alt

সম্পাদকীয়

ওয়াশ প্লান্ট ব্যবহারে রেল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা

: বৃহস্পতিবার, ০৪ আগস্ট ২০২২

স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ট্রেন পরিষ্কার করার জন্য রাজশাহীতে বসানো হয়েছে ওয়াশিং প্ল্যান্ট। ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে গত বছরের ৮ নভেম্বর প্ল্যান্টটি উদ্বোধন করা হয়। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, অটোমেটিক ও ম্যানুয়াল- দুইভাবেই ব্যবহার করা এ প্ল্যান্টটিতে গড়ে ১০ মিনিটে ১৪ কোচের একটি ট্রেন পরিষ্কার করা যায়।

অত্যাধুনিক প্ল্যান্টটি পরিবেশবান্ধব ও ব্যয়সাশ্রয়ী। এটি প্রতিদিন কমপক্ষে এক লাখ লিটার পানি সাশ্রয় করতে পারে। ব্যবহৃত পানির ৭০ শতাংশই রি-সাইকেল করে ব্যবহারের উপযোগী করা যায়। কিন্তু সেখানে দিনে মাত্র একটি করে ট্রেন ওয়াশ করা হচ্ছে। বাকি আটটি ট্রেন ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ওয়াশ করে ঠিকাদারের কর্মীরা। এ নিয়ে গণমাধ্যমে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

শানটিং সমস্যার কারণে প্ল্যান্টটির সক্ষমতা অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া এখানে ট্রেনের শিডিউল ঠিক রেখে ওয়াশ করা যায় না। রেলের ওয়াশ প্লান্ট আছে কিন্তু সেটি সক্ষমতা অনুযায়ী ব্যবহার করা হচ্ছে না। এতে একদিকে যেমন রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ট্রেন ওয়াশ করেও টাকার অপচয় করা হচ্ছে। এর বাইরে নিশ্চয়ই ওয়াশ প্লান্টের রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখভাল করার জন্য খরচ করতে হচ্ছে। একই কাজের জন্য একাধিকভাবে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় করছে রেলওয়ে।

শুধু ওয়াশ প্লান্টই নয় বরং নানা ক্ষেত্রেই রেল কর্তৃপক্ষের এমন অর্থের অপচয় করতে বা সক্ষমতার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে উদাসীনতা দেখা যায়। অবকাঠামো এবং প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার করে কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্টদের অনীহা আছে।

আমরা বলতে চাই, ওয়াশ প্ল্যান্ট ব্যবহারে যেসব বাধা ও সমস্যা রয়েছে সেগেুলো দূর করতে হবে। এটির সক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার করতে হবে। রাষ্ট্রের অর্থ ও সময়ের অপচয় হোক আমরা তা চাই না। সবক্ষেত্রেই রেল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অবহেলার অবসান ঘটুক- সেটাই আমাদের চাওয়া।

পদ্মা সেতুর কাছে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে

নিত্যপণ্যের দাম : সাধারণ মানুষের কথা ভাবতে হবে

মহাসড়ক দখলমুক্ত করুন

পরিবহন শ্রমিকদের বেপরোয়া মনোভাব বদলাতে প্রশিক্ষণ দিতে হবে

সরকারি গাছ বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ আমলে নিন

আশুরা : ন্যায় ও আত্মত্যাগের প্রেরণা

বিএডিসির গুদাম সংকট

গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি বোঝার উপর শাকের আঁটি

জনশক্তি রপ্তানি ও দক্ষ লোকবল

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর এই চাপ মানুষ কি সামলাতে পারবে

ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করুন

সরকারি কর্তাব্যক্তিদের বিদেশ সফর প্রসঙ্গে

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ

মহাসড়ক প্রশস্ত করুন

হাসি ফুটুক কৃষকের মুখে

খাল রক্ষায় চাই জনসচেতনতা

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ প্রসঙ্গে

বুড়িগঙ্গার দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ নিন

সংখ্যালঘু নির্যাতনের কঠোর বিচার করুন

বাঘ রক্ষা করতে হলে সুন্দরবনকে বাঁচাতে হবে

মানবপাচার বন্ধে নতুন চ্যালেঞ্জ

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ান

চাই সুরক্ষিত রেলক্রসিং

হেপাটাইটিস প্রতিরোধে তৎপরতা বাড়ান

পুলিশের গুলিতে শিশু মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক

এনআইডি সংশোধন প্রসঙ্গে

বেড়েই চলেছে ডেঙ্গুজ্বর

পানিতে ডুবে মৃত্যু রোধে সচেতনতা বাড়াতে হবে

রাজধানীর প্রবেশমুখের যানজট নিরসনে ব্যবস্থা নিন

পর্যটকদের এই করুণ মৃত্যু কাম্য নয়

কারাগারে নির্যাতনের অভিযোগ আমলে নিন

ছিনতাইকারী আটক : পুলিশ ও সাধারণ মানুষের ভূমিকা

রেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনার দায় কর্তৃপক্ষ এড়াবে কীভাবে

সিলেট নগরীর জলাবদ্ধতা

এবার কি সরবে কাওরান বাজার

বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে কঠোর হোন

tab

সম্পাদকীয়

ওয়াশ প্লান্ট ব্যবহারে রেল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা

বৃহস্পতিবার, ০৪ আগস্ট ২০২২

স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ট্রেন পরিষ্কার করার জন্য রাজশাহীতে বসানো হয়েছে ওয়াশিং প্ল্যান্ট। ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে গত বছরের ৮ নভেম্বর প্ল্যান্টটি উদ্বোধন করা হয়। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, অটোমেটিক ও ম্যানুয়াল- দুইভাবেই ব্যবহার করা এ প্ল্যান্টটিতে গড়ে ১০ মিনিটে ১৪ কোচের একটি ট্রেন পরিষ্কার করা যায়।

অত্যাধুনিক প্ল্যান্টটি পরিবেশবান্ধব ও ব্যয়সাশ্রয়ী। এটি প্রতিদিন কমপক্ষে এক লাখ লিটার পানি সাশ্রয় করতে পারে। ব্যবহৃত পানির ৭০ শতাংশই রি-সাইকেল করে ব্যবহারের উপযোগী করা যায়। কিন্তু সেখানে দিনে মাত্র একটি করে ট্রেন ওয়াশ করা হচ্ছে। বাকি আটটি ট্রেন ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ওয়াশ করে ঠিকাদারের কর্মীরা। এ নিয়ে গণমাধ্যমে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

শানটিং সমস্যার কারণে প্ল্যান্টটির সক্ষমতা অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া এখানে ট্রেনের শিডিউল ঠিক রেখে ওয়াশ করা যায় না। রেলের ওয়াশ প্লান্ট আছে কিন্তু সেটি সক্ষমতা অনুযায়ী ব্যবহার করা হচ্ছে না। এতে একদিকে যেমন রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় হচ্ছে, অন্যদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ট্রেন ওয়াশ করেও টাকার অপচয় করা হচ্ছে। এর বাইরে নিশ্চয়ই ওয়াশ প্লান্টের রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখভাল করার জন্য খরচ করতে হচ্ছে। একই কাজের জন্য একাধিকভাবে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয় করছে রেলওয়ে।

শুধু ওয়াশ প্লান্টই নয় বরং নানা ক্ষেত্রেই রেল কর্তৃপক্ষের এমন অর্থের অপচয় করতে বা সক্ষমতার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে উদাসীনতা দেখা যায়। অবকাঠামো এবং প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার করে কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্টদের অনীহা আছে।

আমরা বলতে চাই, ওয়াশ প্ল্যান্ট ব্যবহারে যেসব বাধা ও সমস্যা রয়েছে সেগেুলো দূর করতে হবে। এটির সক্ষমতার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার করতে হবে। রাষ্ট্রের অর্থ ও সময়ের অপচয় হোক আমরা তা চাই না। সবক্ষেত্রেই রেল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অবহেলার অবসান ঘটুক- সেটাই আমাদের চাওয়া।

back to top