alt

ক্যাম্পাস

ছাত্রী হেনস্তা : চবি ছাত্রলীগের দুই কর্মী বহিষ্কার হয়েও দিচ্ছেন পরীক্ষা

প্রতিনিধি, চবি : বুধবার, ০৩ আগস্ট ২০২২

গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের চার কর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার ১০ মাস পর গত ২৫ জুলাই ওই চার কর্মীকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বহিষ্কার শুধু নামেই। কারণ, আজ ( ৩ আগস্ট) বহিষ্কৃত দুজন চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসেছেন।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে হেনস্তার দায়ে বহিষ্কার হওয়া কর্মীরা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হকের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। তাঁরা হলেন আরবি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. জুনায়েদ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রুবেল হাসান, দর্শন বিভাগের একই বর্ষের ইমন আহাম্মেদ এবং রাকিব হাসান (আর এইচ রাজু)।

আজ থেকে দর্শন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সরেজমিন দেখা যায়, রাকিব হাসান ও ইমন আহমেদ, দুজনেই পরীক্ষা দিচ্ছেন।

বহিষ্কার হয়েও কীভাবে পরীক্ষা দিচ্ছেন, জানতে চাইলে দর্শন বিভাগের সভাপতি মো. আবদুল মান্নান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে বহিষ্কারের কোনো চিঠি পাননি। এমনকি এ দুই ছাত্রকে যে বহিষ্কার করা হয়েছে ,তা–ও বিভাগকে জানানো হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত বহিষ্কার আদেশ তাঁরা না পাবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত দুই ছাত্রের পরীক্ষা দেওয়া বৈধ। তাই তাঁরা পরীক্ষায় বসার অনুমতি দিয়েছেন।

জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান বলেন, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত সভা করে নেওয়া হয়েছিল। এ সভার লিখিত কোনো আদেশ এখনো তৈরি হয়নি। তাই তিনি বিভাগে পাঠাননি। শিগগিরই পাঠানো হবে।

তবে যাঁরা পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাঁদের পরীক্ষা আপনা-আপনি বাতিল হবে বলে জানিয়েছেন মনিরুল হাসান। তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরদিন থেকেই তাঁদের বহিষ্কার আদেশ কার্যকর হবে। তাই এর মধ্যে যদি কেউ পরীক্ষা দিয়েও থাকেন, তাঁদের পরীক্ষা বাতিল হবে।

কর্তৃপক্ষের এমন গাফিলতির কারণেই ক্যাম্পাসেই বারবার ছাত্রী হেনস্তা ও যৌন নিপীড়নের মতো ঘটনা ঘটছে বলে মনে করেন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া অন্যতম শিক্ষার্থী আশরাফী নিতু। তিনি বলেন, দাবি মেনে নেওয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের শান্ত করা হয়েছে। কিন্তু সেগুলো আদতে বাস্তবায়ন করা হয়নি। বহিষ্কৃতরা কীভাবে পরীক্ষা দিচ্ছেন? বিভাগে এখনো কেন চিঠি পৌঁছায়নি?— প্রশ্নগুলো কর্তৃপক্ষের দায়সারা ভাবের প্রমাণ করে।

গত ১৭ জুলাই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনার পর ক্যাম্পাসে যে পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা ঠান্ডা করতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাবেক আইন অনুষদের সম্পাদক জাকির হোসেন। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ যে তাঁদের বহিষ্কার করেছেন, তা যথাযথ আইন মেনে করেননি। কাউকে বহিষ্কার করলে তাঁকে আগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হয়। কর্তৃপক্ষ এমনটা করেননি।

১৭ জুলাই রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পাঁচ তরুণের হাতে এক ছাত্রী যৌন নিপীড়ন ও মারধরের শিকার হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায় পাঁচ তরুণ ওই ছাত্রীকে বেঁধে হেনস্তা করে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা এক বন্ধু প্রতিবাদ করলে তাঁকেও মারধর করা হয়। এ ঘটনায় ১৯ জুলাই প্রক্টরের কাছে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী। এর এক দিন পর, ২০ জুলাই মামলা করেন হাটহাজারী থানায়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ২০ জুলাই থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। রাতেই ছাত্রীরা হল থেকে বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন। গত বছর ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে দুই ছাত্রী হেনস্তার হওয়ার ঘটনার বিচার চান। ওই দিন দিবাগত রাত একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে চার কার্যদিবসের মধ্যে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার ঘোষণা দেন।

