alt

মিডিয়া

২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা

সাংবাদিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার বিঘ্নিত হবে: সম্পাদক পরিষদ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক: : বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

২৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করায় সাংবাদিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার বিঘ্নিত হবে বলে মনে করে সম্পাদক পরিষদ। জনস্বার্থ এবং সেবা নিশ্চিতের জন্য তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে জারিকৃত প্রজ্ঞাপন স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য নতুন চাপ ও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনটির অস্পষ্টতা দূর করে স্পষ্টীকরণের জন্য সম্পাদক পরিষদ দাবি জানিয়েছে।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) সম্পাদক পরিষদের সভাপতি মাহফুজ আনাম এবং সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি সাইবার আক্রমণ থেকে স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সুরক্ষায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ ২৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। সাইবার নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ১৫ ধারার বিধান মতে এসব প্রতিষ্ঠানকে সিআইআই (ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার) ঘোষণা করে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ সম্প্রতি এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মতো আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাও রয়েছে। তালিকায় আরও আছে সেতু বিভাগ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জাতীয় ডেটা সেন্টার ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড ইত্যাদি।

সম্পাদক পরিষদ মনে করে, ২৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করায় সাংবাদিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার বিঘ্নিত হয়েছে। কারণ ২৯টি প্রতিষ্ঠান জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট। এই প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে জনসেবা ও পরিষেবা নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যত্যয় ঘটলে এ সংক্রান্ত তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে কোন সুযোগ থাকবে না, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ। একই সঙ্গে এই প্রজ্ঞাপন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি, অনিয়ম ও জবাবদিহিহীনতাকে উৎসাহিত করবে। তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী বর্তমান সময়ে তথ্য পাওয়ার অধিকার মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হলেও ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে জারিকৃত এই প্রজ্ঞাপনের বিশদ স্পষ্টীকরণের প্রয়োজন রয়েছে।

‘আইনের ১৬(১) ধারায় বলা হয়েছে, আইনের বিধানগুলো যথাযথভাবে পালন হচ্ছে কি না সেটি নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজনে সময় সময় কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করবেন ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালক। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করলে আইন লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে সাত বছরের কারাদন্ড বা সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পরিকাঠামোতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে ক্ষতিসাধন বা ক্ষতির চেষ্টা করলে ১৪ বছর কারাদন্ড বা সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয়দন্ড দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া কোন ব্যক্তি যদি দ্বিতীয়বার বা পুনঃপুনঃ উল্লিখিত অপরাধ সংঘটন করেন তাহলে যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক পাঁচ কোটি টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে।’

উল্লেখ্য, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বাকস্বাধীনতা ও মুক্তিবুদ্ধি চর্চার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। সাংবাদিক, আইনবিদ, মানবাধিকারকর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিসহ সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের থেকেও আইনটির পরিবর্তন, পরিমার্জন, বিয়োজন ও সংযোজনের বিষয়ে নানা ধরনের পরামর্শ, সুপারিশ ও উদ্বেগ প্রকাশ অব্যাহত রয়েছে। ইতিপূর্বেও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনীর বিষয়ে সম্পাদক পরিষদ উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছিল।

ছবি

ঢাকায় বাসা থেকে সাংবাদিকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

আইসিটি আইনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, ঢাবি সাংবাদিক সমিতির উদ্বেগ

ছবি

সংবাদপত্রশিল্পের সংকট নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে নোয়াবের বৈঠক

ক্রাইম রিপোর্টিং দুঃসাহসিক অভিযান : ডেপুটি স্পিকার

ছবি

মির্জাপুর সাংবাদিক সংস্থার সভাপতি শিপলু সম্পাদক জোবায়ের

ছবি

গণমাধ্যমকর্মী বিল: সংসদীয় কমিটি সময় নিল আরও ৯০ দিন

ছবি

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ডিকাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি 

ছবি

প্রেসক্লাবের সভাপতি হলেন ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্ত

ছবি

জাতীয় প্রেস ক্লাব নির্বাচনে চলছে ভোটগ্রহণ

ছবি

জাতীয় প্রেস ক্লাবের আয়োজনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

ছবি

ফটো সাংবাদিক আবদুল ওয়াসে আনসারী মারা গেছেন

ছবি

সংসদের সামনে সাংবাদিককে হেনস্তা: পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

ছবি

সংবাদপত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ নোয়াবের

ছবি

আদানি কীভাবে চালাবেন এনডিটিভি

ছবি

৯৪ বার পেছাল সাগর-রুনির তদন্ত প্রতিবেদন

ছবি

ডিআরইউ সভাপতি নোমানী, সম্পাদক সোহেল

ছবি

ডিআরইউ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

এনডিটিভির ২৯.১৮% শেয়ার আদানির কাছে হস্তান্তর

ছবি

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের লিভ টু আপিল খারিজ, চলবে তদন্ত

সরকারকে এক মাসের আল্টিমেটাম ডিইউজে’র

ছবি

 সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাংবাদিকদের অধিকার সম্পর্কে জানতে হবে

