ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে ‘রাতভর ধর্ষণের’ অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের অভিযোগে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত প্রতিবেশীর বাড়িতে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে।
স্থানীয়রা জানান, দুলাল ঈদের দিন বিকালে তার শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যাবার কথা বলে নিজের মেয়েকে দিয়ে পাশের বাড়ির ৯ বছর বয়সী মেয়েটিকে ডেকে নেয়। পরে নিজের মেয়েকেসহ ওই শিশুকে নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে যায়। পরে নিজের মেয়েকে শ্বশুর বাড়িতে রেখে ওই শিশুকে বাইরে নিয়ে গিয়ে ‘রাতভর ধর্ষণ’ করে। পরে মঙ্গলবার সকালে শিশুটিকে একটি ভ্যানে করে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে পৌঁছে দেন দুলাল। শিশুটি তার পরিবারকে জানায়, দুলাল তাকে রাতভর ‘ধর্ষণ’ করেছে।
উত্তেজিত গ্রামবাসী দুলালের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। পরে তারা মজিদকে আটক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা মজিদের দোকান ও বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।
ভুক্তভোগীর বড় বোন জানান, ‘‘দুলাল তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ঈদের দিন বিকালে শিশুটিকে নিয়ে।পরে সারা রাত আমার বোনের কোনো সন্ধান পাইনি। আজ সকালে দুলাল আমার বোনকে নিয়ে আসে। তখন আমরা দেখি বোন খুবই অসুস্থ। পরে সে জানায় দুলাল তাকে ধর্ষণ করেছে। আমার ভাইয়েরা দুলালকে ধরতে গেলে আতিক আর মজিদ দুলালকে সরিয়ে দেয়। পরে পুলিশ এসে মজিদকে ধরে নিয়ে যায়।”
পুলিশ সোমবার আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে বলে মুক্তাগাছা থানার পরিদর্শক রিপন চন্দ্র গোপ জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “মূল অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করায় মজিদ নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিম শিশুটিকে চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মূল অভিযুক্ত দুলাল পালিয়েছে। তাকে ধরার চেষ্টা এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।”
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে ‘রাতভর ধর্ষণের’ অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের অভিযোগে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত প্রতিবেশীর বাড়িতে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে।
স্থানীয়রা জানান, দুলাল ঈদের দিন বিকালে তার শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যাবার কথা বলে নিজের মেয়েকে দিয়ে পাশের বাড়ির ৯ বছর বয়সী মেয়েটিকে ডেকে নেয়। পরে নিজের মেয়েকেসহ ওই শিশুকে নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে যায়। পরে নিজের মেয়েকে শ্বশুর বাড়িতে রেখে ওই শিশুকে বাইরে নিয়ে গিয়ে ‘রাতভর ধর্ষণ’ করে। পরে মঙ্গলবার সকালে শিশুটিকে একটি ভ্যানে করে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে পৌঁছে দেন দুলাল। শিশুটি তার পরিবারকে জানায়, দুলাল তাকে রাতভর ‘ধর্ষণ’ করেছে।
উত্তেজিত গ্রামবাসী দুলালের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। পরে তারা মজিদকে আটক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা মজিদের দোকান ও বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।
ভুক্তভোগীর বড় বোন জানান, ‘‘দুলাল তার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ঈদের দিন বিকালে শিশুটিকে নিয়ে।পরে সারা রাত আমার বোনের কোনো সন্ধান পাইনি। আজ সকালে দুলাল আমার বোনকে নিয়ে আসে। তখন আমরা দেখি বোন খুবই অসুস্থ। পরে সে জানায় দুলাল তাকে ধর্ষণ করেছে। আমার ভাইয়েরা দুলালকে ধরতে গেলে আতিক আর মজিদ দুলালকে সরিয়ে দেয়। পরে পুলিশ এসে মজিদকে ধরে নিয়ে যায়।”
পুলিশ সোমবার আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে বলে মুক্তাগাছা থানার পরিদর্শক রিপন চন্দ্র গোপ জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “মূল অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করায় মজিদ নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিম শিশুটিকে চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মূল অভিযুক্ত দুলাল পালিয়েছে। তাকে ধরার চেষ্টা এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।”