alt

মতামত » চিঠিপত্র

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

: শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

বাংলাদেশে সরকারি প্রকল্পের টেন্ডার দুর্নীতি এখন আর নতুন কোনো বিষয় নয়। রাজধানীর আজিমপুরের গণপূর্ত প্রকল্পে পিপিআর ২০২৫ সংশোধনের পরও এলটিএম ও ওটিএম টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ ওঠা এটিই প্রমাণ করছে। ৭৭৪ কোটি টাকার এই প্রকল্পে নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে সুবিধা দেয়া, প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান বাতিল করা এবং শর্ত পরিবর্তনের ঘটনা দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতার প্রতিফলন।

টিআইবি ও বিশ্বব্যাংকের গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় অপচয় হয়; যার বড় অংশই ঘটে টেন্ডার পর্যায়ের কারসাজি ও প্রশাসনিক অনিয়মের কারণে। এর প্রভাব শুধু অর্থনৈতিক নয়; আজিমপুরের মতো উচ্চ জনঘনত্বপূর্ণ এলাকায় এটি নগর পরিবেশ, গাছপালা, পার্ক ও নাগরিক সেবার ওপরও চাপ সৃষ্টি করে।

সরকার ই-জিপি ও পিপিআর সংস্কারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ে জবাবদিহির অভাব প্রকল্পের সুফলকে সীমিত করছে। তাই এখন স্বাধীন তদারকি, প্রকৃত প্রতিযোগিতা এবং প্রকল্প অগ্রগতি ও ব্যয়ের তথ্য সর্বজনীন প্রকাশ অতীব জরুরি। তা না হলে উন্নয়ন বাজেটের বিপুল অর্থ কেবল অদক্ষ ব্যয়ে অপচয় হবে।

নাগরিকদের স্বার্থে এবং দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি রোধে অতিদ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

অর্জিতা সূত্রধর

এনটিআরসিএর চূড়ান্ত নিয়োগ সুপারিশের পর শিক্ষকদের অটো এমপিওভুক্ত করা জরুরি

পৃথিবী বাঁচানোর লড়াইয়ে অণুজীব

ছবি

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশি ফলের ভূমিকা

রাস্তা সংস্কার চাই

নদী বাণিজ্য: শক্তি ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ

যন্ত্রের মেধা মানুষের হাত

দক্ষিণ কোরিয়ার ‘সফট পাওয়ার’ মডেলে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশি ফলের ভূমিকা

রাজনীতি হোক মানুষের জন্য, মানুষ নিয়ে নয়

দূরদর্শী সিদ্ধান্তে রক্ষা পেতে পারে শিক্ষাব্যবস্থা

সামাজিক আন্দোলন: প্রতিবাদ নাকি ট্রেন্ড?

নগর সভ্যতায় নিঃসঙ্গতার মহামারি

আবাসন সংকট

নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হোক কর্মসংস্থান

জেন্ডার-নিরপেক্ষ ন্যায়বিচার দরকার

নারী-পুরুষ বৈষম্য:সমাজে লুকানো চ্যালেঞ্জ

শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁস

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহে জনভোগান্তি

ভাষার মাসে বাংলা চর্চার অঙ্গীকার

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

tab

মতামত » চিঠিপত্র

টেন্ডার দুর্নীতি ও করণীয়

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে সরকারি প্রকল্পের টেন্ডার দুর্নীতি এখন আর নতুন কোনো বিষয় নয়। রাজধানীর আজিমপুরের গণপূর্ত প্রকল্পে পিপিআর ২০২৫ সংশোধনের পরও এলটিএম ও ওটিএম টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ ওঠা এটিই প্রমাণ করছে। ৭৭৪ কোটি টাকার এই প্রকল্পে নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে সুবিধা দেয়া, প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান বাতিল করা এবং শর্ত পরিবর্তনের ঘটনা দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতার প্রতিফলন।

টিআইবি ও বিশ্বব্যাংকের গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় ২০-৩০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় অপচয় হয়; যার বড় অংশই ঘটে টেন্ডার পর্যায়ের কারসাজি ও প্রশাসনিক অনিয়মের কারণে। এর প্রভাব শুধু অর্থনৈতিক নয়; আজিমপুরের মতো উচ্চ জনঘনত্বপূর্ণ এলাকায় এটি নগর পরিবেশ, গাছপালা, পার্ক ও নাগরিক সেবার ওপরও চাপ সৃষ্টি করে।

সরকার ই-জিপি ও পিপিআর সংস্কারের মাধ্যমে স্বচ্ছতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ে জবাবদিহির অভাব প্রকল্পের সুফলকে সীমিত করছে। তাই এখন স্বাধীন তদারকি, প্রকৃত প্রতিযোগিতা এবং প্রকল্প অগ্রগতি ও ব্যয়ের তথ্য সর্বজনীন প্রকাশ অতীব জরুরি। তা না হলে উন্নয়ন বাজেটের বিপুল অর্থ কেবল অদক্ষ ব্যয়ে অপচয় হবে।

নাগরিকদের স্বার্থে এবং দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি রোধে অতিদ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

অর্জিতা সূত্রধর

back to top