তফসিলের পর প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনে রদবদল
ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি মোটামুটি সম্পন্ন হয়েছে, কোনো সমস্যা নেই। তার মতে, আইনশৃক্সক্ষলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়েছে এবং ধীরে ধীরে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।
শনিবার,(২৯ নভেম্বর ২০২৫) ঢাকার শেরে বাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ‘মক ভোটিং’ পরিদর্শন শেষে সিইসি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এএমএম নাসির উদ্দিনের ভাষায়, ‘তফসিল হোপফুলি- আমরা যেটা আশা করছি দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে ডিসেম্বরের।’ তিনি বলেন, ‘আমরা জানাতে চাই, মোটামুটিভাবে প্রিপারেশন আমাদের আছে; কোনো অসুবিধা হবে না, ইনশাআল্লাহ। আমরা সবাই মিলে ইনশাআল্লাহ যে ওয়াদা জাতিকে দিয়েছি, সেটা আমরা ইনশাল্লাহ ডেলিভার করবো।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গে সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টে রাতে তো ঘুমাতে পারেননি। এখন শান্তিতে ঘুমাতে পারছেন, আপনি শান্তিতে আসছেন। এ পর্যন্ত আপনার ক্যামেরা কি ছিনতাই করেছে? করেনি তো। অর্ডার সিচুয়েশন ইমপ্রুভ করে গেছে, অনেক ইমপ্রুভ করেছে। আমরা তো কন্টিনিউয়াসলি আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে আর কোর্ডিনেটিং...সবাই ট্রেনিং করছে।
তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখেন- বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ওয়াজ নেভার পারফেক্ট বলে তো লাভ নেই; চুরি, ছিনতাই, মারামারি এগুলো কি আগে ছিল না? আগেও তো ছিল, সব সময় তো ছিল। বাট এগুলো হবে বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ওভারল এনভরনমেন্ট ফর পোলিং এটা আমরা এনশিউর করব, ইনশাআল্লাহ।’ ধীরে ধীরে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে মন্তব্য করেন সিইসি।
মক ভোটিং শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শেওে বাংলা নগর বালিকা বিদ্যালয়ের চারটি বুথে ‘মক ভোটিং’-এর ভোটগ্রহণ চলে।
মক ভোটিংয়ের প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘এই এক্সারসাইজটা অনেকেই জানে না। কিন্তু বিশেষ করে আমাদের যারা নতুন ভোটার, প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন; তারা জীবনে এই ভোট দেখেই নাই। গত ১৫ বছরের মধ্যে যারা ভোটার হয়েছে, তারা দেখেইনি, প্র্যাক্টিক্যাল অভিজ্ঞতা নাই। এটার মাধ্যমে একদিকে একটা অভিজ্ঞতা সঞ্চার হচ্ছে, অন্যদিকে আমাদের একটা রিয়েল টাইম অ্যাসেসমেন্ট অব দ্যা সিচুয়েশন বোঝাপড়া হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে একটা রেফারেন্ডম, গণভোট একটা এসছে। এই গণভোট একসঙ্গে করতে হবে আমাদের। তো গণভোট যদি একসঙ্গে করতে হয়, তাহলে আমাদের টাইম ম্যানেজমেন্টের একটা বিষয় আছে। এই আজকের এই এসেসমেন্টের ভিত্তিতে আমরা ঠিক করবো। বিদ্যমান ৪২ হাজার ৫০০-এর বেশি ভোটকেন্দ্র আমাদের জন্য পর্যাপ্ত কিনা, নাকি ভোটকক্ষ বাড়াতে হবে? ভোটকক্ষ, লোকবল বাড়ানোসহ কী ধরনের অ্যারেঞ্জমেন্ট করতে হতে পারে, এই প্র্যাকটিক্যাল অ্যাসেসমেন্টটা আজকে আমরা করতে যাচ্ছি।’
ভোটের মহড়ার (মক ভোটিং) অভিজ্ঞতা থেকে ইসি করণীয় ঠিক করবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘আর কী কী প্রকিউরমেন্ট করা লাগবে, সে প্রকিউরমেন্টগুলো আমরা সেরে ফেলব।’
সাংবাদিকদের বিবেক
ভোটকক্ষে সংবাদকর্মীদের প্রবেশের বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘কেন সাংবাদিকরা বলেন- আমাদের ভেতরে থাকতে দিতে হবে। আপনারা দেখলেন- একটা রুমের মধ্যে এজেন্টরা আছে, পোলিং অফিসার আছে, প্রিজাইডিং অফিসার আছেন, ভোটাররা ঢুকছেন। এখন সাংবাদিক আবার অবজার্ভাররা আসবে। দেশি-বিদেশি অবজারভাররা আসবে। এখন সাংবাদিক ভাইয়েরা যদি ঢুকে এখন ধাক্কাধাক্কি করে- অনেকক্ষণ যদি দাঁড়িয়ে থাকেন, তাহলে হ-য-ব-র-ল অবস্থা সৃষ্টি হবে। পোলিং সেন্টারের ভেতরে এইটা অ্যাভয়েড করার জন্য আমরা বলছি যে, একটু আপনারা একটু নিজেদের বিবেক অ্যাপ্লাই করে নির্দিষ্ট সময়টার মধ্যে আপনারা কাজটা সেরে বেরিয়ে যাবেন।’
