alt

আন্তর্জাতিক

দীর্ঘ নয় বছর ধরে আমি সাক্ষী নিয়ে আসি আর ঘুরে যাই!

লিয়াকত আলী বাদল, রংপুর : শনিবার, ০৩ আগস্ট ২০১৯

রংপুর : সালিশে দুই নারীর ওপর নির্যাতন-ফাইল ছবি

বহুল আলোচিত রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের রাজারামপুর কাশিবাড়ি গ্রামের সেই হ্যাপি বেগম ও শাহিদা বেগমের কাহিনী এখনও শেষ হয়নি। অপবাদ দিয়ে সালিশের নামে হাজার হাজার মানুষের সামনে হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করার সেই নিষ্ঠুর ঘটনার দীর্ঘ নয় বছরেও বিচার হয়নি। নয় বছর ধরে মাসের পর মাস আদালতে আসছে আর ফিরে যাচ্ছে নির্যাতিতা নারী হ্যাপি বেগম। শুধু তাই নয় দীর্ঘ নয় বছর ধরে ঘটনার মূল হোতা ইউপি চেয়ারম্যান আয়নাল ও তার লোকজন এক ঘরে করে রেখেছে হ্যাপি বেগমসহ পুরো পরিবারকে।

জানা গেছে ২০১১ সালের ২৬ জুন তারিখে রংপুরের বদরগজ্ঞ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আয়নাল হক রাজারামপুর গ্রামের দুই নারী হ্যাপি বেগম ও শাহিদা বেগমকে নষ্টা মেয়ে অপবাদ দিয়ে স্থানীয় একটি লিচু বাগানে সালিশ ডাকে। সেখানে মাইকিং করে হাজার হাজার লোক জড়ো করে সালিশের নামে তাদের দোষী সাব্যস্ত করে দুই নারীকে চেয়ারম্যান আয়নাল হকের নির্দেশে হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করে। বিশেষ করে হ্যাপি বেগমকে লাঠি দিয়ে চোরের মতো পায়ের তলায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অকথ্য নির্যাতন করা হয়। হ্যাপি বেগম দুবার জ্ঞান হারিয়ে ফেললে আবার তাদের শরীরে পানি ঢেলে জ্ঞান ফিরিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। তার চুল কেটে দেয়া হয়। এই নির্যাতনের দৃশ্যের ভিডিও চিত্রসহ ছবি দৈনিক সংবাদসহ টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। এ দৃশ্য দেখে দেশে-বিদেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। পরে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বাদী হয়ে বদরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে।

পরে র‌্যাব মামলার প্রধান আসামি ইউপি চেয়ারম্যান আয়নালকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে। মামলার অন্যান্য আসামি কারাগারে আটক থাকার পর সবাই জামিনে বেরিয়ে আসে। চাঞ্চল্যকর এই মামলাটিতে আয়নাল চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে ৫৭ জনের নামে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে। বর্তমানে মামলাটি রংপুর নারী শিশু নির্যাতন দমন আদালত ২ এ বিচারাধীন আছে। দীর্ঘ ৯ বছরেও মামলার বাদী হ্যাপি বেগমের আংশিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা ছাড়া মামলার বিচার হচ্ছে না। বরং প্রধান আসামি আয়নাল দীর্ঘ দিন ধরে আদালতে হাজির হয় না। এদিকে অব্যাহত হুমকির পরেও মামলা তুলে না নেয়ায় দীর্ঘ নয় বছর ধরে এক ঘরে করে রাখা হয়েছে হ্যাপি বেগমের পুরো পরিবারকে। তাদের বাড়িতে আশপাশের কাউকে যেতে দেয়া হয় না, কেউ তাদের কাজে নেয় না-ফলে অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর দিন কাটছে তাদের। হ্যাপি বেগমের আর্তনাদ বিচার পাবার আকুতি করেও বিচার পাচ্ছে না সে।

সর্বশেষ গত ২৫ জুলাই আদালত চত্বরে হ্যাপি বেগম তার বাবা-মাসহ সাক্ষীদের নিয়ে এসেছিল কিন্তু তাদের সাক্ষী হয়নি জানিয়ে এ প্রতিনিধিকে হ্যাপি বেগম জানান দীর্ঘ নয় বছর ধরে আমি সাক্ষী নিয়ে আসি আর ঘুরে যাই। আমার মামলার বিচার হয় না। এদিকে তাকেসহ পুরো পরিবারকে এক ঘরে করে রাখায় তারা অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর দিন কাটছে তাদের।

