নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে ‘কিং মেকার’ হিসেবে পরিচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী। সবকিছু ঠিক থাকলে তিনি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে প্রার্থী হবেন বলে জানান এ বীর মুক্তিযোদ্ধা।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে বক্তাবলী গণহত্যা দিবসে শহীদদের স্মরণে আয়োজিত সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। বক্তাবলী ইউনিয়নের কানাইনগর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এ সভার আয়োজন করা হয়।
এ সভায় মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমি আপনাদের এলাকার মানুষ ও মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছি। এই বক্তাবলী ও গোগনগর এলাকার যারা আছেন, আপনারা যদি আমাকে সমর্থন করে সাহস দেন ও আমার জন্য দোয়া করেন তাহলে আমি আগামী নির্বাচন করবো। আপনারা জানেন, বিগত দিনে আমি আপনাদের পাশে ছিলাম, এখনও আছি এবং আগামী দিনেও পাশে থাকবো। আপনারা যদি চান আগামী দিনে আপনাদের দায়িত্ব নিয়ে এই এলাকার কাজ করি, তাহলে অবশ্যই আমি স্থানীয় নেতা ও আমার নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নিবো।’
মুক্তিযুদ্ধের সময় এ অঞ্চলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়ারও দাবি জানান এ বীর মুক্তিযোদ্ধা।
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে ‘কিং মেকার’ হিসেবে পরিচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী। সবকিছু ঠিক থাকলে তিনি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে প্রার্থী হবেন বলে জানান এ বীর মুক্তিযোদ্ধা।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে বক্তাবলী গণহত্যা দিবসে শহীদদের স্মরণে আয়োজিত সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। বক্তাবলী ইউনিয়নের কানাইনগর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এ সভার আয়োজন করা হয়।
এ সভায় মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমি আপনাদের এলাকার মানুষ ও মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছি। এই বক্তাবলী ও গোগনগর এলাকার যারা আছেন, আপনারা যদি আমাকে সমর্থন করে সাহস দেন ও আমার জন্য দোয়া করেন তাহলে আমি আগামী নির্বাচন করবো। আপনারা জানেন, বিগত দিনে আমি আপনাদের পাশে ছিলাম, এখনও আছি এবং আগামী দিনেও পাশে থাকবো। আপনারা যদি চান আগামী দিনে আপনাদের দায়িত্ব নিয়ে এই এলাকার কাজ করি, তাহলে অবশ্যই আমি স্থানীয় নেতা ও আমার নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নিবো।’
মুক্তিযুদ্ধের সময় এ অঞ্চলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়ারও দাবি জানান এ বীর মুক্তিযোদ্ধা।