alt

সম্পাদকীয়

সাঙ্গু নদীর ঝুলন্ত সেতু সংস্কার করুন

: রোববার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীতে দু’বছর আগে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। এতে নদীর দুই পাড়ের হাজারো মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু বছর দুয়েক যেতে না যেতেই সেতুটি ভেঙে গেছে।

২০১৯-২১ অর্থবছ?রে ঝুলন্ত সেতুটি নির্মিত হয়। এটি বাংলাদে?শের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঝুলন্ত সেতু হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করে। সেতুটি সেখানকার পাঁচ হাজার মানুষের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের মাধ্যম তৈরি করেছিল। শুধু স্থানীয় বাসিন্দারাই যে সেতুর সুবিধা ভোগ করছিলেন তা নয়। দেশ-বিদেশের পর্যটক?দের কাছেও সেটা ছিল আকর্ষণীয়।

একটা সেতু বানানোর পর দুই বছরও টিকলো না, এর কারণটা কী। টেকসইভাবে সেতু নির্মাণ করা হলে সেটা দুই বছরও টিকবে না- এমনটা হতে পারে না বলে আমরা বিশ্বাস করতে চাই। জনগণের করের টাকায় সেতু তৈরি করা হবে, দু-এক বছর যেতে না যেতেই সেটা ভাঙবে। আর ভাঙলে আবার মেরামত করতে হবে। এই ভাঙাগড়ার অপসংস্কৃতি কি চলতেই থাকবে- এটা একটা প্রশ্ন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেকসই সেতু নির্মাণে বাংলাদেশের নিজস্ব কোনো ‘মানদন্ড’ নেই। বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এ দেশে সেতু নির্মাণ করা হয়ে থাকে। সেতু টেকসই না হওয়ার এটা একটা কারণ। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এখানে স্বাভাবিকভাবেই অনেক সেতু নির্মাণ করা হয়েছে বা হবে। দেশে নিজস্ব ‘ব্রিজ ডিজাইন স্ট্যান্ডার্ড’ থাকা জরুরি। দেশের বাতাস, তাপমাত্রা, আদ্রতাসহ পরিবেশের অন্যান্য উপাদানের কথা মাথায় রেখে নিজস্ব স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করতে হবে।

সাঙ্গু নদীর ঝুলন্ত সেতুটিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয়টি যেমন জড়িত, তেমনি এটি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণীয়। পর্যটকরা এটি দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন। পর্যটন খাত এতে লাভবান হয়। এসব বিষয় মাথায় রেখে কর্তৃপক্ষ টেকসইভাবে সেতুটি সংস্কারের ব্যবস্থা করবে এটি আমরা আশা করব।

ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনো পর্যায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। সেতু নির্মাণের পর এর রক্ষাণাবেক্ষণ ঠিকঠাকমতো করা হয়েছে কিনা সেটাও জানতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো গলদ থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

পরিবেশবান্ধব ইট ব্যবহারে চাই সচেতনতা

প্লাস্টিক কারখানার অবৈধ গ্যাসলাইন, ব্যবস্থা নিন

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্যালাইনের সরবরাহ নিশ্চিত করুন

চালতাবুনিয়ায় পাকা রাস্তা চাই

মানসিক অসুস্থতা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংস্কারে ব্যবস্থা নিন

রাজধানীতে বৃষ্টি কেন এত ভোগান্তি বয়ে আনল

কৃষিযন্ত্র বিতরণে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ আমলে নিন

নিত্যপণ্যের বেঁধে দেয়া দর কার্যকর করতে হবে

রেল যাত্রীদের সেবার মান বাড়ান

সড়কে চালকদের হয়রানির অভিযোগ আমলে নিন

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সমস্যা দূর করুন

অনুমোদনহীন তিন চাকার যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেশি মূল্যে খাবার কিনছে কেন

অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান সেকশন বন্ধ করতে হবে

নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস গাছ বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না কেন

ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু রোধে চাই সচেতনতা

ওজোন স্তরের ক্ষয় প্রসঙ্গে

অগ্নিকান্ডের ঝুঁকি রোধে কোনো ছাড় নয়

বেদে শিশুদের শিক্ষা অর্জনের পথে বাধা দূর করুন

সড়কে ভারী যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে

সিসা দূষণ মোকাবিলায় ব্যবস্থা নিন

কম উচ্চতার সেতু বানানোর হেতু কী

জাংকফুডে স্বাস্থ্যঝুঁকি : মানুষকে সচেতন হতে হবে

কৃষক কেন পাটের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না

নন্দীগ্রামে নকল কীটনাশক বিক্রি বন্ধ করুন

বনভূমি রক্ষায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে

অবৈধ বালু তোলা বন্ধ করুন

গাইড-কোচিং নির্ভরতা কমানো যাচ্ছে না কেন

সংরক্ষিত বন রক্ষা করুন

মরক্কোতে ভয়াবহ ভূমিকম্প

শতভাগ সাক্ষরতা অর্জনে পাড়ি দিতে হবে অনেক পথ

ডেঙ্গু রোগ : মশারি ব্যবহারে অনীহা নয়

প্রকৃত উপকারভোগীদের বয়স্কভাতা কার্ড প্রাপ্তি নিশ্চিত করুন

ইবিতে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ আমলে নিন

কৃষককে পাটের ন্যায্যমূল্য দিতে হবে

tab

সম্পাদকীয়

সাঙ্গু নদীর ঝুলন্ত সেতু সংস্কার করুন

রোববার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বান্দরবানের থানচি উপজেলার সাঙ্গু নদীতে দু’বছর আগে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। এতে নদীর দুই পাড়ের হাজারো মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু বছর দুয়েক যেতে না যেতেই সেতুটি ভেঙে গেছে।

২০১৯-২১ অর্থবছ?রে ঝুলন্ত সেতুটি নির্মিত হয়। এটি বাংলাদে?শের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঝুলন্ত সেতু হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করে। সেতুটি সেখানকার পাঁচ হাজার মানুষের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের মাধ্যম তৈরি করেছিল। শুধু স্থানীয় বাসিন্দারাই যে সেতুর সুবিধা ভোগ করছিলেন তা নয়। দেশ-বিদেশের পর্যটক?দের কাছেও সেটা ছিল আকর্ষণীয়।

একটা সেতু বানানোর পর দুই বছরও টিকলো না, এর কারণটা কী। টেকসইভাবে সেতু নির্মাণ করা হলে সেটা দুই বছরও টিকবে না- এমনটা হতে পারে না বলে আমরা বিশ্বাস করতে চাই। জনগণের করের টাকায় সেতু তৈরি করা হবে, দু-এক বছর যেতে না যেতেই সেটা ভাঙবে। আর ভাঙলে আবার মেরামত করতে হবে। এই ভাঙাগড়ার অপসংস্কৃতি কি চলতেই থাকবে- এটা একটা প্রশ্ন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেকসই সেতু নির্মাণে বাংলাদেশের নিজস্ব কোনো ‘মানদন্ড’ নেই। বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এ দেশে সেতু নির্মাণ করা হয়ে থাকে। সেতু টেকসই না হওয়ার এটা একটা কারণ। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এখানে স্বাভাবিকভাবেই অনেক সেতু নির্মাণ করা হয়েছে বা হবে। দেশে নিজস্ব ‘ব্রিজ ডিজাইন স্ট্যান্ডার্ড’ থাকা জরুরি। দেশের বাতাস, তাপমাত্রা, আদ্রতাসহ পরিবেশের অন্যান্য উপাদানের কথা মাথায় রেখে নিজস্ব স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করতে হবে।

সাঙ্গু নদীর ঝুলন্ত সেতুটিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয়টি যেমন জড়িত, তেমনি এটি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণীয়। পর্যটকরা এটি দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন। পর্যটন খাত এতে লাভবান হয়। এসব বিষয় মাথায় রেখে কর্তৃপক্ষ টেকসইভাবে সেতুটি সংস্কারের ব্যবস্থা করবে এটি আমরা আশা করব।

ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনো পর্যায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। সেতু নির্মাণের পর এর রক্ষাণাবেক্ষণ ঠিকঠাকমতো করা হয়েছে কিনা সেটাও জানতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো গলদ থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

back to top