মোসাদ্দেক সৈকত ও এনামুল বিজয়
বিপিএল ১২তম আসরের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।
প্রায় ১২ বছর পর বিপিএলে নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দুই আসর ২০১২ ও ২০১৩ সালে নিলাম আয়োজন করা হয়েছিল। এরপর নয়টি আসরে ড্রাফট পদ্ধতিতে খেলোয়াড়দের দলে ভেড়ায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।
আসন্ন আসরে মোট ছয়টির দল অংশ নেবে। তবে প্রথমে জানানো হয়েছিল পাঁচ দলকে নিয়ে বিপিএলের ১২তম আসর আয়োজন করা হবে।
নতুন দল হিসেবে বিপিএলে যুক্ত হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। পুরাতন দল হিসেবে আছে দীর্ঘদিন ধরে খেলা রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটান্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
ইতোমধ্যে নিলামের জন্য স্থানীয় ও বিদেশি খেলোয়াড়দের তালিকা প্রকাশ করেছে বিপিএল গর্ভনিং কাউন্সিল।
খেলোয়াড়দের বিভিন্ন ক্যাটাগরি ও ভিত্তি মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে তারা।
স্থানীয় ক্রিকেটারদের ছয় ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ৫০ লাখ টাকা, ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ৩৫ লাখ টাকা, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ২২ লাখ টাকা, ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ১৮ লাখ টাকা, ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ১৪ লাখ টাকা, ‘এফ’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ১১ লাখ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে।
বিদেশি খেলোয়াড়দের পাঁচ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ ‘এ’ ক্যাটাগরি ৩৫ হাজার ডলার। এরপর ‘বি’ ক্যাটাগরি ২৫ হাজার, ‘সি’ ক্যাটাগরি ২০ হাজার, ‘ডি’ ক্যাটাগরি ১৫ হাজার, ‘ই’ ক্যাটাগরি ১০ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিপিএল গর্ভনিং কাউন্সিলের নিয়মনুসারে নিলামের আগে ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দুজন করে বাংলাদেশি এবং এক বা দুজন করে বিদেশি খেলোয়াড় দলে নিতে পারবে। ইতোমধ্যে সরাসরি চুক্তিতে কিছু খেলোয়াড় দলে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা।
নিলাম দুই ধাপে পরিচালিত হবে। স্থানীয় খেলোয়াড় দিয়ে শুরু হবে নিলাম। এরপর বিদেশি খেলোয়াড়দের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।
নিলাম থেকে প্রতি দল অন্তত ১২ জন ও সর্বোচ্চ ১৪ জন খেলোয়াড় নিতে পারবে। ৪.৫ কোটি টাকার বাজেটের মধ্যে দুটি সরাসরি চুক্তিসহ মোট ১৬ জন খেলোয়াড় নিবন্ধন করতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের।
খেলোয়াড়দের তিনটি কিস্তিতে টাকা দেওয়া হবে। সই করার পরে ২৫ শতাংশ, দলের শেষ লীগ ম্যাচের আগে ৫৫ শতাংশ এবং টুর্নামেন্ট শেষ হবার ৩০ দিনের মধ্যে বাকি ২০ শতাংশ। সব লেনদেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর বিধি মেনে হবে। নিলাম শেষ হবার ২৪ ঘন্টার মধ্যে চূড়ান্ত স্কোয়াড তালিকা জমা দিতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের।
ফিক্সিংয়ের অভিযুক্তরা
তালিকা থেকে বাদ
ফিক্সিংয়ের অভিযোগে সন্দেহভাজন বিজয়-সৈকতসহ ৭ ক্রিকেটার আসন্ন বিপিএল খেলোয়াড় নিলামের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। নিলামের জন্য শুরুতে ১৬৬ জন স্থানীয় খেলোয়াড়ের তালিকা দেয়া হয়েছিল। এছাড়া নিজে থেকে নাম সরিয়ে নিয়েছেন শামসুর রহমান শুভ। গত ২৬ নভেম্বর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে পাঠানো নিলামের প্রাথমিক তালিকার ‘সি’ ক্যাটাগরি থেকে বাদ পড়েছেন অভিজ্ঞ দুই তারকা- ব্যাটার এনামুল হক বিজয় ও অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দুজনই বিপিএলে নিয়মিত মুখ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্বও করেছেন তারা। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রায় সব আসরেই নিয়মিত খেলে থাকেন দুজন।