গণভোটের ধারণা
গণভোটের বিষয়ে বেশিরভাগ মানুষের স্পষ্ট ধারণা না থাকার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সিইসি বলেন, ‘জানার কথাও না। আমরা এই যে গণভোট নিয়ে প্রচারণা এখনও ওরকভাবে শুরু করি নাই। সরকার এবং ইলেকশন কমিশন মিলে ব্যাপক প্রচারণা চালাবে গণভোট নিয়ে।’
তিনি বলেন, ‘তথ্য মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, কালচারাল মিনিস্ট্রিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রচার-প্রচারণা চালানোর জন্য, আমরাও আছি সঙ্গে। গণমাধ্যমেরও দায়িত্ব রয়েছে।’
ভোট পড়লো ৭০ শতাংশ
শেরে বাংলা নগর বালিকা বিদ্যালয়ে মক ভোটিং কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ মক ভোটিংয়ে ৫০০ ভোটারের মধ্যে ৭০.৪% ভোট পড়েছে; অর্থাৎ ৩৫২ জন ভোট দিয়েছেন।’ চার ভোট কক্ষে মক ভোটিং নেয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে প্রতিটি ভোট দিতে কত সময় লেগেছে তা নির্ধারণ করা যাবে না।’
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এদিন মক ভোটিং দেখতে ভোটকেন্দ্রে আসেন। তিনি সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত একটি কক্ষের ভোটগ্রহণের সময় পর্যবেক্ষণ করেন।
এ বিষয়ে প্রিজাইডিং অফিসার জাহাঙ্গীর বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনার মহোদয় একটি বুথে নানা ধরনের ভোটারদের নিয়ে টাইম পর্যালোচনা করেছেন। এটা নিয়ে একটা প্রতিবেদন আসবে। এর ভিত্তিতে সামগ্রিক বিষয়গুলো নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন।’
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
তফসিলের পর প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনে রদবদল
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি মোটামুটি সম্পন্ন হয়েছে, কোনো সমস্যা নেই। তার মতে, আইনশৃক্সক্ষলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়েছে এবং ধীরে ধীরে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।
শনিবার,(২৯ নভেম্বর ২০২৫) ঢাকার শেরে বাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ‘মক ভোটিং’ পরিদর্শন শেষে সিইসি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এএমএম নাসির উদ্দিনের ভাষায়, ‘তফসিল হোপফুলি- আমরা যেটা আশা করছি দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে ডিসেম্বরের।’ তিনি বলেন, ‘আমরা জানাতে চাই, মোটামুটিভাবে প্রিপারেশন আমাদের আছে; কোনো অসুবিধা হবে না, ইনশাআল্লাহ। আমরা সবাই মিলে ইনশাআল্লাহ যে ওয়াদা জাতিকে দিয়েছি, সেটা আমরা ইনশাল্লাহ ডেলিভার করবো।’
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গে সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টে রাতে তো ঘুমাতে পারেননি। এখন শান্তিতে ঘুমাতে পারছেন, আপনি শান্তিতে আসছেন। এ পর্যন্ত আপনার ক্যামেরা কি ছিনতাই করেছে? করেনি তো। অর্ডার সিচুয়েশন ইমপ্রুভ করে গেছে, অনেক ইমপ্রুভ করেছে। আমরা তো কন্টিনিউয়াসলি আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে আর কোর্ডিনেটিং...সবাই ট্রেনিং করছে।
তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখেন- বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ওয়াজ নেভার পারফেক্ট বলে তো লাভ নেই; চুরি, ছিনতাই, মারামারি এগুলো কি আগে ছিল না? আগেও তো ছিল, সব সময় তো ছিল। বাট এগুলো হবে বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ওভারল এনভরনমেন্ট ফর পোলিং এটা আমরা এনশিউর করব, ইনশাআল্লাহ।’ ধীরে ধীরে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে মন্তব্য করেন সিইসি।
