image
ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে ভোটের মাঠে সাবেক বিএনপি নেতা

জেলা বার্তা পরিবেশক, গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের প্রচার শুরু করেছেন এক স্বতন্ত্র প্রার্থী; যিনি দলীয় নির্দেশ অমান্য করায় এরই মধ্যে বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন।

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব গতকাল দুপুরে শেখ মুজিবুর রহমানের মূল সমাধিসৌধে প্রবেশ করার জন্য প্রশাসনের অনুমতি পাননি।

পরে তিনি তিন নম্বর ফটকে দাঁড়িয়েই কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে কবর জিয়ারত করেন। এর আগে তিনি গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবরও জিয়ারত করেন।

হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, এর মধ্য দিয়ে তিনি তার ফুটবল প্রতীকের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেছেন। পরে তিনি টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ এবং পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে গণসংযোগ করেন এবং ভোট ও সমর্থন চান। এ সময় হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই সংসদীয় আসন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এই আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছি। আর প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধের ভিতরে গিয়ে তার কবর জিয়ারত করতে পারিনি। তাই গেইটের বাইরে দাঁড়িয়েই বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেছি।’

নিজের রাজনৈতিক অতীত প্রসঙ্গে হাবিব বলেন, ‘এক সময় আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি, জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলাম। তবে আমি অনেক আগেই বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। সুতরাং আমাকে এখন বহিষ্কার করার বিষয়টি হাস্যকর, কারণ আমি দলে নেই।’

ফুটবল প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ মামলা ও গ্রেপ্তারের আতঙ্কে রয়েছে। হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যারা রাজনীতি করেন, তাদের অনেকেই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না। কেবল নিজের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নেন।

তিনি বলেন, ‘আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই, তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই। সব অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতির লক্ষ্য।’

‘সারাদেশ’ : আরও খবর

সম্প্রতি