তিনি জানান, মামলার প্রধান আসামি আয়নাল হক দীর্ঘ দিন ধরে আদালতে হাজির হয় না, তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পরেও বদরগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না। এ ছাড়াও মামলার বেশিরভাগ আসামি তারিখে আদালতে হাজিরার দিন আসে না। আবেদন করে সময়ের। এভাবেই নয় বছর কেটে গেলেও মামলার বিচার শুরই হচ্ছে না বলে অভিযোগ তার।

এ ব্যাপারে সিনিয়র আইনজীবী ও মানবাধিকার সংগঠক এমএ বাশার অ্যাডভোকেট জানান, হ্যাপি বেগমের মামলার বিচারের বাণী যেন নীরবে নিভৃতে কাঁদে-তা না হলে দীর্ঘ নয় বছরেও বহুল আলোচিত এই মামলার বিচার শুরু হলো না। নয় মাস নয়, কেন নয় বছর তাহলে হ্যাপি বেগমের মতো অসহায় নির্যাতিত নারীরা ন্যায় বিচার থেকে এভাবে বঞ্চিত হবে? তিনি দ্রুত মামলার বিচার শেষ করার দাবি জানান।

এদিকে সরকার পক্ষের আইনজীবী রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত ২-এর বিশেষ পিপি জাহাঙ্গীর হোসেন তুহিন অ্যাডভোকেটের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেও স্বীকার করলেন হ্যাপি বেগম দিনের পর দিন সাক্ষী নিয়ে আসছেন আর ফিরে যাচ্ছেন। তিনি বললেন, অন্যান্য সাক্ষীদের হুমকি দেয়ায় তারা আসতে পারছেন না। তিনি নিজেই সাক্ষীদের নিরাপত্তা দাবি করেন।

আইনজীবীসহ মানবাধিকার কর্মীদের দাবি সালিশের নামে অকথ্য নির্যাতন এরপর দীর্ঘ নয় বছরেও বিচার না পাওয়া কি বার্তা দেবে বিচারপ্রার্থীদের। তার ওপর নয় বছর ধরে এক ঘরে রুদ্ধশ্বাস দিনযাপনকারী হ্যাপি বেগমের মামলা দ্রুত বিচার শেষ করার দাবি তাদের।

ছবি

বিশ্বজুড়ে করোনায় শনাক্ত ছাড়াল ৫৫ কোটি

যুক্তরাষ্ট্রে লরীতে মৃত্যু বেড়ে ৫০

ছবি

মুম্বাইয়ে ভবন ধস, নিহত ১৯

ছবি

প্রায় এক যুগে সিরিয়ায় নিহত ৩ লাখের বেশি মানুষ

দুই সপ্তাহের জন্য জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ করল শ্রীলঙ্কা

মোদির সমালোচনা করে আটক হলেন সাংবাদিক

ছবি

মাইকোলাইভে রুশ হামলা, ৪০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত

ছবি

‘বন্যায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ’

যোগ্য পাত্র চাই তবে স্কুলশিক্ষক নয়, ভাইরাল বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরিতে ট্রাক-ট্রেনের সংঘর্ষ

মুম্বাইয়ে ধসে পড়ল চার তলা ভবন, একজনের মৃত্যু

রাশিয়া সন্ত্রাসী সংগঠন : জেলেনস্কি

জর্ডানের বন্দরে বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাসে নিহত ১৩

নেপালে নিষিদ্ধ হলো ফুচকা বিক্রি

ছবি

বিশ্বজুড়ে বেড়েছে মৃত্যু, সংক্রমণ আড়াই লাখ

ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে লরি থেকে ৪৬ ‘অভিবাসীর’ মরদেহ উদ্ধার

ছবি

মায়ানমারে আগুনে পুড়লো ৬৪ কোটি ডলারের মাদক

ছবি

ফিলিপাইন উপকূলে নৌযানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ছবি

সেফ ড্রাইভ বার্তা নিয়ে সাইকেলে চেপে ভারতীয় যুবক বাংলাদেশে

বাজেপি ৩, কংগ্রেস ১ আসন জয়

ছবি

সৌদি আরবে হজে গিয়ে ভিক্ষা, গ্রেপ্তার বাংলাদেশি

ছবি

সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এরদোয়ান

ছবি

এশিয়ার দুই দেশে সফরে আসছেন পুতিন

ছবি

সুদানের ৭ সেনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইথিওপিয়া, বদলার হুমকি

ছবি

রুবলের মান বৃদ্ধি : কতটা লাভ হচ্ছে রাশিয়ার?