মক ভোটিং শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শেওে বাংলা নগর বালিকা বিদ্যালয়ের চারটি বুথে ‘মক ভোটিং’-এর ভোটগ্রহণ চলে।
মক ভোটিংয়ের প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘এই এক্সারসাইজটা অনেকেই জানে না। কিন্তু বিশেষ করে আমাদের যারা নতুন ভোটার, প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন; তারা জীবনে এই ভোট দেখেই নাই। গত ১৫ বছরের মধ্যে যারা ভোটার হয়েছে, তারা দেখেইনি, প্র্যাক্টিক্যাল অভিজ্ঞতা নাই। এটার মাধ্যমে একদিকে একটা অভিজ্ঞতা সঞ্চার হচ্ছে, অন্যদিকে আমাদের একটা রিয়েল টাইম অ্যাসেসমেন্ট অব দ্যা সিচুয়েশন বোঝাপড়া হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে একটা রেফারেন্ডম, গণভোট একটা এসছে। এই গণভোট একসঙ্গে করতে হবে আমাদের। তো গণভোট যদি একসঙ্গে করতে হয়, তাহলে আমাদের টাইম ম্যানেজমেন্টের একটা বিষয় আছে। এই আজকের এই এসেসমেন্টের ভিত্তিতে আমরা ঠিক করবো। বিদ্যমান ৪২ হাজার ৫০০-এর বেশি ভোটকেন্দ্র আমাদের জন্য পর্যাপ্ত কিনা, নাকি ভোটকক্ষ বাড়াতে হবে? ভোটকক্ষ, লোকবল বাড়ানোসহ কী ধরনের অ্যারেঞ্জমেন্ট করতে হতে পারে, এই প্র্যাকটিক্যাল অ্যাসেসমেন্টটা আজকে আমরা করতে যাচ্ছি।’
ভোটের মহড়ার (মক ভোটিং) অভিজ্ঞতা থেকে ইসি করণীয় ঠিক করবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘আর কী কী প্রকিউরমেন্ট করা লাগবে, সে প্রকিউরমেন্টগুলো আমরা সেরে ফেলব।’
সাংবাদিকদের বিবেক
ভোটকক্ষে সংবাদকর্মীদের প্রবেশের বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘কেন সাংবাদিকরা বলেন- আমাদের ভেতরে থাকতে দিতে হবে। আপনারা দেখলেন- একটা রুমের মধ্যে এজেন্টরা আছে, পোলিং অফিসার আছে, প্রিজাইডিং অফিসার আছেন, ভোটাররা ঢুকছেন। এখন সাংবাদিক আবার অবজার্ভাররা আসবে। দেশি-বিদেশি অবজারভাররা আসবে। এখন সাংবাদিক ভাইয়েরা যদি ঢুকে এখন ধাক্কাধাক্কি করে- অনেকক্ষণ যদি দাঁড়িয়ে থাকেন, তাহলে হ-য-ব-র-ল অবস্থা সৃষ্টি হবে। পোলিং সেন্টারের ভেতরে এইটা অ্যাভয়েড করার জন্য আমরা বলছি যে, একটু আপনারা একটু নিজেদের বিবেক অ্যাপ্লাই করে নির্দিষ্ট সময়টার মধ্যে আপনারা কাজটা সেরে বেরিয়ে যাবেন।’
গণভোটের ধারণা
গণভোটের বিষয়ে বেশিরভাগ মানুষের স্পষ্ট ধারণা না থাকার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সিইসি বলেন, ‘জানার কথাও না। আমরা এই যে গণভোট নিয়ে প্রচারণা এখনও ওরকভাবে শুরু করি নাই। সরকার এবং ইলেকশন কমিশন মিলে ব্যাপক প্রচারণা চালাবে গণভোট নিয়ে।’
তিনি বলেন, ‘তথ্য মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, কালচারাল মিনিস্ট্রিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রচার-প্রচারণা চালানোর জন্য, আমরাও আছি সঙ্গে। গণমাধ্যমেরও দায়িত্ব রয়েছে।’
ভোট পড়লো ৭০ শতাংশ
শেরে বাংলা নগর বালিকা বিদ্যালয়ে মক ভোটিং কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ মক ভোটিংয়ে ৫০০ ভোটারের মধ্যে ৭০.৪% ভোট পড়েছে; অর্থাৎ ৩৫২ জন ভোট দিয়েছেন।’ চার ভোট কক্ষে মক ভোটিং নেয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে প্রতিটি ভোট দিতে কত সময় লেগেছে তা নির্ধারণ করা যাবে না।’
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এদিন মক ভোটিং দেখতে ভোটকেন্দ্রে আসেন। তিনি সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত একটি কক্ষের ভোটগ্রহণের সময় পর্যবেক্ষণ করেন।
এ বিষয়ে প্রিজাইডিং অফিসার জাহাঙ্গীর বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনার মহোদয় একটি বুথে নানা ধরনের ভোটারদের নিয়ে টাইম পর্যালোচনা করেছেন। এটা নিয়ে একটা প্রতিবেদন আসবে। এর ভিত্তিতে সামগ্রিক বিষয়গুলো নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন।’