alt

সম্পাদকীয়

পুলিশ কেন নিখোঁজ ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে

: রোববার, ১৬ জানুয়ারী ২০২২

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গুম হওয়া বিভিন্ন ব্যক্তির স্বজনদের বাসায় গিয়ে জেরা করছে বা থানায় ডেকে পাঠাচ্ছে বলে জানা গেছে। এসব ব্যক্তিদের কারও কারও কাছ থেকে সাদা কাগজে সই নেয়ার অভিযোগও উঠেছে।

দেশে গুমের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দীর্ঘদিন আগে নিখোঁজ বা গুম হয়েছে এমন ব্যক্তিদের স্বজনদের বাড়ি বাড়ি এখন কেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাচ্ছে সেটা একটা প্রশ্ন।

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের অভিযোগ তুলে র‌্যাব বের বর্তমান ও সাবেক সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এর আগে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ গুম হওয়া ৩৪ ব্যক্তির বিষয়ে জানতে চেয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, স্বজনদের কাছে কোন কোন নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান চাচ্ছে পুলিশ। প্রশ্ন হচ্ছে, নিখোঁজ মানুষের সন্ধান দেয়ার দায়িত্ব কার। দেশের কোন মানুষ যদি হারিয়ে যায়, যে কারণেই হোক, কোন নাগরিককে যদি খুঁজে পাওয়া না যায় তবে তাকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।

গুম বা নিখোঁজের যেসব অভিযোগ পাওয়া যায় সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হয়েছে কিনা সেটা আমরা জানতে চাইব। ভুক্তভোগী স্বজনদের অভিযোগই যদি গ্রহণ করা না হয়, বরং তাদেরই হয়রানি করা হয় তাহলে গুম বা নিখোঁজ সমস্যার সমাধান হবে কীভাবে।

সমস্যা কার্পেটের নিচে লুকিয়ে রেখে সমাধান মিলবে না। কোন কোন ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ার পর স্বজনরা অভিযোগ করেন যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে উঠিয়ে নিয়ে গেছে। এ অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্য সুরাহা করতে হবে। ভুক্তভোগী মানুষ রাষ্ট্রের কাছে নিখোঁজ স্বজনের সন্ধান চায়, বেঁচে না থাকলে অন্তত লাশটা খুঁজে দিতে বলে। তাদের এই দাবি পূরণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।

নিখোঁজ বা গুমের শিকার ব্যক্তির স্বজনরা এমনিতেই নানা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। তাদের যেন নতুন করে কোন দুর্ভোগে ফেলা না হয় সেটা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।

নিরাপদ মাতৃত্ব

পণ্য পরিবহণে চাঁদাবাজি বন্ধ করুন

বিদ্যালয়ের মাঠ ভাড়া দেয়া প্রসঙ্গে

হালদা নদীর মাছ রক্ষায় ব্যবস্থা নিন

রাজধানীতে ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার কাজে বিলম্ব কেন

হাতিরঝিল রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন

যানজট নিরসনে স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপগুলোকে ভুললে চলবে না

বন্যাপরবর্তী পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে চাই সচেতনতা

সরকারি হাসপাতালে ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক করুন

মাঙ্কিপক্স : আতঙ্ক নয় সচেতনতা জরুরি

নির্মাণের তিন মাসের মধ্যে সেতু ভাঙার কারণ কী

শিক্ষা খাতে প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি

পরিবেশ দূষণ বন্ধে চাই সমন্বিত পদক্ষেপ

নারীর পোশাক পরার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ কেন

খাল দখলমুক্ত করুন

সিলেট নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে পরিকল্পিত পদক্ষেপ নিতে হবে

অবরুদ্ধ পরিবারটিকে মুক্ত করুন

নৌপথের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে

সড়ক থেকে তোরণ অপসারণ করুন

ইভটিজিং বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ চাই

খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ প্রসঙ্গে

সিলেটে বন্যা : দুর্গতদের পাশে দাঁড়ান

প্রান্তিক নারীদের ডিজিটাল সেবা প্রসঙ্গে

ভরা মৌসুমে কেন চালের দাম বাড়ছে

রংপুরের আবহাওয়া অফিসে রাডার বসানো হোক

রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে এখনই উদ্যোগ নিন

সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য মুক্ত গণমাধ্যম

নির্বিচারে পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

ভোজ্যতেলের সংকট কেন কাটছে না

সমবায় সমিতির নামে প্রতারণা বন্ধ করুন

সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত

সড়ক ধান মাড়াইয়ের স্থান হতে পারে না, বিকল্প খুঁজুন

পাসপোর্ট অফিসকে দালালমুক্ত করুন

খেলার মাঠেই কেন মেলার আয়োজন করতে হবে

যৌতুক প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

এমএলএম কোম্পানির নামে প্রতারণা

tab

সম্পাদকীয়

পুলিশ কেন নিখোঁজ ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে

রোববার, ১৬ জানুয়ারী ২০২২

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গুম হওয়া বিভিন্ন ব্যক্তির স্বজনদের বাসায় গিয়ে জেরা করছে বা থানায় ডেকে পাঠাচ্ছে বলে জানা গেছে। এসব ব্যক্তিদের কারও কারও কাছ থেকে সাদা কাগজে সই নেয়ার অভিযোগও উঠেছে।

দেশে গুমের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দীর্ঘদিন আগে নিখোঁজ বা গুম হয়েছে এমন ব্যক্তিদের স্বজনদের বাড়ি বাড়ি এখন কেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যাচ্ছে সেটা একটা প্রশ্ন।

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের অভিযোগ তুলে র‌্যাব বের বর্তমান ও সাবেক সাত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এর আগে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ গুম হওয়া ৩৪ ব্যক্তির বিষয়ে জানতে চেয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, স্বজনদের কাছে কোন কোন নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান চাচ্ছে পুলিশ। প্রশ্ন হচ্ছে, নিখোঁজ মানুষের সন্ধান দেয়ার দায়িত্ব কার। দেশের কোন মানুষ যদি হারিয়ে যায়, যে কারণেই হোক, কোন নাগরিককে যদি খুঁজে পাওয়া না যায় তবে তাকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।

গুম বা নিখোঁজের যেসব অভিযোগ পাওয়া যায় সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হয়েছে কিনা সেটা আমরা জানতে চাইব। ভুক্তভোগী স্বজনদের অভিযোগই যদি গ্রহণ করা না হয়, বরং তাদেরই হয়রানি করা হয় তাহলে গুম বা নিখোঁজ সমস্যার সমাধান হবে কীভাবে।

সমস্যা কার্পেটের নিচে লুকিয়ে রেখে সমাধান মিলবে না। কোন কোন ব্যক্তি নিখোঁজ হওয়ার পর স্বজনরা অভিযোগ করেন যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে উঠিয়ে নিয়ে গেছে। এ অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্য সুরাহা করতে হবে। ভুক্তভোগী মানুষ রাষ্ট্রের কাছে নিখোঁজ স্বজনের সন্ধান চায়, বেঁচে না থাকলে অন্তত লাশটা খুঁজে দিতে বলে। তাদের এই দাবি পূরণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।

নিখোঁজ বা গুমের শিকার ব্যক্তির স্বজনরা এমনিতেই নানা দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। তাদের যেন নতুন করে কোন দুর্ভোগে ফেলা না হয় সেটা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।

back to top