alt

মতামত » চিঠিপত্র

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

: শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

আমরা বর্তমানে অবস্থান করছি এমন এক পৃথিবীতে যেখানে প্রতিটি দেশ তৈরি হচ্ছে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে । যেখানে অস্ত্র কথা বলবে দেশের হয়ে । এক দেশের মানুষ ছুঁড়বে আরেক দেশের মানুষের বুকে । অথচ আমরা উভয়ই এই পৃথিবীর মানুষ ।

রাশিয়া- ইউক্রেনে যুদ্ধ চলমান, থামেনি ইসরায়েল- গাঁজা যুদ্ধ, ইরান- ইসরায়েলে কাটেনি যুদ্ধের রেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুমকি দিচ্ছে ডেনমার্কের গ্রীনল্যান্ড দখলের, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতিকে তুলে এনেছে, ভারত- বাংলাদেশে চলছে সহিংসতা । প্রতিটি দেশ ঝুঁকে পড়ছে সামরিক অস্ত্র বাড়াতে । সব দেশের একটাই লক্ষ্য নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা । অন্য দেশকে নিজের প্রভাব প্রতিপত্তি দেখিয়ে ঠেসে রাখা । তৈরি হচ্ছে নতুন জোট,যুদ্ধে নিজেদের হয়ে কাজ করার ।

কিন্তু পৃথিবীর এই যুদ্ধকে থামানোর জন্য নেই তেমন কোন প্রস্তুতি । জাতিসংঘ যেন এ যুদ্ধের নিরব দর্শক । বড় বড় দেশগুলো এ সুযোগে বেঁচে নিচ্ছে যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির বানিজ্য । তবে চারদিকে যুদ্ধের দামামায় ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি এই পৃথিবী নিরাপদ ? নিজের শক্তির প্রতিযোগিতায় আমরা ভুলে গেছি সুকান্ত ভট্টাচার্যের অমর বানী ‘আমি এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব’ । আমরা কি আসলেই ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য একটা নিরাপদ পৃথিবী রেখে যাচ্ছি ? বাবা-মা’রা কি সত্যিই চাইবে এমন এক পৃথিবীতে তাঁদের সন্তান রেখে যেতে যেখানে ঘুম ভাঙে মিসাইলের শব্দে, যেখানে আকাশের চাঁদ দেখাতে যাওয়া মাকে দেখতে হয় যুদ্ধ বিমানের হুইসেল । তবে কি আমাদের উচিত নয় এগিয়ে আসার! প্রয়োজন নেই পৃথিবীবাসীকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের বানী শোনানোর, ‘আমি এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব।

মিজানুর রহমান

শিক্ষার্থী

মার্কেটিং বিভাগ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

এনটিআরসিএর চূড়ান্ত নিয়োগ সুপারিশের পর শিক্ষকদের অটো এমপিওভুক্ত করা জরুরি

পৃথিবী বাঁচানোর লড়াইয়ে অণুজীব

ছবি

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশি ফলের ভূমিকা

রাস্তা সংস্কার চাই

নদী বাণিজ্য: শক্তি ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ

যন্ত্রের মেধা মানুষের হাত

দক্ষিণ কোরিয়ার ‘সফট পাওয়ার’ মডেলে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দেশি ফলের ভূমিকা

রাজনীতি হোক মানুষের জন্য, মানুষ নিয়ে নয়

দূরদর্শী সিদ্ধান্তে রক্ষা পেতে পারে শিক্ষাব্যবস্থা

সামাজিক আন্দোলন: প্রতিবাদ নাকি ট্রেন্ড?