ছবি

কলম্বিয়ায় ষাঁড়ের লড়াই চলাকালে স্টেডিয়ামের স্ট্যান্ড ধসে নিহত ৬

ছবি

চীনকে টেক্কা দিতে ৬০ হাজার কোটি ডলার জোগাড় করছে জি-৭

ছবি

২৪ ঘণ্টায় কমেছে সংক্রমণ, মৃত্যু পাঁচশোর নিচে

ছবি

১০০ বছরের মধ্যে প্রথম ঋণখেলাপি রাশিয়া

ছবি

বিশ্বে করোনায় মৃত্যুর সাথে কমেছে সংক্রমণও

ছবি

দক্ষিণ আফ্রিকার নাইটক্লাবে মিললো ১৭ তরুণের মরদেহ

ছবি

কঙ্গোতে সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ : ৮০০ শিশু পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন

ছবি

শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি : এক লিটার ডিজেল ৪৬০, পেট্রোল ৫৫০ রুপি

ছবি

গর্ভপাত: যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের আদেশে বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ, উদ্বেগ

ছবি

স্পেনের মেলিলা ছিটমহলে অনুপ্রবেশকালে ২৩ জন অভিবাসীর মৃত্যু

ছবি

বেলারুশকে ‘ইস্কান্দার-এম’ পারমাণবিক সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র দেবে রাশিয়া

tab

আন্তর্জাতিক

দীর্ঘ নয় বছর ধরে আমি সাক্ষী নিয়ে আসি আর ঘুরে যাই!

লিয়াকত আলী বাদল, রংপুর

রংপুর : সালিশে দুই নারীর ওপর নির্যাতন-ফাইল ছবি

শনিবার, ০৩ আগস্ট ২০১৯

বহুল আলোচিত রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের রাজারামপুর কাশিবাড়ি গ্রামের সেই হ্যাপি বেগম ও শাহিদা বেগমের কাহিনী এখনও শেষ হয়নি। অপবাদ দিয়ে সালিশের নামে হাজার হাজার মানুষের সামনে হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করার সেই নিষ্ঠুর ঘটনার দীর্ঘ নয় বছরেও বিচার হয়নি। নয় বছর ধরে মাসের পর মাস আদালতে আসছে আর ফিরে যাচ্ছে নির্যাতিতা নারী হ্যাপি বেগম। শুধু তাই নয় দীর্ঘ নয় বছর ধরে ঘটনার মূল হোতা ইউপি চেয়ারম্যান আয়নাল ও তার লোকজন এক ঘরে করে রেখেছে হ্যাপি বেগমসহ পুরো পরিবারকে।

জানা গেছে ২০১১ সালের ২৬ জুন তারিখে রংপুরের বদরগজ্ঞ উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আয়নাল হক রাজারামপুর গ্রামের দুই নারী হ্যাপি বেগম ও শাহিদা বেগমকে নষ্টা মেয়ে অপবাদ দিয়ে স্থানীয় একটি লিচু বাগানে সালিশ ডাকে। সেখানে মাইকিং করে হাজার হাজার লোক জড়ো করে সালিশের নামে তাদের দোষী সাব্যস্ত করে দুই নারীকে চেয়ারম্যান আয়নাল হকের নির্দেশে হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করে। বিশেষ করে হ্যাপি বেগমকে লাঠি দিয়ে চোরের মতো পায়ের তলায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অকথ্য নির্যাতন করা হয়। হ্যাপি বেগম দুবার জ্ঞান হারিয়ে ফেললে আবার তাদের শরীরে পানি ঢেলে জ্ঞান ফিরিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। তার চুল কেটে দেয়া হয়। এই নির্যাতনের দৃশ্যের ভিডিও চিত্রসহ ছবি দৈনিক সংবাদসহ টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। এ দৃশ্য দেখে দেশে-বিদেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। পরে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বাদী হয়ে বদরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে।

