ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
ঝিনাইদহের মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও সম্ভাব্য পুশ-ইন পরিস্থিতি মোকাবেলায় গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বেনীপুর বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নর্বদূর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রফিকুল আলম, পিএসসি। এ সময় ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার ও সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান, বেনীপুর কোম্পানি কমান্ডার, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ১৮০-২০০ জন স্থানীয় জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। সভায় অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম জানান, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে চলমান এসআইআর (ঝওজ) কার্যক্রমের কারণে বিএসএফের মাধ্যমে সীমান্তে পুশ ইনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় স্থানীয় আনসার-ভিডিপি, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক, স্বর্ণ, গরু ও মানবপাচার রোধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, শূন্য লাইনে সন্ধ্যার পর না যাওয়া এবং সীমান্ত দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার অনুরোধ করেন।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
ঝিনাইদহের মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার ও সম্ভাব্য পুশ-ইন পরিস্থিতি মোকাবেলায় গতকাল শুক্রবার বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বেনীপুর বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নর্বদূর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. রফিকুল আলম, পিএসসি। এ সময় ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার ও সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান, বেনীপুর কোম্পানি কমান্ডার, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ১৮০-২০০ জন স্থানীয় জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। সভায় অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম জানান, পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে চলমান এসআইআর (ঝওজ) কার্যক্রমের কারণে বিএসএফের মাধ্যমে সীমান্তে পুশ ইনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় স্থানীয় আনসার-ভিডিপি, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক, স্বর্ণ, গরু ও মানবপাচার রোধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা, শূন্য লাইনে সন্ধ্যার পর না যাওয়া এবং সীমান্ত দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার অনুরোধ করেন।