alt

রাজনীতি

বিএনপিতে শৃঙ্খলার ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ পদক্ষেপ, দলে অসন্তোষ

ইসহাক আসিফ : সোমবার, ০৯ মে ২০২২

নানা কারণে বিএনপি নেতাদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। নিজেদের মধ্যে বাড়ছে দূরত্বও। যার ফলে দলটির কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে তৈরি হয়েছে বিশৃঙ্খল পরিবেশ। এসব পরিস্থিতিতে নেতাদের সতর্কের পাশাপাশি শোকজ ও বহিষ্কারের পথ বেছে নিয়েছে বিএনপি। দলটি এর মধ্যে অনেক নেতাকে শোকজ ও বহিষ্কারও করেছে।

তবে এসব বহিষ্কারাদেশ, শোকজ নোটিশ, দলীয় পদ-পদবি কেড়ে নেয়া, পদাবনতি দেয়া, আবার তা প্রত্যাহার করার বিষয়গুলো নিয়ে দলটির ভেতরেই দেখা দিয়েছে প্রশ্ন । অনেকে এসব কার্যক্রমকে দলটির ভেতরের ‘একটা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার্থে’ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করছেন।

কিন্তু সামনে দলটির উচ্চপর্যায়ের আরও নেতা শোকজ ও বহিষ্কারের পাল্লায় পড়তে যাচ্ছেন বলেই দলটির সূত্রে জানা গেছে।

দলটির নীতি-নির্ধারণী মহল থেকে বলা হচ্ছে, দলের ‘শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই’ এই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বিএনপির উঁচ্চপর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, গত এক বছরে সারা দেশে মূল দল এবং তার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে বহিষ্কারসহ নানা কারণে শোকজ নোটিশ দিয়েছে বিএনপি। বহিষ্কৃতদের অধিকাংশই দলীয় ‘শৃঙ্খলার পরিপন্থী’ কাজে জড়িত থাকার দায়ে দলটির গঠনতন্ত্রের ৫(গ) ধারা মোতাবেক প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার হন বলে বিএনপির দপ্তর থেকে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি এ রকম চিঠি পেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ। কারণ গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তার নেতৃত্বে ‘পেশাজীবী’ সমাবেশ ও সেখানে তার বক্তব্য। শওকত মাহমুদ সেই সমাবেশে ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির’ দাবিতে সরকার পতনের ডাক দেন। সেখানে বক্তব্যের এক পর্যায়ে শওকত মাহমুদ বলেন, রাজনীতিবিদেরা যদি ‘ব্যর্থ হন, তাহলে পেশাজীবীরা গণ-অভ্যুত্থানের’ দায়িত্ব নেবেন।

শওকত মাহমুদের ‘সরকার পতনের ডাক’ এবং ‘ওই বক্তব্যে’ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ হিসেবে মনে করে বিএনপি। তাই তার (শওকত) কাছে দলটি ব্যাখ্যা চেয়েছে। গত ৬ এপ্রিল তার কাছে এ ব্যাখা চেয়েছে বিএনপি। দুই বছর আগেও একই ধরনের ঘটনায় দলীয় ‘শৃঙ্খলাবিরোধী’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল বলে বিএনপি জানিয়েছে।

একই দিন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি আশরাফউদ্দিন খান, চাঁদপুরের ইঞ্জিনিয়ার মোমিনুল ইসলামসহ আরও কয়েকজনকে কারণ দর্শানোর চিঠি দিয়েছে বিএনপি।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক থেকে সরিয়ে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য করেছে বিএনপি। অর্থাৎ এহছানুল হক মিলনের পদাবনতি হয়েছে। দলীয় এক সূত্রের দাবি, এহসানুল হক মিলন দীর্ঘদিন ধরে দলের কার্যক্রমে ‘নিষ্ক্রিয়’। তাই বিএনপি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসন থেকে এহসানুল হক মিলন মনোনয়ন পাননি। এরপর থেকেই দলের হাইকমান্ডের সঙ্গে তার দূরত্ব সৃষ্টি হয় বলে সূত্র জানায়।