ক্যাটাগরি ‘ডি’ থেকে বাদ পড়েছেন অলরাউন্ডার আলাউদ্দিন বাবু। ‘ই’ ক্যাটাগরি থেকে স্পিনার নিহাদুজ্জামান ও বোলিং অলরাউন্ডার সানজামুল ইসলাম নেই। নাম নেই ‘এফ’ ক্যাটাগরিতে থেকে পেসার শফিউল ইসলাম সোহান ও ব্যাটার মিজানুর রহমানের।
‘ফিক্সিংয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। আমাদের পরামর্শদাতা অ্যালেক্স মার্শাল তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করার পর এই সুপারিশ করেছেন,’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বিসিবি কর্মকর্তা জানান।
‘খেলোয়াড় ছাড়াও অভিযুক্ত আরও অনেকে আছে, যেমন- দলের কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে কেউ যদি এই বছর কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিতে কাজ করে থাকে, তাহলে আমরা তাদের জন্য অ্যাক্রেডিটেশন (স্বীকৃতিপত্র) ইস্যু করবো না,’ তিনি যোগ করেছেন। চূড়ান্ত তালিকায় মোট ১৫৮ জন স্থানীয় খেলোয়াড় রয়েছে। বিদেশি খেলোয়াড়দের প্রাথমিক তালিকায় ছিল ২৪৫টি নাম। সেই তালিকা চূড়ান্ত করে এখনও প্রকাশ করা হয়নি। রোববার ঢাকার একটি হোটেলে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।
নিলামে নিজের নাম না থাকা নিয়ে মোসাদ্দেক বলেছেন, ‘আমি ড্রাফটে যখন নিজের নাম নেই দেখলাম স্বাভাবিকভাবে অবাক হয়েছি। ফেসবুকে এবং গণমাধ্যমেও দেখলাম আমাদের অভিযুক্ত করা হচ্ছে।’
এখন পর্যন্ত প্রতিটি দলের নিশ্চিত হওয়া খেলোয়াড় তালিকা
ঢাকা ক্যাপিটালস : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান। সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: অ্যালেক্স হেলস (ইংল্যান্ড), উসমান খান (পাকিস্তান)।
রংপুর রাইডার্স : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: মোস্তাফিজুর রহমান, নুরুল হাসান সোহান।
চট্টগ্রাম রয়্যালস : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: শেখ মেহেদী হাসান, তানভীর ইসলাম। সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: আবরার আহমেদ (পাকিস্তান)।
নোয়াখালী এক্সপ্রেস : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: সৌম্য সরকার, হাসান মাহমুদ। সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: কুসল মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা), জনসন চার্লস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।
সিলেট টাইটান্স : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ। সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: মোহাম্মদ আমির (পাকিস্তান), সাইম আইয়ুব (পাকিস্তান)।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত। সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: শাহিবজাদা ফারহান ও মোহাম্মদ নাওয়াজ(পাকিস্তান)।
গত বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে খেলা এই ক্রিকেটার জানান, ‘সবার আগে আমি বিসিবির সাথে যোগাযোগ করেছিলাম সবাইকে ফোন করেছি কেউ ফোন রিসিভ করেনি। তারা রেসপন্স না করলে আমরা আসলে বুঝবো কীভাবে। সবাইকে ফোন করেছি কেউ ফোন রিসিভ করেনি।
আমার মেইন পদক্ষেপ হচ্ছে কেন ড্রাফটে রাখা হয়নি সেটা ক্লিয়ার হওয়ার চেষ্টা করা। বিসিবির সঙ্গে কথা বলার পর আমি এটা নিয়ে কথা বলতে পারব।’
ইপেপার
জাতীয়
সারাদেশ
আন্তর্জাতিক
নগর-মহানগর
খেলা
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
শিক্ষা
অর্থ-বাণিজ্য
সংস্কৃতি
ক্যাম্পাস
মিডিয়া
অপরাধ ও দুর্নীতি
রাজনীতি
শোক ও স্মরন
প্রবাস
নারীর প্রতি সহিংসতা
বিনোদন
সম্পাদকীয়
উপ-সম্পাদকীয়
মুক্ত আলোচনা
চিঠিপত্র
