alt

মতামত » চিঠিপত্র

শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা

: বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শিক্ষাক্ষেত্রে স্মার্ট ক্লাসরুম, অনলাইন লার্নিং, ডিজিটাল কনটেন্ট ইত্যাদি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় ও সহজ করতে হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলবে এবং মূল্যায়ন শুধু পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে নয়, বরং শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা, শ্রেণিকক্ষের অংশগ্রহণ, নৈতিক মূল্যবোধ ও ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা উচিত। এতে প্রকৃত জ্ঞানার্জনের মান বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে প্রতিটি স্তরে কারিগরি ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা চালু করা জরুরি, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক সংখ্যা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাসামগ্রীর ঘাটতি দূর করা প্রয়োজন।

তাছড়া সরকারকে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠন, দেশপ্রেম, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ শেখানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষায় দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করতে হবে, পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের সুযোগও দিতে হবে। এছাড়া আরবি, জাপানি, ফারসি ও ফরাসি ভাষা শেখার সুযোগ বৃদ্ধি করা হলে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে এবং বেকারত্ব কমবে। প্রকৃত শিক্ষা শুধুমাত্র বই পড়া বা পরীক্ষার ভালো ফল নয়, বরং তা হলো মানুষকে দক্ষ, নৈতিক, এবং সমাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা। তাই বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী, ব্যবহারিক ও দক্ষতাভিত্তিক করে গড়ে তোলাই সময়ের দাবি।

তুহিন

শিক্ষার্থী, আইন ও ভূমি প্রশাসন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

প্রবীণদের সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি

পলিভিনাইলের ব্যবহার প্রতিরোধ জরুরি

বৈধ সনদধারীদের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি

টেকসই দুর্যোগ প্রস্তুতিতে জরুরি বাস্তব পদক্ষেপ প্রয়োজন

জলবায়ু পরিবর্তন ও নারী ও কিশোরীদের ঝুঁকি

মেধা হারাচ্ছে দেশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় : অযৌক্তিক ফি, সেশনজট ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলায় বিপর্যস্ত শিক্ষার্থী

সামাজিক মাধ্যমের ভুবনে জনতুষ্টিবাদের নতুন রূপ

ভেজাল খেজুরগুড় ও স্বাস্থ্যঝুঁকি

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনিক ক্যাডারের প্রয়োজনীয়তা

প্লাস্টিক বর্জ্যে মাছের মৃত্যু: সমাধান কোথায়

খোলা ম্যানহোল: ঢাকার রাজপথে এক নীরব মরণফাঁদ

গণপরিবহন: প্রতিদিনের যন্ত্রণার শেষ কবে?

ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের পুনর্জাগরণ

সাইবার বুলিং ও ভার্চুয়াল অপরাধ: তরুণদের অদৃশ্য বিপদ

ওয়াসার খোঁড়াখুঁড়িতে নগরজীবনের চরম ভোগান্তি

রাবি মেডিকেল সেন্টারের সংস্কার চাই

চিংড়ি শিল্পের পরিবেশগত প্রভাব

কক্সবাজার: উন্নয়নের পথে, বিপন্ন প্রকৃতি

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রেক্ষাপটে নতুন সম্ভাবনার ভোর

প্রাথমিক শিক্ষকদের বঞ্চনা দূর না হলে মানোন্নয়ন অসম্ভব

রাবির আবাসন সংকট

সব হাসপাতালে ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন সেবা চালু করা হোক

ডেঙ্গু মোকাবিলায় সচেতনতা

পানি সংকট: জীবন ও সভ্যতার জন্য বিরাট হুমকি

ই-লার্নিং: সীমান্তহীন শিক্ষার নতুন দিগন্ত

আজিমপুর কলোনির অব্যবস্থাপনা

জনস্বাস্থ্যের নীরব ঘাতক : তামাকজাত পণ্য

বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়: অবস্থান, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

ইন্দো-প্যাসিফিক রাজনীতি ও বাংলাদেশের সমুদ্রকৌশল

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট: দীর্ঘসূত্রতা ও ভোগান্তির শেষ কোথায়?

পুরান ঢাকার রাস্তাগুলোর বেহাল অবস্থা

নিরাপদ শিশু খাদ্য: জাতির ভবিষ্যতের প্রশ্ন

ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়: প্রতিদিনের দুঃস্বপ্ন

পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা

হেমন্ত আসে হিম কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে

tab

মতামত » চিঠিপত্র

শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

শিক্ষাক্ষেত্রে স্মার্ট ক্লাসরুম, অনলাইন লার্নিং, ডিজিটাল কনটেন্ট ইত্যাদি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় ও সহজ করতে হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলবে এবং মূল্যায়ন শুধু পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে নয়, বরং শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা, শ্রেণিকক্ষের অংশগ্রহণ, নৈতিক মূল্যবোধ ও ব্যবহারিক দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে মূল্যায়ন করা উচিত। এতে প্রকৃত জ্ঞানার্জনের মান বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে প্রতিটি স্তরে কারিগরি ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা চালু করা জরুরি, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করে কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক সংখ্যা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাসামগ্রীর ঘাটতি দূর করা প্রয়োজন।

তাছড়া সরকারকে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠন, দেশপ্রেম, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ শেখানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষায় দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করতে হবে, পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের সুযোগও দিতে হবে। এছাড়া আরবি, জাপানি, ফারসি ও ফরাসি ভাষা শেখার সুযোগ বৃদ্ধি করা হলে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে এবং বেকারত্ব কমবে। প্রকৃত শিক্ষা শুধুমাত্র বই পড়া বা পরীক্ষার ভালো ফল নয়, বরং তা হলো মানুষকে দক্ষ, নৈতিক, এবং সমাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা। তাই বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী, ব্যবহারিক ও দক্ষতাভিত্তিক করে গড়ে তোলাই সময়ের দাবি।

তুহিন

শিক্ষার্থী, আইন ও ভূমি প্রশাসন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

back to top