শওকত মাহমুদ সংবাদকে জানান, তিনি সেই নোটিশের জবাব দিয়েছেন। কী জবাব দিয়েছেন, এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বিএনপি আমার জবাবে কি সিদ্ধান্ত জানাবে, সেই পরিপেক্ষিতে পরে কথা বলব। এই মুহূর্তে শোকজের জবাব গণমাধ্যমে বলতে চাই না।’

বিএনপি সরকার পতনের ডাকে কঠোর আন্দোলনে মাঠে নামতে চায়, কিন্তু দলীয় নেতাদের সে বিষয়ে বক্তব্যে দলটির বাধা কেন এমন প্রশ্নে শওকত মাহমুদ বলেন, ‘দলের (বিএনপি) মহাসচিব বলতে পারবেন কী কারণে বাধা; বিষয়টি একমাত্র তিনিই জানেন।’

এহসানুল হক মিলনকে অসংখ্যবার ফোন করেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

দলটির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেতাদের ‘শৃঙ্খলায় আনতে কঠোর অবস্থান’ নিয়েছেন। তিনি (তারেক) বিদেশ থেকেই চাচ্ছেন দলের ‘শৃঙ্খলা দৃঢ়তার সঙ্গে ধরে’ রাখতে। সে লক্ষ্যে তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘অতিরিক্ত ক্ষমাসুলভ আচরণে লাগাম টানার’ কৌশল নিয়েছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সংবাদকে বলেন, ‘যেকোন সময়, যেকোন নেতা শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করলে দল তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। আমাদের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যেকোন মূল্যে দলের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চান।’

আর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিএনপির সেøাগান হচ্ছে, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। এখানে ব্যক্তি কোন ফ্যাক্টর নয়। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রাধান্য দিচ্ছেন দলের মধ্যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায়। দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে সে যত বড় নেতাই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

একটা ধাক্কা দেয়া বাকি আছে : ড. মোশাররফ

ক্ষমতার পরিবর্তন ২০২৩ সালের আগেই : নূর

ছবি

প্রেসক্লাবের সামনে যুবদলের বিক্ষোভ সমাবেশ

ছবি

প্রতীক নিয়ে প্রচারণায় সরগরম নগরী

ছবি

সম্মেলন ঠেকাতেই কী ছাত্রদল দমন ইস্যু তৈরী জয়-লেখকের?

ছবি

যুবদলের নতুন সভাপতি টুকু, মোনায়েম মুন্না সা. সম্পাদক

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির ৬০ নেতার পদত্যাগ

ছবি

বিএনপি ঢাবিতে লাশ ফেলার ষড়যন্ত্র করছে : কাদের

ছবি

হোসেনপুর আওয়ামী লীগ সম্মেলনে সভাপতি নূরু সম্পাদক হলেন হালিম

ছবি

‘জনগণ বিএনপির উপর পরিপূর্ণ নির্ভরশীল নয়’

ছবি

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা ইমরানের

নয়াপল্টনে হঠাৎ বিএনপির মশাল মিছিল, ১০ নেতা–কর্মী আটক

ছবি

বাম জোট ভাঙ্গলো: জোটে থাকছেনা বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও গণসংহতি আন্দোলন

ছবি

আগামী ১ অক্টোবর চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন: হানিফ

বিএনপির যড়যন্ত্র রুখতে পাড়ায় পাড়ায় পাহারা বসান :কৃষিমন্ত্রী

ছবি

কুমিল্লায় ফিরে ‘বিদ্রোহী’ ইমরান বললেন ‘ভিন্ন কথা’