কাল জাবি উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন: লড়বেন আ.লীগপন্থী শিক্ষকদের তিন গ্রুপের প্রার্থীরা

বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রথম মনোহরদীর মেয়ে সুমাইয়া

ছবি

সামিয়া রহমানের কাছে ১১ লাখ ৪১ হাজার টাকা দাবি ঢাবির

ছবি

বঙ্গমাতা মেমোরিয়াল স্বর্ণপদক ও বৃত্তি পেলেন ঢাবির ১২ শিক্ষার্থী

ছবি

সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে বামজোটের বিক্ষোভ

ছবি

সিটি ইউনিভার্সিটিতে রবি বিডি অ্যাপস ন্যাশনাল হ্যাকাথন রোডশো অনুষ্ঠিত

ছবি

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জাহাঙ্গীরনগরে বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ

ছবি

সিলেটে বন্যার্ত শিক্ষার্থীদের পাশে মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন

তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাবিতে মশাল মিছিল, বাধা দেওয়ার অভিযোগ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে

রাবি ছাত্রী হত্যা মামলায় স্বামী ৩ দিনের রিমান্ডে

যৌন নির্যাতনের অভিযোগে ঢাবি ছাত্র বহিষ্কার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস

চবিতে ছাত্রী নিপীড়নের দায়ে বহিষ্কৃত দুই ছাত্রলীগ কর্মী পরীক্ষায় বসেছেন

ছবি

ঢাবিতে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বহিরাগতের মোটরসাইকেল, মোবাইল ও অর্থ ছিনতাইয়ের অভিযোগ

ছবি

প্রক্সিতে ধরা পড়েও রাবির ‘এ’ ইউনিটে প্রথম, অবশেষে ফল বাতিল

ছবি

ছাত্রলীগ : চিঠির ফাঁকা স্থানে নাম বসিয়ে দিলেই কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা!

ছবি

রাবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে ‘এ’ ইউনিটে প্রথম

ছবি

৪৬ দিন পর কলেজে ফিরছেন লাঞ্ছিত অধ্যক্ষ

ছবি

চবিতে ছাত্রলীগের অবরোধ স্থগিত

ছবি

লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে ঢাবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

ঢাবি সুফিয়া কামাল হল ডিবেটিং ক্লাবের নেতৃত্বে মাহফুজা-তিথি

ছবি

ঢাবি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সাত কলেজের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে অনিয়মের অভিযোগ

ছবি

কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নম্বর জালিয়াতির বিষয়ে হাইকোর্টের রুল

ছবি

বেরোবির বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের নতুন ডীন ড. মতিউর রহমান

ছবি

মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিএসএমএমইউ ভিসির সতর্কতা

ছবি

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা: শাবিপ্রবি কেন্দ্রে উপস্থিত ৯৪.৫৪ শতাংশ

ছবি

বুলবুল হত্যাকান্ড: ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার শাবিপ্রবি প্রশাসনের

ছবি

রাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রাবির ‘সি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ ১ আগস্ট

ছবি

আঘাতের ১৫ মিনিটেই মৃত্যু হয়েছে শাবি শিক্ষার্থী বুলবুলের: চিকিৎসক

ছবি

জবিতে বিজ্ঞপ্তি ছাড়া ৬ পদে নিয়োগ, তদন্তে দীর্ঘসূত্রিতা

ছবি

সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে বেরোবির শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন

ছবি

প্রক্সিদাতার মুখে রাবি ছাত্রলীগ নেতার নাম

ছবি

ঢাবিতে পর্দা নামলো দুই দিনব্যাপী জাতীয় কুইজ প্রতিযোগিতার

ইবি ছাত্রলীগের কমিটি কবে হবে : সাধারণ ছাত্রদের প্রশ্ন

ছবি

ছিনতাই করতে গিয়েই খুন হয় শাবি শিক্ষার্থী বুলবুল: পুলিশ

tab

ক্যাম্পাস

ছাত্রী হেনস্তা : চবি ছাত্রলীগের দুই কর্মী বহিষ্কার হয়েও দিচ্ছেন পরীক্ষা

প্রতিনিধি, চবি

বুধবার, ০৩ আগস্ট ২০২২

গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের চার কর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার ১০ মাস পর গত ২৫ জুলাই ওই চার কর্মীকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বহিষ্কার শুধু নামেই। কারণ, আজ ( ৩ আগস্ট) বহিষ্কৃত দুজন চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসেছেন।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে হেনস্তার দায়ে বহিষ্কার হওয়া কর্মীরা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হকের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। তাঁরা হলেন আরবি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. জুনায়েদ, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রুবেল হাসান, দর্শন বিভাগের একই বর্ষের ইমন আহাম্মেদ এবং রাকিব হাসান (আর এইচ রাজু)।

