঘটনার জন্য তাকে শনাক্ত করে। পরে অভিযুক্ত নায়েছ আলী স্থানীয় দু’ব্যক্তির উপস্থিতিতে ১০ হাজার টাকার প্রস্তাব দিয়ে গর্ভের সন্তান নষ্ট করে চুপ থাকার পরামর্শ দিয়ে চলে যায় বলে মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন।