পবিত্র মাহে রমজানের শুরুতে রায়পুরে হঠাৎ করেই বাড়তে শুরু করেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম। লেবু, বেগুন, টমেটো, চিনি, ছোলা, খেজুরসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ।
বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহ আগেও বড় লেবুর হালি ছিল ৪০-৫০ টাকার মধ্যে, আর মাঝারি লেবুর দাম ছিল ৩০-৪০ টাকা। বর্তমানে মাঝারি লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ডাল, ছোলা, চিনি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি বিক্রি হচ্ছে। খেজুরের দামও প্রকারভেদে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০ থেকে ১,২০০ টাকা কেজি পর্যন্ত। এদিকে শীতের শেষ মৌসুমে অধিকাংশ সবজির দাম বেড়েছে। পেঁপে আগে ২৫ টাকা থাকলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। করলা ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে। ঢেঁড়স ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। গোল বেগুন ৮০ টাকা এবং শসা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানে জনপ্রিয় ইফতারি ‘বেগুনি’ তৈরিতে ব্যবহৃত লম্বা বেগুনের দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে এখন ৭০ টাকা, যা আগে ছিল ৫০ টাকা। রমজানের শুরুতে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। এতে সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত দামে পণ্য কিনতে বাধ্য হতে হচ্ছে। এসব বিষয় বাজার মনিটরিং জোরদার না করলে আরও দাম বাড়ার সম্ভব রয়েছে।
কয়েকজন ক্রেতারা জানান, রমজান এলেই সব জিনিসের দাম বাড়ে। হঠাৎ করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণেই খুচরা বাজারে প্রভাব পড়ছে। বেশি দামে কিনছি, তাই বাধ্য হয়েই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
রায়পুর বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন বলেন, রমজানকে সামনে রেখে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করা হবে। দব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য কিছু সিন্ডিকেট রয়েছে সেগুলো আমরা অচিরেই প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ভেঙে দেয়া হবে ও অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে
খেলা: যেভাবে ফাইনালে ভারত