alt

অর্থ-বাণিজ্য

১০ শতাংশ ধনীর হাতে বিশ্বের সম্পদের ৭৬%

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১

আয়, সম্পদ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা—সব খাতেই অসমতা বিশ্বে দৃশ্যমান। সম্প্রতি প্রকাশিত বৈশ্বিক অসমতা প্রতিবেদন তথ্যানুসারে, ২০২১ সালে বিশ্বের মোট আয়ের ৫২ শতাংশই কুক্ষিগত হয়েছে পৃথিবীর শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনী মানুষের হাতে। আর মধ্যম আয়ের বৈশ্বিক ৪০ শতাংশ মানুষের হাতে গেছে ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশ আয়। এ ছাড়া নিম্ন আয়ের ৫০ শতাংশ মানুষের হাতে গেছে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বৈশ্বিক আয়।

বৈশ্বিক সম্পদের ক্ষেত্রে এ বৈষম্য আরও বেশি। বিশ্বের ৭৬ শতাংশ সম্পদ কুক্ষিগত রয়েছে শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনী মানুষের হাতে। মধ্যম আয়ের ৪০ শতাংশ মানুষের হাতে আছে মোট বৈশ্বিক সম্পদের ২২ শতাংশ আর নিম্ন আয়ের ৫০ শতাংশ মানুষের হাতে আছে মাত্র ২ শতাংশ সম্পদ। বৈশ্বিক পুঁজির ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। বিশ্বের শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনীর হাতেই সিংহভাগ পুঁজি পুঞ্জীভূত হয়ে আছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই সারা পৃথিবীর নিয়ন্ত্রণ এই ধনীদের হাতেই।

প্যারিস স্কুল অব ইকোনমিকসের তৈরি ওয়ার্ল্ড ইনইকুয়ালিটি রিপোর্ট বা বৈশ্বিক অসমতা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য আলাদাভাবে অসমতার তথ্য দেওয়া হলেও বাংলাদেশের এ–সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রতিবেদনে নেই।

সম্পদ ও আয় অসমতার পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতেও অসমতার মারাত্মক চিত্র ধরা পড়েছে এই প্রতিবেদনে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেখানে প্রতি লাখ মানুষের জন্য ৩৩টি আইসিইউ শয্যা আছে, সেখানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে আছে মাত্র ২টি। সাব–সাহারা অঞ্চলে এ চিত্র আরও করুণ। সেখানে প্রতি লাখ মানুষের জন্য আইসিইউ শয্যা আছে শূন্য দশমিক ৬টি। এ ছাড়া বাংলাদেশসহ সাতটি উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ২০২০ সালে করোনার সংক্রমণের শুরুতে এক-তৃতীয়াংশেরও কম হাসপাতাল ও ক্লিনিকে মাস্ক ছিল।

প্রতিবেদনের মুখবন্ধ লিখেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ ব্যানার্জি ও এস্থার দুফলো। মুখবন্ধে তাঁরা জানান, সঠিক নীতি করা হলে অসমতা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আবার ভুল নীতির কারণে অসমতা লাগাম ছাড়া হয়ে যেতে পারে। এ প্রসঙ্গে তাঁরা রোনাল্ড রিগ্যান ও মার্গারেট থ্যাচারের নব্য উদারনীতিবাদী (বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি) নীতির সমালোচনা করেছেন। এ ধারার কারণে ভারত ও চীনে প্রবৃদ্ধির হার বাড়লেও ভারত এখনো বিশ্বের সবচেয়ে অসম দেশের একটি বলে মন্তব্য করেন এ দুই অর্থনীতিবিদ।

এদিকে চলতি বছর বৈশ্বিক বিলিয়নিয়ার তথা অতিধনীদের পারিবারিক সম্পদের সম্মিলিত পরিমাণ বেড়ে বৈশ্বিক সম্পদের ৩ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা ২০২০ সালের প্রথম দিকে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আগে ছিল ২ শতাংশের সামান্য বেশি।

কঠোর আইনের মাধ্যমে অর্থপাচার রোধ করেছে দ.কোরিয়া, বাংলাদেশেও দরকার

কিউকমে আটকে থাকা টাকা ফেরত পেতে শুরু করেছে গ্রাহকরা

ছবি

ব্যাংকারদের বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চায় মালিকপক্ষ

এটিএম বুথ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নগদ টাকা বাড়ানোর নির্দেশ

বাস্তবায়ন হচ্ছে না বেসরকারি ব্যাংকের নতুন বেতন

পেপারবিহীন যুগে ডিএসই

পাঁচ ব্যাংকের সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

ডিএসইতে সূচক বাড়লেও সিএসইতে পতন

ছবি

এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ

আদালত মনোনীত ফার্ম দিয়ে ইভ্যালির অডিট করানো যাবে

অদক্ষতার অজুহাতে পদত্যাগে বাধ্য করা যাবে না, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ

ফ্রিজ, এসি আমদানিতে স্ট্যান্ডার্ড এনার্জি রেটিং আরোপের দাবি

ইউনিয়ন ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন শুরু

বাণিজ্য মেলা বন্ধের সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি

ছবি

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংককর্মীকে পদত্যাগে বাধ্য করা যাবে না

ছবি

করোনা মোকাবিলায় সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

মূল্য সংশোধন শেষে ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার

কিউকম গ্রাহকদের আটকে থাকা অর্থ ফেরত দেয়া শুরু

অর্ধেক জনবল নিয়ে চলবে ব্যাংক

ইউনূসের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ১৬ জেলায় ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার’

