alt

মতামত » উপ-সম্পাদকীয়

রহমান ভার্সেস রহমান

জাঁ-নেসার ওসমান

: বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘কী রে ভাই এইবারের চলচ্চিত্র অনুদান পায়া আপনে অস্কার উনিং সিনেমা বানাইবেননি? ‘ক্র্যামার ভার্সেস ক্র্যামারের’ মতো “রহমান ভার্সেস রহমান”!

“রহমান ভার্সেস রহমান” অস্কার উনিং সিনেমা হবে কেন?’

রম্যগদ্য

দেখি, বাংলার মালিকরা কাকে দেশ চালানোর দায়িত্ব দেন? জনাব তারেক রহমানকে নাকি জনাব শফিকুর রহমানকে?

‘না কোই ১৯৭৯ সালে ডাস্টিন হফম্যান অভিনিত, রর্বাট বেনটোন পরিচালিত ‘ক্র্যামার ভার্সেস ক্র্যামার’ সিনেমার জন্য বেস্ট অ্যাক্টার অ্যাওয়ার্ড পাইছিল, তাই কোই আপনে আবার এইবারের চলচ্চিত্র অনুদান পায়া ওই রকম কুনো অস্কার উইনিং সিনেমা বানাইবেন নি, “রহমান ভার্সেস রহমান”?

‘তোর স্টেইনলি আর.জেফ প্রযোজিত ‘ক্র্যামার ভার্সেস ক্র্যামার’ চলচ্চিত্রের নায়িকা ছিলেন, মেরিল স্ট্রিপ, আর ওই সিনেমাতো পারিবারিক চলচ্চিত্র মি. ক্র্যামার ভার্সেস মিসেস. ক্র্যামার; আর আমার এখানে “রহমান ভার্সেস রহমান” মানেতো দুটোই জেনুইন ভদ্রলোক, এখানেতো কোনো মহিলা নাই!”

“না ভাবছিলাম আপনে তো আবার চলচ্চিত্রকর্মী, ‘মাছের রাজা ইলিশ, বাত্তির রাজা ফিলিপস’, ‘ইকোনো লিখে চমৎকার, এক কলমে মাইল পার’ কত্তোগুলা কালজয়ী বিজ্ঞাপন চলচ্চিত্র বানাইছেন, তাই এই “রহমান ভার্সেস রহমান” বুঝি ‘ক্র্যামার ভার্সেস ক্র্যামার’-এর মতো কালজয়ী সিনেমা হোইবো, মনে বড় আশা জাগছিল।”

‘আরে না, ‘মাছের রাজা ইলিশ, বাত্তির রাজা ফিলিপস’, ‘ইকোনো লিখে চমৎকার, এক কলমে মাইল পার’ এই সব বিজ্ঞাপন চলচ্চিত্র বাংলাদেশ টেলিভিশনে এক নাগাড়ে চৌদ্দ-পনের বছর প্রর্দশিত হয়েছে তাই তোর এইসব বিজ্ঞাপন ছবির কথা মনে আছে। কিন্তু আমার এবারের “রহমান ভার্সেস রহমান” কোনো সিনেমার টাইটেল নয়রে এটা হচ্ছে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের দুই সর্ব জনপ্রিয়, আপামর জনসাধারণের সর্বনন্দিত নেতা জনাব তারেক রহমান ও জনাব শফিকুর রহমান। আসন্ন নির্বাচনে এই দু’জনের ক্যাপ্টেনসির ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত কী হবে! তাই একটু রম্য কোরে লিখলাম “রহমান ভার্সেস রহমান” দেখি এবারের ত্রোয়দশ নির্বাচনে বাংলার জনগণ, বাংলার মালিক, মানে জনগণই প্রজাতন্ত্রের মালিক, অতএব দেখি, বাংলার মালিকরা কাকে দেশ চালানোর দায়িত্ব দেন? জনাব তারেক রহমানকে নাকি জনাব শফিকুর রহমানকে? তাই হেডিং’-এ, লিখলাম “রহমান ভার্সেস রহমান”।

‘ও মাইয়া আপনি এটা কী বলচেন যে, বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তো এই দুই নেতার দিকে চাতকপক্ষীর ন্যায় অবলোকন করিতেছে, ইনাদের সাহসী ও দক্ষ সিদ্ধান্ত আগামী বাংলাদেশকে এক অনন্য মাত্রায় পৌঁছে দেয়ার দোরগোড়ায়।’

‘কথাটা তুই ঠিকই বলেছিস, সাহসী সিদ্ধান্ত নেয়ার লক্ষে জনাব শফিকুর রহমান স্যার বলেছেন,“লুটেরাদের পেটে হাত ঢুকিয়ে পাচার হওয়া টাকা সব বের করে আনা হবে”।’

‘কিন্তু ভাই “লুটেরাদের পেটে হাত ঢুকিয়ে পাচার হওয়া টাকা সব বের করে আনালে, টাকার মধ্যে রক্তমক্ত, তাছাড়া রেকটামের ময়লা লেগে থাকবে না?”

‘ধুর বুড়বক বুঝিস না ক্যেনো, জনাব শফিকুর রহমান স্যার, অন্যায় রূপে যারা আমাদের দেশের টাকা উন্নয়নের নামে বিদেশে পাচার করেছে তাদের সব, অনৈতিক রূপে অর্জিত অর্থ সম্পদ ফেরৎ এনে যারা এই সব টাকার প্রকৃত মালিক মানে বাংলার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেবেন বলে বক্তব্য দিয়েছেন।”

‘শাব্বাস ভাই শাব্বাস, এই রকম সাহসী বক্তব্য বিগত চুয়ান্ন বছরেও কেও কখনো দেয় নাই।’

“আর বাংলার আপসহীন দেশনেত্রী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুপুত্র তারেক রহমান স্যার বলেছেন, “দেশের উন্নয়নে নারী-পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন।” বাংলাদেশের প্রায় পঞ্চাশভাগ নারী, তাই নারীদের সন্মান রক্ষায় জনাব তারেক রহমান দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ।’

‘ভাই অনেক ভেবে দেখলাম এবার সত্যিই “রহমান ভার্সেস রহমান”এ, নির্বাচনটা একটা উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করবে।”

‘ক্যেনো ক্যেনো, এ-কথা বলছিস ক্যানো? বিগতকালে নির্বাচনে তো, কেন্দ্র দখল, রাতের ভোট, ভোটকেন্দ্র বাতিল...”

‘না ভাই না, এবারে আর এসবের সুযোগ নাই। সব ভোটাররা শান্তিমতো ভোট দেবেন কারন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, কোন বিশৃঙ্খলাকারী এবার আর ছাড় পাবে না।”

‘ঠিক ঠিক তোর কথাটাই ঠিক। আর মজার ব্যাপার কি জানিস?’

‘কী গুরু, মজার বিষয়টা কী?’

‘মজার বিষয়টা হলো, আমাদের দুই রহমান স্যারের, মানে দুজনের সন্মানিত স্ত্রীই, ডাক্তার, দুজনেরই শ্বশুরবাড়ি সিলেট, দুজনেই দুটি রাজনৈতিক দলের প্রধান আর দুজনেরই নামের শেষে ‘রহমান’ তাই লিখলাম “রহমান ভার্সেস রহমান”।

‘গুরু আপনে পারেনও, দেখি এবারের নির্বাচনে বাংলার জনগই কোন রহমান স্যাররে বাইচ্ছা ন্যেয়।’

‘তোর মতোই সারা বাংলার জনগই এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে যে, দেখি কারা জনগনের রায়ে দেশ পরিচালনার সুযোগ পায়।”

‘কিন্তু গুরু বিদেশি বহির্শক্তিরা কোন রহমানরে সাপোর্ট কোরবো?”

‘ভাই তোর বিদেশি বহির্শক্তিকে বহির্নোঙগরে বসিয়ে রাখ, নির্বাচনের পরে দেখি তারা কোথায় ঠাঁই পায়।”

‘ওকে বর্তমানে বিদেশি বহির্শক্তিকে, বহির্নোঙরে বসিয়ে রেখে, অধীর আগ্রহে ওয়েটিং করি, ফর আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচন। দেখি জনগণ কোন দিকে যায়!’

[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

ধূমপান ছাড়ার জন্য উপযুক্ত সময়

বারুদের বাজারে শান্তির সেল

ডিগ্রির পাহাড় ও দক্ষতার মরুভূমি

নিরাপত্তার দৌড়ে খাদ্যের সুরক্ষা কোথায়?

নারীর অধিকার নিশ্চিত হলে সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব

কৃষিঋণ মওকুফ: কৃষকের স্বস্তি, বাস্তবায়নে দরকার সুশাসন

‘কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে ঠাস ঠাস!’

ইরানে হামলা: মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও পরিণতি

ঈদবাজারে ভোক্তার অসহায়ত্ব

নবযাত্রায় কেমন বাংলাদেশ চাই

আন্তর্জাতিক নারী দিবস

বড় চ্যালেঞ্জ হলো সুশাসন প্রতিষ্ঠা

নতুন গভর্নর অপরিহার্য ছিল

উত্তরবঙ্গের আদিবাসীদের বিবাহের রীতি ও প্রথা

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে বারুদ: বাংলাদেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ কী?

না হয় রহিতে কাছে!

আদিবাসী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ভূমি কমিশন কেন জরুরি?