আজ থেকে দর্শন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সরেজমিন দেখা যায়, রাকিব হাসান ও ইমন আহমেদ, দুজনেই পরীক্ষা দিচ্ছেন।

বহিষ্কার হয়েও কীভাবে পরীক্ষা দিচ্ছেন, জানতে চাইলে দর্শন বিভাগের সভাপতি মো. আবদুল মান্নান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে বহিষ্কারের কোনো চিঠি পাননি। এমনকি এ দুই ছাত্রকে যে বহিষ্কার করা হয়েছে ,তা–ও বিভাগকে জানানো হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত বহিষ্কার আদেশ তাঁরা না পাবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত দুই ছাত্রের পরীক্ষা দেওয়া বৈধ। তাই তাঁরা পরীক্ষায় বসার অনুমতি দিয়েছেন।

জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান বলেন, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত সভা করে নেওয়া হয়েছিল। এ সভার লিখিত কোনো আদেশ এখনো তৈরি হয়নি। তাই তিনি বিভাগে পাঠাননি। শিগগিরই পাঠানো হবে।

তবে যাঁরা পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাঁদের পরীক্ষা আপনা-আপনি বাতিল হবে বলে জানিয়েছেন মনিরুল হাসান। তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরদিন থেকেই তাঁদের বহিষ্কার আদেশ কার্যকর হবে। তাই এর মধ্যে যদি কেউ পরীক্ষা দিয়েও থাকেন, তাঁদের পরীক্ষা বাতিল হবে।

কর্তৃপক্ষের এমন গাফিলতির কারণেই ক্যাম্পাসেই বারবার ছাত্রী হেনস্তা ও যৌন নিপীড়নের মতো ঘটনা ঘটছে বলে মনে করেন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া অন্যতম শিক্ষার্থী আশরাফী নিতু। তিনি বলেন, দাবি মেনে নেওয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের শান্ত করা হয়েছে। কিন্তু সেগুলো আদতে বাস্তবায়ন করা হয়নি। বহিষ্কৃতরা কীভাবে পরীক্ষা দিচ্ছেন? বিভাগে এখনো কেন চিঠি পৌঁছায়নি?— প্রশ্নগুলো কর্তৃপক্ষের দায়সারা ভাবের প্রমাণ করে।

গত ১৭ জুলাই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনার পর ক্যাম্পাসে যে পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা ঠান্ডা করতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাবেক আইন অনুষদের সম্পাদক জাকির হোসেন। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ যে তাঁদের বহিষ্কার করেছেন, তা যথাযথ আইন মেনে করেননি। কাউকে বহিষ্কার করলে তাঁকে আগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে হয়। কর্তৃপক্ষ এমনটা করেননি।

১৭ জুলাই রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পাঁচ তরুণের হাতে এক ছাত্রী যৌন নিপীড়ন ও মারধরের শিকার হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন এলাকায় পাঁচ তরুণ ওই ছাত্রীকে বেঁধে হেনস্তা করে মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা এক বন্ধু প্রতিবাদ করলে তাঁকেও মারধর করা হয়। এ ঘটনায় ১৯ জুলাই প্রক্টরের কাছে অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী। এর এক দিন পর, ২০ জুলাই মামলা করেন হাটহাজারী থানায়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ২০ জুলাই থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। রাতেই ছাত্রীরা হল থেকে বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন। গত বছর ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে দুই ছাত্রী হেনস্তার হওয়ার ঘটনার বিচার চান। ওই দিন দিবাগত রাত একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এস এম মনিরুল হাসান ঘটনাস্থলে গিয়ে চার কার্যদিবসের মধ্যে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার ঘোষণা দেন।

back to top