জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর দোল যাত্রার মেলায় পুতুল নাচের নামে অশ্লীলতা চলছিল। প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে এই কার্যক্রম চালানোর অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে উপজেলা প্রশাসন দুইটি পুতুল নাচের (ছায়াবাজি) প্যান্ডেল গুড়িয়ে দিয়েছে।
গোপীনাথপুরে ৫০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী দোল যাত্রার মেলা মাসব্যাপী চলে। মেলায় ঘোড়া, গরু, মহিষ, কসমেটিকস, মিষ্টান্নসহ বিভিন্ন পণ্যের ক্রয়-বিক্রয় হয়। তবে রমজান মাসে সাংস্কৃতিক ও বিনোদনের কোনো অনুমোদন ছিল না। ঈদের পর দিন থেকে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে যাত্রাপালার অনুমোদন দেয় জেলা প্রশাসন।
তবে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই মেলায় বিকেল থেকে দুইটি পুতুল নাচের (ছায়াবাজি) প্যান্ডেল চলছিল। সেখানে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শিত হচ্ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুরুল আলম পুলিশ ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে প্যান্ডেল দুটি গুড়িয়ে দেন। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে আয়োজকরা আগেই পালিয়ে যায়।
মেলা দেখতে আসা আমিনুর রহমান বলেন, "আমি পরিবার নিয়ে মেলায় ঘুরতে এসেছিলাম। এসে দেখি পুতুল নাচের ভেতরে অশ্লীল নাচ দেখানো হচ্ছে।"
মেলা কমিটির সভাপতি ও গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান জানান, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই পুতুল নাচের (ছায়াবাজি) আয়োজন করা হয়েছিল। অশ্লীলতার অভিযোগে প্যান্ডেল দুটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুরুল আলম বলেন, "প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে পুতুল নাচের নামে অশ্লীল নাচ চলছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই দুইটি প্যান্ডেল গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যাত্রার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তবে সেখানেও অশ্লীলতার অভিযোগ পেলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে।"
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর দোল যাত্রার মেলায় পুতুল নাচের নামে অশ্লীলতা চলছিল। প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে এই কার্যক্রম চালানোর অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে উপজেলা প্রশাসন দুইটি পুতুল নাচের (ছায়াবাজি) প্যান্ডেল গুড়িয়ে দিয়েছে।
গোপীনাথপুরে ৫০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী দোল যাত্রার মেলা মাসব্যাপী চলে। মেলায় ঘোড়া, গরু, মহিষ, কসমেটিকস, মিষ্টান্নসহ বিভিন্ন পণ্যের ক্রয়-বিক্রয় হয়। তবে রমজান মাসে সাংস্কৃতিক ও বিনোদনের কোনো অনুমোদন ছিল না। ঈদের পর দিন থেকে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে যাত্রাপালার অনুমোদন দেয় জেলা প্রশাসন।
তবে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই মেলায় বিকেল থেকে দুইটি পুতুল নাচের (ছায়াবাজি) প্যান্ডেল চলছিল। সেখানে অশ্লীল নৃত্য প্রদর্শিত হচ্ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুরুল আলম পুলিশ ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে প্যান্ডেল দুটি গুড়িয়ে দেন। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে আয়োজকরা আগেই পালিয়ে যায়।
মেলা দেখতে আসা আমিনুর রহমান বলেন, "আমি পরিবার নিয়ে মেলায় ঘুরতে এসেছিলাম। এসে দেখি পুতুল নাচের ভেতরে অশ্লীল নাচ দেখানো হচ্ছে।"
মেলা কমিটির সভাপতি ও গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান জানান, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই পুতুল নাচের (ছায়াবাজি) আয়োজন করা হয়েছিল। অশ্লীলতার অভিযোগে প্যান্ডেল দুটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুরুল আলম বলেন, "প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে পুতুল নাচের নামে অশ্লীল নাচ চলছিল। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই দুইটি প্যান্ডেল গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যাত্রার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, তবে সেখানেও অশ্লীলতার অভিযোগ পেলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে।"