alt

মতামত » চিঠিপত্র

স্কুলে নির্যাতন: আদর্শের আড়ালে বাস্তবতা

: রোববার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

একজন শিশুর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রথম ও প্রধান ভিত্তি বিদ্যালয়। কিন্তু যখন কোনো বিদ্যালয় শিক্ষার্থীবান্ধব না হয়ে স্বার্থান্বেষী আচরণ করে, তখন সেখানে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বদলে জন্ম নেয় ঘৃণা ও হতাশা। চট্টগ্রাম আইডিয়াল হাই স্কুল তার নামের সঙ্গে থাকা ‘আদর্শ’-এর প্রতিফলন ঘটাতে ব্যর্থ হচ্ছে-এমন অভিযোগ করছে বিদ্যালয়টির অধিকাংশ শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। যারা বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট পড়তে চায় না, তাদের মানসিক নির্যাতন ও অশোভন আচরণের শিকার হতে হয়। বছরে চারবার শ্রেণি অভীক্ষা ও দুইবার টার্ম পরীক্ষা নেওয়া হয়, যা সরকারি নির্দেশনার পরিপন্থী। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং অভিভাবকদের কাছ থেকে ফি আদায় করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীরা যাতে বাইরের কোনো শিক্ষকের কাছে পড়তে না পারে, সে জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য বিদ্যালয়ের সঙ্গে পরীক্ষার সময়সূচির সমন্বয় করে না। ফলে বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য শিক্ষার্থীরা মাত্র তিন মাস সময় পায়। কিছু শিক্ষক পরীক্ষার প্রশ্ন আগেভাগে প্রাইভেট পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে, যা শিক্ষাব্যবস্থার জন্য চরম অশনিসংকেত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানায়, সে এই বিদ্যালয়ে আর পড়তে চায় না, কিন্তু নিবন্ধনের কারণে বাধ্য হয়ে থাকতে হচ্ছে। এক অভিভাবক জানান, সন্তানের বিদ্যালয় পরিবর্তনের চেষ্টা করেও জটিলতার কারণে সফল হতে পারছেন না। প্রশ্ন হলো-এই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা কি আদৌ কোনো আশার আলো দেখবে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এখনই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি।

সাগর আহমেদ

চট্টগ্রাম

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকূলীয় জনগণের ভূমিকা অপরিহার্য

ভোটারদের নিরাপত্তা চাই

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

ভাইরাল হওয়ার নেশা: তরুণ সমাজের নতুন সামাজিক চ্যালেঞ্জ

৫, ১০ টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা কেন?

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

লাগামহীন চিকিৎসা ব্যয়

জলবায়ু পরিবর্তন: আগামী প্রজন্মের হুমকি

পর্যটন শহরগুলো কেন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে

বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি: শহরের মানুষের নীরব আর্তনাদ

গণযোগাযোগ কোর্সে অপর্যাপ্ত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ

নদীকেন্দ্রিক পর্যটন: সম্ভাবনার অপমৃত্যু ও আমাদের দায়

tab

মতামত » চিঠিপত্র

স্কুলে নির্যাতন: আদর্শের আড়ালে বাস্তবতা

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

রোববার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬

একজন শিশুর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রথম ও প্রধান ভিত্তি বিদ্যালয়। কিন্তু যখন কোনো বিদ্যালয় শিক্ষার্থীবান্ধব না হয়ে স্বার্থান্বেষী আচরণ করে, তখন সেখানে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বদলে জন্ম নেয় ঘৃণা ও হতাশা। চট্টগ্রাম আইডিয়াল হাই স্কুল তার নামের সঙ্গে থাকা ‘আদর্শ’-এর প্রতিফলন ঘটাতে ব্যর্থ হচ্ছে-এমন অভিযোগ করছে বিদ্যালয়টির অধিকাংশ শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। যারা বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে প্রাইভেট পড়তে চায় না, তাদের মানসিক নির্যাতন ও অশোভন আচরণের শিকার হতে হয়। বছরে চারবার শ্রেণি অভীক্ষা ও দুইবার টার্ম পরীক্ষা নেওয়া হয়, যা সরকারি নির্দেশনার পরিপন্থী। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং অভিভাবকদের কাছ থেকে ফি আদায় করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীরা যাতে বাইরের কোনো শিক্ষকের কাছে পড়তে না পারে, সে জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য বিদ্যালয়ের সঙ্গে পরীক্ষার সময়সূচির সমন্বয় করে না। ফলে বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য শিক্ষার্থীরা মাত্র তিন মাস সময় পায়। কিছু শিক্ষক পরীক্ষার প্রশ্ন আগেভাগে প্রাইভেট পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে, যা শিক্ষাব্যবস্থার জন্য চরম অশনিসংকেত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানায়, সে এই বিদ্যালয়ে আর পড়তে চায় না, কিন্তু নিবন্ধনের কারণে বাধ্য হয়ে থাকতে হচ্ছে। এক অভিভাবক জানান, সন্তানের বিদ্যালয় পরিবর্তনের চেষ্টা করেও জটিলতার কারণে সফল হতে পারছেন না। প্রশ্ন হলো-এই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা কি আদৌ কোনো আশার আলো দেখবে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এখনই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি।

সাগর আহমেদ

চট্টগ্রাম

back to top