ছবি

পদ্মা সেতু হওয়ায় বিএনপি বুকে বড় জ্বালা: কাদের

ছবি

কুমিল্লার ‘বিদ্রোহী’ ইমরান ‘বসে যাবেন’, বলছে আ.লীগ

ছবি

‘মানুষের মুখে হাসি দেখলে বিএনপি নেতাদের মুখে কালো মেঘের ছায়া পড়ে’

ছবি

কুমিল্লা সিটি নির্বাচন: নৌকার বিদ্রোহীকে ডেকেছে আ.লীগ

ছবি

বিমানবন্দরে মির্জা আব্বাসকে হেনস্তার অভিযোগ

ছবি

প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন

ছবি

সখীপুর জাতীয় পার্টির উপজেলা ও পৌর আহবায়ক কমিটি

ছাত্রদল সভাপতিসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা : গ্রেপ্তার ২

খালেদাকে ‘টুস’ করে ফেলে দিতে চাওয়ায় ছাত্রদলের প্রতিবাদ

নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন , হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৪ নেতা অব্যাহতি

ছবি

কুমিল্লায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের নিবার্চনী প্রচারণায় অংশ না নিতে নির্দেশ

ছবি

সরকার বিএনপিকে এবার টোপে ফেলতে পারবে না: মোশাররফ

আগামী নির্বাচনে আ’লী এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে : ফখরুল

ছবি

শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে বিএনপি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: কাদের

মেয়র পদে ৬, কাউন্সিলরে ১৪৮ প্রার্থী বৈধ

ছবি

বিএনপি থেকে সাক্কুকে আজীবন বহিষ্কার

ছবি

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে যা বললেন মির্জা ফখরুল

ছবি

ফখরুলের প্রশ্ন : পদ্মা সেতু কি ওনাদের পৈতৃক সম্পত্তি দিয়ে বানানো হয়েছে

জামায়াত-শিবিরের ৪৯ নেতাকর্মী আটক

জাজিরার ৬ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে অর্ধশত, অন্য পদে ৩৬৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

tab

রাজনীতি

বিএনপিতে শৃঙ্খলার ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ পদক্ষেপ, দলে অসন্তোষ

ইসহাক আসিফ

সোমবার, ০৯ মে ২০২২

নানা কারণে বিএনপি নেতাদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। নিজেদের মধ্যে বাড়ছে দূরত্বও। যার ফলে দলটির কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে তৈরি হয়েছে বিশৃঙ্খল পরিবেশ। এসব পরিস্থিতিতে নেতাদের সতর্কের পাশাপাশি শোকজ ও বহিষ্কারের পথ বেছে নিয়েছে বিএনপি। দলটি এর মধ্যে অনেক নেতাকে শোকজ ও বহিষ্কারও করেছে।

তবে এসব বহিষ্কারাদেশ, শোকজ নোটিশ, দলীয় পদ-পদবি কেড়ে নেয়া, পদাবনতি দেয়া, আবার তা প্রত্যাহার করার বিষয়গুলো নিয়ে দলটির ভেতরেই দেখা দিয়েছে প্রশ্ন । অনেকে এসব কার্যক্রমকে দলটির ভেতরের ‘একটা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার্থে’ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করছেন।

কিন্তু সামনে দলটির উচ্চপর্যায়ের আরও নেতা শোকজ ও বহিষ্কারের পাল্লায় পড়তে যাচ্ছেন বলেই দলটির সূত্রে জানা গেছে।