পাঠকের চিঠি
মোসাদ্দেক সৈকত ও এনামুল বিজয়
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
বিপিএল ১২তম আসরের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।
প্রায় ১২ বছর পর বিপিএলে নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দুই আসর ২০১২ ও ২০১৩ সালে নিলাম আয়োজন করা হয়েছিল। এরপর নয়টি আসরে ড্রাফট পদ্ধতিতে খেলোয়াড়দের দলে ভেড়ায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।
আসন্ন আসরে মোট ছয়টির দল অংশ নেবে। তবে প্রথমে জানানো হয়েছিল পাঁচ দলকে নিয়ে বিপিএলের ১২তম আসর আয়োজন করা হবে।
নতুন দল হিসেবে বিপিএলে যুক্ত হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। পুরাতন দল হিসেবে আছে দীর্ঘদিন ধরে খেলা রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটান্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
ইতোমধ্যে নিলামের জন্য স্থানীয় ও বিদেশি খেলোয়াড়দের তালিকা প্রকাশ করেছে বিপিএল গর্ভনিং কাউন্সিল।
খেলোয়াড়দের বিভিন্ন ক্যাটাগরি ও ভিত্তি মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে তারা।
স্থানীয় ক্রিকেটারদের ছয় ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে। ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ৫০ লাখ টাকা, ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ৩৫ লাখ টাকা, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ২২ লাখ টাকা, ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ১৮ লাখ টাকা, ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ১৪ লাখ টাকা, ‘এফ’ ক্যাটাগরিতে ভিত্তি মূল্য ১১ লাখ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে।
বিদেশি খেলোয়াড়দের পাঁচ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ ‘এ’ ক্যাটাগরি ৩৫ হাজার ডলার। এরপর ‘বি’ ক্যাটাগরি ২৫ হাজার, ‘সি’ ক্যাটাগরি ২০ হাজার, ‘ডি’ ক্যাটাগরি ১৫ হাজার, ‘ই’ ক্যাটাগরি ১০ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিপিএল গর্ভনিং কাউন্সিলের নিয়মনুসারে নিলামের আগে ‘এ’ ও ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি দুজন করে বাংলাদেশি এবং এক বা দুজন করে বিদেশি খেলোয়াড় দলে নিতে পারবে। ইতোমধ্যে সরাসরি চুক্তিতে কিছু খেলোয়াড় দলে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা।
নিলাম দুই ধাপে পরিচালিত হবে। স্থানীয় খেলোয়াড় দিয়ে শুরু হবে নিলাম। এরপর বিদেশি খেলোয়াড়দের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।
নিলাম থেকে প্রতি দল অন্তত ১২ জন ও সর্বোচ্চ ১৪ জন খেলোয়াড় নিতে পারবে। ৪.৫ কোটি টাকার বাজেটের মধ্যে দুটি সরাসরি চুক্তিসহ মোট ১৬ জন খেলোয়াড় নিবন্ধন করতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের।
খেলোয়াড়দের তিনটি কিস্তিতে টাকা দেওয়া হবে। সই করার পরে ২৫ শতাংশ, দলের শেষ লীগ ম্যাচের আগে ৫৫ শতাংশ এবং টুর্নামেন্ট শেষ হবার ৩০ দিনের মধ্যে বাকি ২০ শতাংশ। সব লেনদেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর বিধি মেনে হবে। নিলাম শেষ হবার ২৪ ঘন্টার মধ্যে চূড়ান্ত স্কোয়াড তালিকা জমা দিতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের।
ফিক্সিংয়ের অভিযুক্তরা
তালিকা থেকে বাদ
ফিক্সিংয়ের অভিযোগে সন্দেহভাজন বিজয়-সৈকতসহ ৭ ক্রিকেটার আসন্ন বিপিএল খেলোয়াড় নিলামের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। নিলামের জন্য শুরুতে ১৬৬ জন স্থানীয় খেলোয়াড়ের তালিকা দেয়া হয়েছিল। এছাড়া নিজে থেকে নাম সরিয়ে নিয়েছেন শামসুর রহমান শুভ। গত ২৬ নভেম্বর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে পাঠানো নিলামের প্রাথমিক তালিকার ‘সি’ ক্যাটাগরি থেকে বাদ পড়েছেন অভিজ্ঞ দুই তারকা- ব্যাটার এনামুল হক বিজয় ও অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দুজনই বিপিএলে নিয়মিত মুখ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্বও করেছেন তারা। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রায় সব আসরেই নিয়মিত খেলে থাকেন দুজন।
