পটুয়াখালী জেলা কারাগারের ব্যারাক থেকে মো. সাজেদুর রহমান (৪২) নামে এক কারারক্ষীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সহকর্মীরা ব্যারাকের একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান।
পটুয়াখালী সদর থানার সাব ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মৃত সাজেদুর রহমান শেরপুর জেলার বাসিন্দা।
কারাগার থেকে জানা গেছে, নিয়মিত রোল কলের সময় সাজেদুর রহমান অনুপস্থিত থাকায় সহকর্মীরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। পরে ব্যারাকে তার ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয়। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলে সিলিং ফ্যানে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তারা।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাজেদুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাব ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন বলেন, “হাসপাতালে সুরতহাল করার সময় তার গলায় দাগ দেখা গেছে এবং ঘটনাস্থলে ফ্যানে দড়ি বাঁধা ছিল।”
পটুয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মাহবুবুল আলম বলেন, “কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন তা নিশ্চিত হতে সহকর্মী ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।”
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহম্মেদ জানান, এ ঘটনায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
পটুয়াখালী জেলা কারাগারের ব্যারাক থেকে মো. সাজেদুর রহমান (৪২) নামে এক কারারক্ষীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সহকর্মীরা ব্যারাকের একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান।
পটুয়াখালী সদর থানার সাব ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মৃত সাজেদুর রহমান শেরপুর জেলার বাসিন্দা।
কারাগার থেকে জানা গেছে, নিয়মিত রোল কলের সময় সাজেদুর রহমান অনুপস্থিত থাকায় সহকর্মীরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। পরে ব্যারাকে তার ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয়। দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলে সিলিং ফ্যানে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তারা।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাজেদুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাব ইন্সপেক্টর ইসরাইল হোসেন বলেন, “হাসপাতালে সুরতহাল করার সময় তার গলায় দাগ দেখা গেছে এবং ঘটনাস্থলে ফ্যানে দড়ি বাঁধা ছিল।”
পটুয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মাহবুবুল আলম বলেন, “কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন তা নিশ্চিত হতে সহকর্মী ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।”
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহম্মেদ জানান, এ ঘটনায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।