নিজ জন্মস্থান মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌর শহরের নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শফিকুর রহমান। জামায়াতে ইসলামীর মৌলভীবাজার জেলা শাখা আয়োজিত শনিবারের (৭ ফেব্রুয়ারি) সেই সভামঞ্চে দুপুর ১২টার দিকে পৌঁছান জামায়াত আমির।
বক্তব্যের শুরুতেই শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমি একটি বিষয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। নির্বাচনের প্রস্তুতি যখন শুরু হয়, তখন দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভাই অনুরোধ করে বলেছিলেন, আমি যেন দুটি আসনে নির্বাচন করি। একটি জন্মস্থান (মৌলভীবাজার-২, কুলাউড়া উপজেলা) ও আরেকটা ঢাকায়। আমি তাঁদের হ্যাঁ-ও বলিনি, না-ও বলিনি। তাঁরা মনে করেছিলেন, আমি বোধ হয় ইলেকশন করব না। আমি ঢাকায় নির্বাচন করছি।’
মৌলভীবাজার-২ আসনের দলীয় প্রার্থী মো. সায়েদ আলীর কথা উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘সব আসনে আমাদের একজন করে প্রার্থী থাকলেও এখানে দুজন। একজন ছায়া, আরেকজন বাস্তব। কুলাউড়ার উন্নয়নের দায়িত্ব আমি সরাসরি নিলাম।’ সভায় শফিকুর রহমান মৌলভীবাজার-২ আসনের দলীয় প্রার্থী মো. সায়েদ আলী ও মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা) আসনের প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলামকে পরিচয় করিয়ে তাঁদের জন্য দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চান।
জনসভায় জামায়াতের আমির বলেন, ‘যুবকদের হাত ধরে দেশ এগিয়ে চলবে। এ দেশকে আমরা যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই। এটা আমাদের মুখের কথা নয়, বুকের কথা। এই যুবকদের কারণে আমি এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছি।’চা-শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারে আমার জন্ম। তাঁদের ভুলে গেলে নিজেকে ভুলে যাওয়ার শামিল হয়ে যাবে। আমরা চাই না রাজার ছেলে রাজা হোক, রানির মেয়ে রানি হোক। আপনার সন্তান যদি মেধাবী হয়, আমরা যদি তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নিই, তাহলে সে এক দিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হবে।’
জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের বাড়ি কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নে। তিনি ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গিয়েছিলেন।
অপরাধ ও দুর্নীতি: ১৫ মার্চ থেকে ঈদ নিরাপত্তা: থাকছে এআই, সিসি ক্যামেরা, ড্রোন, নিয়মিত টহল
অর্থ-বাণিজ্য: এসেছে ৫ হাজার টন, অতিরিক্ত আরও ৫০ হাজার টন আসবে ডিজেল
অর্থ-বাণিজ্য: বিজিএমইএ‘র সব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস গভর্নরের