ছবি

পিআইবিতে ডিজিটাল আর্কাইভ পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা

ছবি

গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য ওয়াটারএইডের ফেলোশিপ প্রোগ্রাম

ছবি

প্রতিবন্ধিতা কোন অভিশাপ নয়-সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

ছবি

নরসিংদী সড়কে কার্ভাডভ্যানের চাপায় এক সংবাদকর্মীর মৃত্যু

ছবি

সংবাদকর্মীর আয়কর মালিকপক্ষকেই দিতে হবে: হাইকোর্ট

ছবি

শয়ন কক্ষে মিললো দম্পতির ঝুলন্ত লাশ

ছবি

সাংবাদিক খুনের ঘটনায় ৮৬ শতাংশ অপরাধীর শাস্তি হয়নি: ইউনেস্কো

ছবি

সংবাদিকতায় ফ্যাক্টচেক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

ছবি

গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য ডিজিটাল লিটারেসি ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ

ছবি

সাগর-রুনি হত্যা : ৯৩ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন

ছবি

প্রেস কাউন্সিল পদক পেলেন সংবাদের প্রয়াত সম্পাদক বজলুর রহমান

ছবি

প্রেস কাউন্সিল পদক পেল ২ সংবাদপত্র ও ৫ সাংবাদিক

ছবি

ঝাঁকজমকপূর্ণ অভিষেক আয়েবাপিসির

ছবি

সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপনের আহ্বান

ছবি

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাংবাদিক তোয়াব খানের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন

tab

মিডিয়া

২৯ প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো ঘোষণা

সাংবাদিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার বিঘ্নিত হবে: সম্পাদক পরিষদ

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক:

বুধবার, ১৯ অক্টোবর ২০২২

২৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করায় সাংবাদিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার বিঘ্নিত হবে বলে মনে করে সম্পাদক পরিষদ। জনস্বার্থ এবং সেবা নিশ্চিতের জন্য তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে জারিকৃত প্রজ্ঞাপন স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য নতুন চাপ ও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনটির অস্পষ্টতা দূর করে স্পষ্টীকরণের জন্য সম্পাদক পরিষদ দাবি জানিয়েছে।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) সম্পাদক পরিষদের সভাপতি মাহফুজ আনাম এবং সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি সাইবার আক্রমণ থেকে স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সুরক্ষায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ ২৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। সাইবার নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ এর ১৫ ধারার বিধান মতে এসব প্রতিষ্ঠানকে সিআইআই (ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার) ঘোষণা করে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ সম্প্রতি এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মতো আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাও রয়েছে। তালিকায় আরও আছে সেতু বিভাগ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জাতীয় ডেটা সেন্টার ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড ইত্যাদি।

সম্পাদক পরিষদ মনে করে, ২৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে ঘোষণা করায় সাংবাদিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার বিঘ্নিত হয়েছে। কারণ ২৯টি প্রতিষ্ঠান জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট। এই প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে জনসেবা ও পরিষেবা নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যত্যয় ঘটলে এ সংক্রান্ত তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে কোন সুযোগ থাকবে না, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরূপ। একই সঙ্গে এই প্রজ্ঞাপন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি, অনিয়ম ও জবাবদিহিহীনতাকে উৎসাহিত করবে। তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী বর্তমান সময়ে তথ্য পাওয়ার অধিকার মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত হলেও ২৯টি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো হিসেবে জারিকৃত এই প্রজ্ঞাপনের বিশদ স্পষ্টীকরণের প্রয়োজন রয়েছে।

‘আইনের ১৬(১) ধারায় বলা হয়েছে, আইনের বিধানগুলো যথাযথভাবে পালন হচ্ছে কি না সেটি নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজনে সময় সময় কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো পরিবীক্ষণ ও পরিদর্শন করবেন ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালক। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করলে আইন লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে সাত বছরের কারাদন্ড বা সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পরিকাঠামোতে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে ক্ষতিসাধন বা ক্ষতির চেষ্টা করলে ১৪ বছর কারাদন্ড বা সর্বোচ্চ ১ কোটি টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয়দন্ড দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া কোন ব্যক্তি যদি দ্বিতীয়বার বা পুনঃপুনঃ উল্লিখিত অপরাধ সংঘটন করেন তাহলে যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা অনধিক পাঁচ কোটি টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে।’

উল্লেখ্য, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বাকস্বাধীনতা ও মুক্তিবুদ্ধি চর্চার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। সাংবাদিক, আইনবিদ, মানবাধিকারকর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিসহ সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের থেকেও আইনটির পরিবর্তন, পরিমার্জন, বিয়োজন ও সংযোজনের বিষয়ে নানা ধরনের পরামর্শ, সুপারিশ ও উদ্বেগ প্রকাশ অব্যাহত রয়েছে। ইতিপূর্বেও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনীর বিষয়ে সম্পাদক পরিষদ উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছিল।

back to top