alt

মতামত » চিঠিপত্র

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

প্রতি বছর ব্রেইল দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের সংগ্রাম, সম্ভাবনা ও অধিকার নিয়ে নতুন করে ভাবার দায়িত্ব। দৃষ্টিশক্তি না থাকলেও তারা মেধা, মনন ও আত্মশক্তিতে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। তবু বাস্তব জীবনে নানা সীমাবদ্ধতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তারা এখনো সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

বাস্তবতা হলো, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের সার্বিক উন্নয়নে বিগত সরকারের নানা উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও তাদের আর্থিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততায় এখনো বড় ধরনের ঘাটতি রয়ে গেছে। বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্রেইল বইয়ের তীব্র অপ্রতুলতা, প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংকট এবং প্রযুক্তিনির্ভর উপকরণের সীমিত প্রবেশাধিকার শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করছে। অন্যদিকে, কর্মক্ষেত্রে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও সুযোগের অভাবে তাদের আত্মনির্ভরতা অর্জনের পথও কণ্টকাকীর্ণ। অথচ উপযুক্ত সহায়তা, অনুকূল পরিবেশ ও সুযোগ পেলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরাও সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। এজন্য প্রয়োজন আমাদের মানসিকতায় আমূল পরিবর্তন। সহানুভূতির বদলে সহমর্মিতা, দয়ার বদলে অধিকার-এই মানসিকতার ভিত্তিতেই গড়ে উঠতে পারে একটি সত্যিকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ। রাষ্ট্র এবং গণমাধ্যমের সম্মিলিত উদ্যোগে ব্রেইল শিক্ষার সম্প্রসারণ, স্ক্রিন-রিডার উপযোগী কনটেন্টের প্রসার এবং বাস্তবভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো জরুরি।

আমাদের অঙ্গীকার হোক, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের কেবল সহানুভূতির চোখে দেখা নয়, বরং তাদের পাশে সহযোগিতার সম্মিলিত হাত বাড়িয়ে দেওয়া।

সাইদুল ইসলাম

শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

এনটিআরসিএর চূড়ান্ত নিয়োগ সুপারিশের পর শিক্ষকদের অটো এমপিওভুক্ত করা জরুরি

পৃথিবী বাঁচানোর লড়াইয়ে অণুজীব

ছবি

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশি ফলের ভূমিকা

রাস্তা সংস্কার চাই

নদী বাণিজ্য: শক্তি ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ

যন্ত্রের মেধা মানুষের হাত

দক্ষিণ কোরিয়ার ‘সফট পাওয়ার’ মডেলে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশি ফলের ভূমিকা

রাজনীতি হোক মানুষের জন্য, মানুষ নিয়ে নয়

দূরদর্শী সিদ্ধান্তে রক্ষা পেতে পারে শিক্ষাব্যবস্থা

সামাজিক আন্দোলন: প্রতিবাদ নাকি ট্রেন্ড?

নগর সভ্যতায় নিঃসঙ্গতার মহামারি

আবাসন সংকট

নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হোক কর্মসংস্থান

জেন্ডার-নিরপেক্ষ ন্যায়বিচার দরকার

নারী-পুরুষ বৈষম্য:সমাজে লুকানো চ্যালেঞ্জ

শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁস

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহে জনভোগান্তি

ভাষার মাসে বাংলা চর্চার অঙ্গীকার

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

tab

মতামত » চিঠিপত্র

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ জরুরি

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

প্রতি বছর ব্রেইল দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের সংগ্রাম, সম্ভাবনা ও অধিকার নিয়ে নতুন করে ভাবার দায়িত্ব। দৃষ্টিশক্তি না থাকলেও তারা মেধা, মনন ও আত্মশক্তিতে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। তবু বাস্তব জীবনে নানা সীমাবদ্ধতা ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে তারা এখনো সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

বাস্তবতা হলো, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের সার্বিক উন্নয়নে বিগত সরকারের নানা উদ্যোগ প্রশংসনীয় হলেও তাদের আর্থিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততায় এখনো বড় ধরনের ঘাটতি রয়ে গেছে। বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্রেইল বইয়ের তীব্র অপ্রতুলতা, প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংকট এবং প্রযুক্তিনির্ভর উপকরণের সীমিত প্রবেশাধিকার শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করছে। অন্যদিকে, কর্মক্ষেত্রে যথাযথ প্রশিক্ষণ ও সুযোগের অভাবে তাদের আত্মনির্ভরতা অর্জনের পথও কণ্টকাকীর্ণ। অথচ উপযুক্ত সহায়তা, অনুকূল পরিবেশ ও সুযোগ পেলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরাও সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। এজন্য প্রয়োজন আমাদের মানসিকতায় আমূল পরিবর্তন। সহানুভূতির বদলে সহমর্মিতা, দয়ার বদলে অধিকার-এই মানসিকতার ভিত্তিতেই গড়ে উঠতে পারে একটি সত্যিকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ। রাষ্ট্র এবং গণমাধ্যমের সম্মিলিত উদ্যোগে ব্রেইল শিক্ষার সম্প্রসারণ, স্ক্রিন-রিডার উপযোগী কনটেন্টের প্রসার এবং বাস্তবভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো জরুরি।

আমাদের অঙ্গীকার হোক, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের কেবল সহানুভূতির চোখে দেখা নয়, বরং তাদের পাশে সহযোগিতার সম্মিলিত হাত বাড়িয়ে দেওয়া।

সাইদুল ইসলাম

শিক্ষার্থী, ইংরেজি বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

back to top