alt

মতামত » চিঠিপত্র

খেজুর রসে স্বাস্থ্যঝুঁকি

: সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

বাংলার শীতকাল মানেই খেজুরের রস। হাজার বছর ধরে খেজুরের রস খাদ্য সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে। এই রসে রয়েছে শর্করা, খনিজ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা আমাদের শরীরে শক্তি যোগায়, দুর্বলতা দূর করে ও কার্যকারিতা বাড়ায়। সব উপকারের পাশাপাশি কিছু সতর্কতার জায়গায়ও আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুর রসের হাঁড়িতে বাদুড় ও পোকামাকড়ের লালা বা মল মিশে নিপাহ ভাইরাসের মতো মারাত্মক জীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। বিশ্বে প্রথম ১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়া ও ২০০১ সালে বাংলাদেশে এ ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছিল। আইইডিসিআর এর তথ্যমতে, ২০০১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশে ৩০৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হলে জ্বর, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বমি দেখা দেয়। খোলা হাঁড়িতে রাখা রস দ্রুত ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। তাই অপরিশোধিত ও খোলা অবস্থায় সংগৃহীত কাঁচা রস সরাসরি পান করা ঝুঁকিপূর্ণ। পুরোপুরি বর্জন না করে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে পান করতে পারি। রস সংগ্রহের সময় হাঁড়ির চারপাশে প্রতিরক্ষামূলক আবরণ ব্যবহার করতে হবে। রস খাওয়ার আগে ভালো ভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। রাতের বেলায় বাদুড় তাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

খেজুর রসে উচ্চমাত্রায় চিনি থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের না খাওয়ায় উচিত। নিপাহ ভাইরাসের প্রতিশেধোক আবিষ্কার না হওয়ায় মৃত্যু ঝুঁকি বেশি।

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

জমির দলিলে ঘুষের অমানবিক চক্র

পরিত্যক্ত সরকারি গোডাউন

অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা রোধে কঠোর উদ্যোগ জরুরি

জামিন নিয়ে পলাতক থাকা মানেই ‘খুনি’ নয়

প্রাথমিক শিক্ষায় অবহেলার ধারা: তাড়াইলের বিদ্যালয়গুলোর চিত্র

সাগরভিত্তিক কৃষি: উপকূলীয় মানুষের অংশগ্রহণেই টেকসই সম্ভাবনা

সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকূলীয় জনগণের ভূমিকা অপরিহার্য

ভোটারদের নিরাপত্তা চাই

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

ভাইরাল হওয়ার নেশা: তরুণ সমাজের নতুন সামাজিক চ্যালেঞ্জ

৫, ১০ টাকার নোটের হতশ্রী অবস্থা কেন?

রাবিতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি

লাগামহীন চিকিৎসা ব্যয়

জলবায়ু পরিবর্তন: আগামী প্রজন্মের হুমকি

পর্যটন শহরগুলো কেন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে

বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি: শহরের মানুষের নীরব আর্তনাদ

গণযোগাযোগ কোর্সে অপর্যাপ্ত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ

নদীকেন্দ্রিক পর্যটন: সম্ভাবনার অপমৃত্যু ও আমাদের দায়

tab

মতামত » চিঠিপত্র

খেজুর রসে স্বাস্থ্যঝুঁকি

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলার শীতকাল মানেই খেজুরের রস। হাজার বছর ধরে খেজুরের রস খাদ্য সংস্কৃতির অংশ হয়ে আছে। এই রসে রয়েছে শর্করা, খনিজ, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা আমাদের শরীরে শক্তি যোগায়, দুর্বলতা দূর করে ও কার্যকারিতা বাড়ায়। সব উপকারের পাশাপাশি কিছু সতর্কতার জায়গায়ও আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুর রসের হাঁড়িতে বাদুড় ও পোকামাকড়ের লালা বা মল মিশে নিপাহ ভাইরাসের মতো মারাত্মক জীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। বিশ্বে প্রথম ১৯৯৯ সালে মালয়েশিয়া ও ২০০১ সালে বাংলাদেশে এ ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছিল। আইইডিসিআর এর তথ্যমতে, ২০০১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশে ৩০৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হলে জ্বর, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বমি দেখা দেয়। খোলা হাঁড়িতে রাখা রস দ্রুত ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। তাই অপরিশোধিত ও খোলা অবস্থায় সংগৃহীত কাঁচা রস সরাসরি পান করা ঝুঁকিপূর্ণ। পুরোপুরি বর্জন না করে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে পান করতে পারি। রস সংগ্রহের সময় হাঁড়ির চারপাশে প্রতিরক্ষামূলক আবরণ ব্যবহার করতে হবে। রস খাওয়ার আগে ভালো ভাবে ফুটিয়ে নিতে হবে। রাতের বেলায় বাদুড় তাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

খেজুর রসে উচ্চমাত্রায় চিনি থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের না খাওয়ায় উচিত। নিপাহ ভাইরাসের প্রতিশেধোক আবিষ্কার না হওয়ায় মৃত্যু ঝুঁকি বেশি।

back to top