দলটির নীতি-নির্ধারণী মহল থেকে বলা হচ্ছে, দলের ‘শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই’ এই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বিএনপির উঁচ্চপর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, গত এক বছরে সারা দেশে মূল দল এবং তার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে বহিষ্কারসহ নানা কারণে শোকজ নোটিশ দিয়েছে বিএনপি। বহিষ্কৃতদের অধিকাংশই দলীয় ‘শৃঙ্খলার পরিপন্থী’ কাজে জড়িত থাকার দায়ে দলটির গঠনতন্ত্রের ৫(গ) ধারা মোতাবেক প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার হন বলে বিএনপির দপ্তর থেকে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি এ রকম চিঠি পেয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ। কারণ গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তার নেতৃত্বে ‘পেশাজীবী’ সমাবেশ ও সেখানে তার বক্তব্য। শওকত মাহমুদ সেই সমাবেশে ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির’ দাবিতে সরকার পতনের ডাক দেন। সেখানে বক্তব্যের এক পর্যায়ে শওকত মাহমুদ বলেন, রাজনীতিবিদেরা যদি ‘ব্যর্থ হন, তাহলে পেশাজীবীরা গণ-অভ্যুত্থানের’ দায়িত্ব নেবেন।

শওকত মাহমুদের ‘সরকার পতনের ডাক’ এবং ‘ওই বক্তব্যে’ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ হিসেবে মনে করে বিএনপি। তাই তার (শওকত) কাছে দলটি ব্যাখ্যা চেয়েছে। গত ৬ এপ্রিল তার কাছে এ ব্যাখা চেয়েছে বিএনপি। দুই বছর আগেও একই ধরনের ঘটনায় দলীয় ‘শৃঙ্খলাবিরোধী’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল বলে বিএনপি জানিয়েছে।

একই দিন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি আশরাফউদ্দিন খান, চাঁদপুরের ইঞ্জিনিয়ার মোমিনুল ইসলামসহ আরও কয়েকজনকে কারণ দর্শানোর চিঠি দিয়েছে বিএনপি।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক থেকে সরিয়ে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য করেছে বিএনপি। অর্থাৎ এহছানুল হক মিলনের পদাবনতি হয়েছে। দলীয় এক সূত্রের দাবি, এহসানুল হক মিলন দীর্ঘদিন ধরে দলের কার্যক্রমে ‘নিষ্ক্রিয়’। তাই বিএনপি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসন থেকে এহসানুল হক মিলন মনোনয়ন পাননি। এরপর থেকেই দলের হাইকমান্ডের সঙ্গে তার দূরত্ব সৃষ্টি হয় বলে সূত্র জানায়।

শওকত মাহমুদ সংবাদকে জানান, তিনি সেই নোটিশের জবাব দিয়েছেন। কী জবাব দিয়েছেন, এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বিএনপি আমার জবাবে কি সিদ্ধান্ত জানাবে, সেই পরিপেক্ষিতে পরে কথা বলব। এই মুহূর্তে শোকজের জবাব গণমাধ্যমে বলতে চাই না।’

বিএনপি সরকার পতনের ডাকে কঠোর আন্দোলনে মাঠে নামতে চায়, কিন্তু দলীয় নেতাদের সে বিষয়ে বক্তব্যে দলটির বাধা কেন এমন প্রশ্নে শওকত মাহমুদ বলেন, ‘দলের (বিএনপি) মহাসচিব বলতে পারবেন কী কারণে বাধা; বিষয়টি একমাত্র তিনিই জানেন।’

এহসানুল হক মিলনকে অসংখ্যবার ফোন করেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

দলটির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেতাদের ‘শৃঙ্খলায় আনতে কঠোর অবস্থান’ নিয়েছেন। তিনি (তারেক) বিদেশ থেকেই চাচ্ছেন দলের ‘শৃঙ্খলা দৃঢ়তার সঙ্গে ধরে’ রাখতে। সে লক্ষ্যে তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘অতিরিক্ত ক্ষমাসুলভ আচরণে লাগাম টানার’ কৌশল নিয়েছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সংবাদকে বলেন, ‘যেকোন সময়, যেকোন নেতা শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করলে দল তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। আমাদের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যেকোন মূল্যে দলের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চান।’

আর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিএনপির সেøাগান হচ্ছে, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। এখানে ব্যক্তি কোন ফ্যাক্টর নয়। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রাধান্য দিচ্ছেন দলের মধ্যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায়। দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে সে যত বড় নেতাই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

back to top