পরে র‌্যাব মামলার প্রধান আসামি ইউপি চেয়ারম্যান আয়নালকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে। মামলার অন্যান্য আসামি কারাগারে আটক থাকার পর সবাই জামিনে বেরিয়ে আসে। চাঞ্চল্যকর এই মামলাটিতে আয়নাল চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে ৫৭ জনের নামে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে। বর্তমানে মামলাটি রংপুর নারী শিশু নির্যাতন দমন আদালত ২ এ বিচারাধীন আছে। দীর্ঘ ৯ বছরেও মামলার বাদী হ্যাপি বেগমের আংশিক সাক্ষ্য গ্রহণ করা ছাড়া মামলার বিচার হচ্ছে না। বরং প্রধান আসামি আয়নাল দীর্ঘ দিন ধরে আদালতে হাজির হয় না। এদিকে অব্যাহত হুমকির পরেও মামলা তুলে না নেয়ায় দীর্ঘ নয় বছর ধরে এক ঘরে করে রাখা হয়েছে হ্যাপি বেগমের পুরো পরিবারকে। তাদের বাড়িতে আশপাশের কাউকে যেতে দেয়া হয় না, কেউ তাদের কাজে নেয় না-ফলে অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর দিন কাটছে তাদের। হ্যাপি বেগমের আর্তনাদ বিচার পাবার আকুতি করেও বিচার পাচ্ছে না সে।

সর্বশেষ গত ২৫ জুলাই আদালত চত্বরে হ্যাপি বেগম তার বাবা-মাসহ সাক্ষীদের নিয়ে এসেছিল কিন্তু তাদের সাক্ষী হয়নি জানিয়ে এ প্রতিনিধিকে হ্যাপি বেগম জানান দীর্ঘ নয় বছর ধরে আমি সাক্ষী নিয়ে আসি আর ঘুরে যাই। আমার মামলার বিচার হয় না। এদিকে তাকেসহ পুরো পরিবারকে এক ঘরে করে রাখায় তারা অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর দিন কাটছে তাদের।

তিনি জানান, মামলার প্রধান আসামি আয়নাল হক দীর্ঘ দিন ধরে আদালতে হাজির হয় না, তার নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পরেও বদরগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছে না। এ ছাড়াও মামলার বেশিরভাগ আসামি তারিখে আদালতে হাজিরার দিন আসে না। আবেদন করে সময়ের। এভাবেই নয় বছর কেটে গেলেও মামলার বিচার শুরই হচ্ছে না বলে অভিযোগ তার।

এ ব্যাপারে সিনিয়র আইনজীবী ও মানবাধিকার সংগঠক এমএ বাশার অ্যাডভোকেট জানান, হ্যাপি বেগমের মামলার বিচারের বাণী যেন নীরবে নিভৃতে কাঁদে-তা না হলে দীর্ঘ নয় বছরেও বহুল আলোচিত এই মামলার বিচার শুরু হলো না। নয় মাস নয়, কেন নয় বছর তাহলে হ্যাপি বেগমের মতো অসহায় নির্যাতিত নারীরা ন্যায় বিচার থেকে এভাবে বঞ্চিত হবে? তিনি দ্রুত মামলার বিচার শেষ করার দাবি জানান।

এদিকে সরকার পক্ষের আইনজীবী রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত ২-এর বিশেষ পিপি জাহাঙ্গীর হোসেন তুহিন অ্যাডভোকেটের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেও স্বীকার করলেন হ্যাপি বেগম দিনের পর দিন সাক্ষী নিয়ে আসছেন আর ফিরে যাচ্ছেন। তিনি বললেন, অন্যান্য সাক্ষীদের হুমকি দেয়ায় তারা আসতে পারছেন না। তিনি নিজেই সাক্ষীদের নিরাপত্তা দাবি করেন।

আইনজীবীসহ মানবাধিকার কর্মীদের দাবি সালিশের নামে অকথ্য নির্যাতন এরপর দীর্ঘ নয় বছরেও বিচার না পাওয়া কি বার্তা দেবে বিচারপ্রার্থীদের। তার ওপর নয় বছর ধরে এক ঘরে রুদ্ধশ্বাস দিনযাপনকারী হ্যাপি বেগমের মামলা দ্রুত বিচার শেষ করার দাবি তাদের।

back to top