alt

মতামত » চিঠিপত্র

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

: সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

কর প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে ই-ফাইলিং কার্যকর করা গেলে বছরে অতিরিক্ত প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা (২৪ বিলিয়ন ডলার) রাজস্ব আদায় সম্ভব। বর্তমানে রাজস্ব আদায়ের চেয়ে জনগণ অনেক বেশি কর দিচ্ছে, কিন্তু ফাঁকফোকরের কারণে সরকার সেই রাজস্ব পাচ্ছে না। একমাত্র প্রযুক্তির ব্যবহারই রাজস্ব লিকেজ বন্ধ করতে পারে। ই-ফাইলিং কার্যক্রম কেবল আংশিকভাবে বাস্তবায়ন করলেও বছরের মধ্যে ৬৭ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা আদায় সম্ভব। পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে রাজস্ব আয় প্রায় ১৯ লাখ কোটি টাকা হতে পারে।

বর্তমানে এনবিআরের ডিজিটালাইজেশন বিক্ষিপ্তভাবে হচ্ছে। কার্যক্রমগুলোর মধ্যে আন্তঃসংযোগ না থাকলে লিকেজ বন্ধ করা সম্ভব হবে না। ভারতের আধার এবং কেনিয়ার এম-পেসো কার্যক্রম এক্ষেত্রে উদাহরণ হতে পারে। রাজস্ব খাতে ডিজিটালাইজেশন সফল করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা অপরিহার্য। কর আদায়ে তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, সম্ভাব্য করদাতাদের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি বা ভয়ভীতি কমাতে হবে। এজন্য কর কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা সীমিত করা প্রয়োজন। ডিজিটালাইজেশন এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে, কারণ এটি করদাতা ও আদায়কারীর মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক কমিয়ে সেবা উন্নত করতে সাহায্য করে। দ্বিতীয়ত, ন্যায়নিষ্ঠা নিশ্চিত করা জরুরি। একই ধরনের আয়ের ওপর ভিন্ন ভিন্ন কর না দিতে পারলে রাজস্ব ন্যায্যভাবে আদায় করা সম্ভব হয় না। বাংলাদেশে অনেক আয় বৈধ না হলেও, ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করে ন্যায্য করের আওতায় আনা সম্ভব। তৃতীয়ত, শুধু আয় নয়, ব্যয়ের ক্ষেত্রেও ডিজিটালাইজেশন করতে হবে। রাজস্ব আহরণের জন্য করদাতাদের সেবার মাধ্যমে উৎসাহিত করতে হবে। রাজস্ব বৃদ্ধি এবং ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশন সফল করতে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং স্মার্ট পরিকল্পনা থাকা অপরিহার্য।

আব্বাসউদ্দিন আহমদ

ধোপাদিঘীর দক্ষিণ পাড়

সিলেট

এনটিআরসিএর চূড়ান্ত নিয়োগ সুপারিশের পর শিক্ষকদের অটো এমপিওভুক্ত করা জরুরি

পৃথিবী বাঁচানোর লড়াইয়ে অণুজীব

ছবি

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশি ফলের ভূমিকা

রাস্তা সংস্কার চাই

নদী বাণিজ্য: শক্তি ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ

যন্ত্রের মেধা মানুষের হাত

দক্ষিণ কোরিয়ার ‘সফট পাওয়ার’ মডেলে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশি ফলের ভূমিকা

রাজনীতি হোক মানুষের জন্য, মানুষ নিয়ে নয়

দূরদর্শী সিদ্ধান্তে রক্ষা পেতে পারে শিক্ষাব্যবস্থা

সামাজিক আন্দোলন: প্রতিবাদ নাকি ট্রেন্ড?

নগর সভ্যতায় নিঃসঙ্গতার মহামারি

আবাসন সংকট

নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হোক কর্মসংস্থান

জেন্ডার-নিরপেক্ষ ন্যায়বিচার দরকার

নারী-পুরুষ বৈষম্য:সমাজে লুকানো চ্যালেঞ্জ

শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁস

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহে জনভোগান্তি

ভাষার মাসে বাংলা চর্চার অঙ্গীকার

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

tab

মতামত » চিঠিপত্র

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কর প্রশাসনের ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে ই-ফাইলিং কার্যকর করা গেলে বছরে অতিরিক্ত প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা (২৪ বিলিয়ন ডলার) রাজস্ব আদায় সম্ভব। বর্তমানে রাজস্ব আদায়ের চেয়ে জনগণ অনেক বেশি কর দিচ্ছে, কিন্তু ফাঁকফোকরের কারণে সরকার সেই রাজস্ব পাচ্ছে না। একমাত্র প্রযুক্তির ব্যবহারই রাজস্ব লিকেজ বন্ধ করতে পারে। ই-ফাইলিং কার্যক্রম কেবল আংশিকভাবে বাস্তবায়ন করলেও বছরের মধ্যে ৬৭ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা আদায় সম্ভব। পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে রাজস্ব আয় প্রায় ১৯ লাখ কোটি টাকা হতে পারে।

বর্তমানে এনবিআরের ডিজিটালাইজেশন বিক্ষিপ্তভাবে হচ্ছে। কার্যক্রমগুলোর মধ্যে আন্তঃসংযোগ না থাকলে লিকেজ বন্ধ করা সম্ভব হবে না। ভারতের আধার এবং কেনিয়ার এম-পেসো কার্যক্রম এক্ষেত্রে উদাহরণ হতে পারে। রাজস্ব খাতে ডিজিটালাইজেশন সফল করতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা অপরিহার্য। কর আদায়ে তিনটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, সম্ভাব্য করদাতাদের মধ্যে বিশ্বাসের ঘাটতি বা ভয়ভীতি কমাতে হবে। এজন্য কর কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা সীমিত করা প্রয়োজন। ডিজিটালাইজেশন এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে, কারণ এটি করদাতা ও আদায়কারীর মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক কমিয়ে সেবা উন্নত করতে সাহায্য করে। দ্বিতীয়ত, ন্যায়নিষ্ঠা নিশ্চিত করা জরুরি। একই ধরনের আয়ের ওপর ভিন্ন ভিন্ন কর না দিতে পারলে রাজস্ব ন্যায্যভাবে আদায় করা সম্ভব হয় না। বাংলাদেশে অনেক আয় বৈধ না হলেও, ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করে ন্যায্য করের আওতায় আনা সম্ভব। তৃতীয়ত, শুধু আয় নয়, ব্যয়ের ক্ষেত্রেও ডিজিটালাইজেশন করতে হবে। রাজস্ব আহরণের জন্য করদাতাদের সেবার মাধ্যমে উৎসাহিত করতে হবে। রাজস্ব বৃদ্ধি এবং ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশন সফল করতে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং স্মার্ট পরিকল্পনা থাকা অপরিহার্য।

আব্বাসউদ্দিন আহমদ

ধোপাদিঘীর দক্ষিণ পাড়

সিলেট

back to top