নগর সভ্যতায় নিঃসঙ্গতার মহামারি

আবাসন সংকট

নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হোক কর্মসংস্থান

জেন্ডার-নিরপেক্ষ ন্যায়বিচার দরকার

নারী-পুরুষ বৈষম্য:সমাজে লুকানো চ্যালেঞ্জ

শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁস

রাজনীতিতে সুবিধাবাদীদের দূরীকরণ এবং সঠিক সঙ্গী নির্বাচনের দাবি

ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহে জনভোগান্তি

ভাষার মাসে বাংলা চর্চার অঙ্গীকার

মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য-সচেতনতা হোক দায়িত্ব

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের নিঃসঙ্গ জীবন

একটা মোড়ের কত নাম

শহরের পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

র‌্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ

রেলপথ কি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে?

বাস্তবতার এক গল্প

কীর্তনখোলার আর্তনাদ

ভ্যাট-কর ও সাধারণ মানুষ

অযৌক্তিক ‘হ্যাঁ’ বনাম আত্মমর্যাদার ‘না’

নদীভাঙন ও গ্রামীণ উদ্বাস্তু জীবনের গল্প

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শহরে বৃক্ষনিধন : এক শ্বাসরুদ্ধকর ভবিষ্যৎ

জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহ প্রভাব

ই-ফাইলিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা

মূল্যস্ফীতি ও মধ্যবিত্তের নিত্যদিনের লড়াই

tab

মতামত » চিঠিপত্র

চারদিকে যুদ্ধের দামামা ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি পৃথিবী নিরাপদ

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন

শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আমরা বর্তমানে অবস্থান করছি এমন এক পৃথিবীতে যেখানে প্রতিটি দেশ তৈরি হচ্ছে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে । যেখানে অস্ত্র কথা বলবে দেশের হয়ে । এক দেশের মানুষ ছুঁড়বে আরেক দেশের মানুষের বুকে । অথচ আমরা উভয়ই এই পৃথিবীর মানুষ ।

রাশিয়া- ইউক্রেনে যুদ্ধ চলমান, থামেনি ইসরায়েল- গাঁজা যুদ্ধ, ইরান- ইসরায়েলে কাটেনি যুদ্ধের রেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুমকি দিচ্ছে ডেনমার্কের গ্রীনল্যান্ড দখলের, ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতিকে তুলে এনেছে, ভারত- বাংলাদেশে চলছে সহিংসতা । প্রতিটি দেশ ঝুঁকে পড়ছে সামরিক অস্ত্র বাড়াতে । সব দেশের একটাই লক্ষ্য নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা । অন্য দেশকে নিজের প্রভাব প্রতিপত্তি দেখিয়ে ঠেসে রাখা । তৈরি হচ্ছে নতুন জোট,যুদ্ধে নিজেদের হয়ে কাজ করার ।

কিন্তু পৃথিবীর এই যুদ্ধকে থামানোর জন্য নেই তেমন কোন প্রস্তুতি । জাতিসংঘ যেন এ যুদ্ধের নিরব দর্শক । বড় বড় দেশগুলো এ সুযোগে বেঁচে নিচ্ছে যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির বানিজ্য । তবে চারদিকে যুদ্ধের দামামায় ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য কি এই পৃথিবী নিরাপদ ? নিজের শক্তির প্রতিযোগিতায় আমরা ভুলে গেছি সুকান্ত ভট্টাচার্যের অমর বানী ‘আমি এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব’ । আমরা কি আসলেই ভবিষ্যৎ শিশুদের জন্য একটা নিরাপদ পৃথিবী রেখে যাচ্ছি ? বাবা-মা’রা কি সত্যিই চাইবে এমন এক পৃথিবীতে তাঁদের সন্তান রেখে যেতে যেখানে ঘুম ভাঙে মিসাইলের শব্দে, যেখানে আকাশের চাঁদ দেখাতে যাওয়া মাকে দেখতে হয় যুদ্ধ বিমানের হুইসেল । তবে কি আমাদের উচিত নয় এগিয়ে আসার! প্রয়োজন নেই পৃথিবীবাসীকে সুকান্ত ভট্টাচার্যের বানী শোনানোর, ‘আমি এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ্য করে যাব।

মিজানুর রহমান

শিক্ষার্থী

মার্কেটিং বিভাগ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

back to top