ক্যাটাগরি ‘ডি’ থেকে বাদ পড়েছেন অলরাউন্ডার আলাউদ্দিন বাবু। ‘ই’ ক্যাটাগরি থেকে স্পিনার নিহাদুজ্জামান ও বোলিং অলরাউন্ডার সানজামুল ইসলাম নেই। নাম নেই ‘এফ’ ক্যাটাগরিতে থেকে পেসার শফিউল ইসলাম সোহান ও ব্যাটার মিজানুর রহমানের।
‘ফিক্সিংয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এই ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। আমাদের পরামর্শদাতা অ্যালেক্স মার্শাল তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করার পর এই সুপারিশ করেছেন,’ নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বিসিবি কর্মকর্তা জানান।
‘খেলোয়াড় ছাড়াও অভিযুক্ত আরও অনেকে আছে, যেমন- দলের কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে কেউ যদি এই বছর কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিতে কাজ করে থাকে, তাহলে আমরা তাদের জন্য অ্যাক্রেডিটেশন (স্বীকৃতিপত্র) ইস্যু করবো না,’ তিনি যোগ করেছেন। চূড়ান্ত তালিকায় মোট ১৫৮ জন স্থানীয় খেলোয়াড় রয়েছে। বিদেশি খেলোয়াড়দের প্রাথমিক তালিকায় ছিল ২৪৫টি নাম। সেই তালিকা চূড়ান্ত করে এখনও প্রকাশ করা হয়নি। রোববার ঢাকার একটি হোটেলে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।
নিলামে নিজের নাম না থাকা নিয়ে মোসাদ্দেক বলেছেন, ‘আমি ড্রাফটে যখন নিজের নাম নেই দেখলাম স্বাভাবিকভাবে অবাক হয়েছি। ফেসবুকে এবং গণমাধ্যমেও দেখলাম আমাদের অভিযুক্ত করা হচ্ছে।’
এখন পর্যন্ত প্রতিটি দলের নিশ্চিত হওয়া খেলোয়াড় তালিকা
ঢাকা ক্যাপিটালস : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান। সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: অ্যালেক্স হেলস (ইংল্যান্ড), উসমান খান (পাকিস্তান)।
রংপুর রাইডার্স : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: মোস্তাফিজুর রহমান, নুরুল হাসান সোহান।
চট্টগ্রাম রয়্যালস : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: শেখ মেহেদী হাসান, তানভীর ইসলাম। সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: আবরার আহমেদ (পাকিস্তান)।
নোয়াখালী এক্সপ্রেস : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: সৌম্য সরকার, হাসান মাহমুদ। সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: কুসল মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা), জনসন চার্লস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।
সিলেট টাইটান্স : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ। সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: মোহাম্মদ আমির (পাকিস্তান), সাইম আইয়ুব (পাকিস্তান)।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স : সরাসরি চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় খেলোয়াড়: তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত। সরাসরি চুক্তিবদ্ধ বিদেশি খেলোয়াড়: শাহিবজাদা ফারহান ও মোহাম্মদ নাওয়াজ(পাকিস্তান)।
গত বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে খেলা এই ক্রিকেটার জানান, ‘সবার আগে আমি বিসিবির সাথে যোগাযোগ করেছিলাম সবাইকে ফোন করেছি কেউ ফোন রিসিভ করেনি। তারা রেসপন্স না করলে আমরা আসলে বুঝবো কীভাবে। সবাইকে ফোন করেছি কেউ ফোন রিসিভ করেনি।
আমার মেইন পদক্ষেপ হচ্ছে কেন ড্রাফটে রাখা হয়নি সেটা ক্লিয়ার হওয়ার চেষ্টা করা। বিসিবির সঙ্গে কথা বলার পর আমি এটা নিয়ে কথা বলতে পারব।’