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি চালু

ছবি

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ চায় সব রিক্রুটিং এজেন্সি

ছবি

কিউকমের ২০ গ্রাহক ফেরত পেলেন ৪০ লাখ টাকা

ছবি

অর্ধেক জনবল দিয়ে চলবে ব্যাংক

ছবি

ড. ইউনূসের ব্যাংক হিসাব তলব

ছবি

আজ থেকে বিডি থাই ফুডের লেনদেন শুরু

ছবি

পুঁজিবাজারে নতুন দুই কোম্পানির দাপট

মিশ্র প্রবণতায় ডিএসইতে সূচক বাড়লেও সিএসইতে কমেছে

ছবি

শর্ত পূরণ করতে পারলে সব ব্যবসায়ীই প্রণোদনা পাবেন : অর্থমন্ত্রী

ডেল্টা লাইফে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকতে পারবে প্রশাসক

ছয় কার্যদিবস পর শেয়ারবাজারে পতন, কমেছে সূচক, লেনদেন ও শেয়ারদর

এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের পাশে থাকবে কমনওয়েলথ : সিডব্লিউইআইসি

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পরামর্শ বিডব্লিউএবি’র

তরুণদের জন্য ই-কমার্স এবং এর পলিসি সহজীকরণের আহ্বান

ছবি

পাঁচ বছরে ৫০টি দেশে বাংলাদেশের ডিজিটাল যন্ত্র রপ্তানি হবে: মোস্তাফা জব্বার

tab

অর্থ-বাণিজ্য

১০ শতাংশ ধনীর হাতে বিশ্বের সম্পদের ৭৬%

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১

আয়, সম্পদ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা—সব খাতেই অসমতা বিশ্বে দৃশ্যমান। সম্প্রতি প্রকাশিত বৈশ্বিক অসমতা প্রতিবেদন তথ্যানুসারে, ২০২১ সালে বিশ্বের মোট আয়ের ৫২ শতাংশই কুক্ষিগত হয়েছে পৃথিবীর শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনী মানুষের হাতে। আর মধ্যম আয়ের বৈশ্বিক ৪০ শতাংশ মানুষের হাতে গেছে ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশ আয়। এ ছাড়া নিম্ন আয়ের ৫০ শতাংশ মানুষের হাতে গেছে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বৈশ্বিক আয়।

বৈশ্বিক সম্পদের ক্ষেত্রে এ বৈষম্য আরও বেশি। বিশ্বের ৭৬ শতাংশ সম্পদ কুক্ষিগত রয়েছে শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনী মানুষের হাতে। মধ্যম আয়ের ৪০ শতাংশ মানুষের হাতে আছে মোট বৈশ্বিক সম্পদের ২২ শতাংশ আর নিম্ন আয়ের ৫০ শতাংশ মানুষের হাতে আছে মাত্র ২ শতাংশ সম্পদ। বৈশ্বিক পুঁজির ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। বিশ্বের শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনীর হাতেই সিংহভাগ পুঁজি পুঞ্জীভূত হয়ে আছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই সারা পৃথিবীর নিয়ন্ত্রণ এই ধনীদের হাতেই।

প্যারিস স্কুল অব ইকোনমিকসের তৈরি ওয়ার্ল্ড ইনইকুয়ালিটি রিপোর্ট বা বৈশ্বিক অসমতা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য আলাদাভাবে অসমতার তথ্য দেওয়া হলেও বাংলাদেশের এ–সংক্রান্ত কোনো তথ্য প্রতিবেদনে নেই।

সম্পদ ও আয় অসমতার পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতেও অসমতার মারাত্মক চিত্র ধরা পড়েছে এই প্রতিবেদনে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেখানে প্রতি লাখ মানুষের জন্য ৩৩টি আইসিইউ শয্যা আছে, সেখানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে আছে মাত্র ২টি। সাব–সাহারা অঞ্চলে এ চিত্র আরও করুণ। সেখানে প্রতি লাখ মানুষের জন্য আইসিইউ শয্যা আছে শূন্য দশমিক ৬টি। এ ছাড়া বাংলাদেশসহ সাতটি উন্নয়নশীল দেশের ক্ষেত্রে দেখা যায়, ২০২০ সালে করোনার সংক্রমণের শুরুতে এক-তৃতীয়াংশেরও কম হাসপাতাল ও ক্লিনিকে মাস্ক ছিল।

প্রতিবেদনের মুখবন্ধ লিখেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ ব্যানার্জি ও এস্থার দুফলো। মুখবন্ধে তাঁরা জানান, সঠিক নীতি করা হলে অসমতা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আবার ভুল নীতির কারণে অসমতা লাগাম ছাড়া হয়ে যেতে পারে। এ প্রসঙ্গে তাঁরা রোনাল্ড রিগ্যান ও মার্গারেট থ্যাচারের নব্য উদারনীতিবাদী (বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি) নীতির সমালোচনা করেছেন। এ ধারার কারণে ভারত ও চীনে প্রবৃদ্ধির হার বাড়লেও ভারত এখনো বিশ্বের সবচেয়ে অসম দেশের একটি বলে মন্তব্য করেন এ দুই অর্থনীতিবিদ।

এদিকে চলতি বছর বৈশ্বিক বিলিয়নিয়ার তথা অতিধনীদের পারিবারিক সম্পদের সম্মিলিত পরিমাণ বেড়ে বৈশ্বিক সম্পদের ৩ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা ২০২০ সালের প্রথম দিকে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আগে ছিল ২ শতাংশের সামান্য বেশি।

back to top