উৎসবে মূল্যবৃদ্ধির চিত্র

জোর যার, মুল্লুক তার: সাম্রাজ্যের নতুন পোশাক

‘পানিয়ালীর পোলার বইমেলা’

আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট

নিঃশব্দ আর্তনাদ শোনার সময় এখনই

ইরান ইস্যুতে মহাশক্তির পরীক্ষা

ক্ষমতা, শৃঙ্খলা ও জনআস্থা: রাজনীতির নতুন পরীক্ষা

এলডিসি থেকে উত্তরণে কেন এত সংশয়

আক্রান্ত ইরান ও সভ্যতার সংকট

প্রসঙ্গ: পরশ্রীকাতরতা ও আমিত্ব

চাঁদাবাজি কি ‘সমঝোতা’?

গ্রেপ্তার করতে হলে তো দু’জনকেই করতে হবে!

উড়াল দিচ্ছি চাঁদে

আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত সংঘাত

জুলাই সনদ নিয়ে বিএনপির অস্বস্তি

নেশার কবলে গ্রামবাংলা

পুরনো সঞ্চয় নিয়ে ফিরে ফিরে শুধু বেচাকেনা আর চলিবে না!

ভাষাপ্রকৌশল ও কালচারাল হেজিমনি: শব্দের আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি

ক্ষমতার ছায়া ও সমাজের আয়না

tab

মতামত » উপ-সম্পাদকীয়

রহমান ভার্সেস রহমান

জাঁ-নেসার ওসমান

বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘কী রে ভাই এইবারের চলচ্চিত্র অনুদান পায়া আপনে অস্কার উনিং সিনেমা বানাইবেননি? ‘ক্র্যামার ভার্সেস ক্র্যামারের’ মতো “রহমান ভার্সেস রহমান”!

“রহমান ভার্সেস রহমান” অস্কার উনিং সিনেমা হবে কেন?’

রম্যগদ্য

দেখি, বাংলার মালিকরা কাকে দেশ চালানোর দায়িত্ব দেন? জনাব তারেক রহমানকে নাকি জনাব শফিকুর রহমানকে?

‘না কোই ১৯৭৯ সালে ডাস্টিন হফম্যান অভিনিত, রর্বাট বেনটোন পরিচালিত ‘ক্র্যামার ভার্সেস ক্র্যামার’ সিনেমার জন্য বেস্ট অ্যাক্টার অ্যাওয়ার্ড পাইছিল, তাই কোই আপনে আবার এইবারের চলচ্চিত্র অনুদান পায়া ওই রকম কুনো অস্কার উইনিং সিনেমা বানাইবেন নি, “রহমান ভার্সেস রহমান”?

‘তোর স্টেইনলি আর.জেফ প্রযোজিত ‘ক্র্যামার ভার্সেস ক্র্যামার’ চলচ্চিত্রের নায়িকা ছিলেন, মেরিল স্ট্রিপ, আর ওই সিনেমাতো পারিবারিক চলচ্চিত্র মি. ক্র্যামার ভার্সেস মিসেস. ক্র্যামার; আর আমার এখানে “রহমান ভার্সেস রহমান” মানেতো দুটোই জেনুইন ভদ্রলোক, এখানেতো কোনো মহিলা নাই!”

“না ভাবছিলাম আপনে তো আবার চলচ্চিত্রকর্মী, ‘মাছের রাজা ইলিশ, বাত্তির রাজা ফিলিপস’, ‘ইকোনো লিখে চমৎকার, এক কলমে মাইল পার’ কত্তোগুলা কালজয়ী বিজ্ঞাপন চলচ্চিত্র বানাইছেন, তাই এই “রহমান ভার্সেস রহমান” বুঝি ‘ক্র্যামার ভার্সেস ক্র্যামার’-এর মতো কালজয়ী সিনেমা হোইবো, মনে বড় আশা জাগছিল।”

‘আরে না, ‘মাছের রাজা ইলিশ, বাত্তির রাজা ফিলিপস’, ‘ইকোনো লিখে চমৎকার, এক কলমে মাইল পার’ এই সব বিজ্ঞাপন চলচ্চিত্র বাংলাদেশ টেলিভিশনে এক নাগাড়ে চৌদ্দ-পনের বছর প্রর্দশিত হয়েছে তাই তোর এইসব বিজ্ঞাপন ছবির কথা মনে আছে। কিন্তু আমার এবারের “রহমান ভার্সেস রহমান” কোনো সিনেমার টাইটেল নয়রে এটা হচ্ছে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের দুই সর্ব জনপ্রিয়, আপামর জনসাধারণের সর্বনন্দিত নেতা জনাব তারেক রহমান ও জনাব শফিকুর রহমান। আসন্ন নির্বাচনে এই দু’জনের ক্যাপ্টেনসির ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যত কী হবে! তাই একটু রম্য কোরে লিখলাম “রহমান ভার্সেস রহমান” দেখি এবারের ত্রোয়দশ নির্বাচনে বাংলার জনগণ, বাংলার মালিক, মানে জনগণই প্রজাতন্ত্রের মালিক, অতএব দেখি, বাংলার মালিকরা কাকে দেশ চালানোর দায়িত্ব দেন? জনাব তারেক রহমানকে নাকি জনাব শফিকুর রহমানকে? তাই হেডিং’-এ, লিখলাম “রহমান ভার্সেস রহমান”।

‘ও মাইয়া আপনি এটা কী বলচেন যে, বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তো এই দুই নেতার দিকে চাতকপক্ষীর ন্যায় অবলোকন করিতেছে, ইনাদের সাহসী ও দক্ষ সিদ্ধান্ত আগামী বাংলাদেশকে এক অনন্য মাত্রায় পৌঁছে দেয়ার দোরগোড়ায়।’

‘কথাটা তুই ঠিকই বলেছিস, সাহসী সিদ্ধান্ত নেয়ার লক্ষে জনাব শফিকুর রহমান স্যার বলেছেন,“লুটেরাদের পেটে হাত ঢুকিয়ে পাচার হওয়া টাকা সব বের করে আনা হবে”।’

‘কিন্তু ভাই “লুটেরাদের পেটে হাত ঢুকিয়ে পাচার হওয়া টাকা সব বের করে আনালে, টাকার মধ্যে রক্তমক্ত, তাছাড়া রেকটামের ময়লা লেগে থাকবে না?”

‘ধুর বুড়বক বুঝিস না ক্যেনো, জনাব শফিকুর রহমান স্যার, অন্যায় রূপে যারা আমাদের দেশের টাকা উন্নয়নের নামে বিদেশে পাচার করেছে তাদের সব, অনৈতিক রূপে অর্জিত অর্থ সম্পদ ফেরৎ এনে যারা এই সব টাকার প্রকৃত মালিক মানে বাংলার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেবেন বলে বক্তব্য দিয়েছেন।”

‘শাব্বাস ভাই শাব্বাস, এই রকম সাহসী বক্তব্য বিগত চুয়ান্ন বছরেও কেও কখনো দেয় নাই।’

“আর বাংলার আপসহীন দেশনেত্রী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুপুত্র তারেক রহমান স্যার বলেছেন, “দেশের উন্নয়নে নারী-পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন।” বাংলাদেশের প্রায় পঞ্চাশভাগ নারী, তাই নারীদের সন্মান রক্ষায় জনাব তারেক রহমান দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ।’

‘ভাই অনেক ভেবে দেখলাম এবার সত্যিই “রহমান ভার্সেস রহমান”এ, নির্বাচনটা একটা উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করবে।”

‘ক্যেনো ক্যেনো, এ-কথা বলছিস ক্যানো? বিগতকালে নির্বাচনে তো, কেন্দ্র দখল, রাতের ভোট, ভোটকেন্দ্র বাতিল...”

‘না ভাই না, এবারে আর এসবের সুযোগ নাই। সব ভোটাররা শান্তিমতো ভোট দেবেন কারন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, কোন বিশৃঙ্খলাকারী এবার আর ছাড় পাবে না।”

‘ঠিক ঠিক তোর কথাটাই ঠিক। আর মজার ব্যাপার কি জানিস?’

‘কী গুরু, মজার বিষয়টা কী?’

‘মজার বিষয়টা হলো, আমাদের দুই রহমান স্যারের, মানে দুজনের সন্মানিত স্ত্রীই, ডাক্তার, দুজনেরই শ্বশুরবাড়ি সিলেট, দুজনেই দুটি রাজনৈতিক দলের প্রধান আর দুজনেরই নামের শেষে ‘রহমান’ তাই লিখলাম “রহমান ভার্সেস রহমান”।

‘গুরু আপনে পারেনও, দেখি এবারের নির্বাচনে বাংলার জনগই কোন রহমান স্যাররে বাইচ্ছা ন্যেয়।’

‘তোর মতোই সারা বাংলার জনগই এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে যে, দেখি কারা জনগনের রায়ে দেশ পরিচালনার সুযোগ পায়।”

‘কিন্তু গুরু বিদেশি বহির্শক্তিরা কোন রহমানরে সাপোর্ট কোরবো?”

‘ভাই তোর বিদেশি বহির্শক্তিকে বহির্নোঙগরে বসিয়ে রাখ, নির্বাচনের পরে দেখি তারা কোথায় ঠাঁই পায়।”

‘ওকে বর্তমানে বিদেশি বহির্শক্তিকে, বহির্নোঙরে বসিয়ে রেখে, অধীর আগ্রহে ওয়েটিং করি, ফর আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচন। দেখি জনগণ কোন দিকে যায়!’

[লেখক: চলচ্চিত্রকার]

back to top