alt

বাংলাদেশ

বজ্রপাতে ১০ বছরে ২,১৬৪ জন মারা গেছেন

২০১৮ সালে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ৩৫৯ জন, বজ্রপাত থেকে নিরাপদ রাখতে ১৮ দফা নির্দেশনা

ইবরাহীম মাহমুদ আকাশ : বুধবার, ০৪ আগস্ট ২০২১

বজ্রপাতে সারা দেশে গত ১০ বছরে ২ হাজার ১৬৪ জন মারা গেছেন। ২০১১ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বজ্রপাতের এই মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বার্তায়। এর মধ্যে সর্বাধিক ৩৫৯ জন মারা গেছে ২০১৮ সালে। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সাধারণত বছরের এপ্রিল, মে ও জুন-এই তিন মাসে বজ্রবৃষ্টি হয়। তবে এ বছর বুধবারই (৪ আগস্ট) চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। বজ্রপাত থেকে নিরাপদ রাখতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ১৮ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এতে বজ্রপাতের সময় টিনের চালা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঘটনায় বজ্রপাতের সময় নিহত সবাই টিনের চালার নিচেই অবস্থান নিয়েছিল। তাই হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ১৮ দফা নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে- ১. এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রবৃষ্টি বেশি হয়; বজ্রপাতের সময়সীমা সাধারণত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। এ সময়টুকু ঘরে অবস্থান করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ২. ঘন কালো মেঘ দেখা দিলে ঘরের বাহির না হওয়া। অতি জরুরি প্রয়োজনে রবারের জুতা পড়ে বাইরে বের হওয়া।

৩. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, খোলা মাঠ অথবা উঁচু স্থানে না থাকা। ৪. বজ্রপাতের সময় ধান খেত বা খোলা মাঠে থাকলে তাড়াতাড়ি পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে থাকা। ৫. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা ছাদের নিচে আশ্রয় নেয়া। টিনের চালা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা। ৬. উঁচু গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার বা ধাতব খুঁটি, মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা। ৭. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা বা জলাশয় থেকে দূরে থাকা। ৮. বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতর অবস্থান করলে, গাড়ির ধাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ না থাকা। সম্ভব হলে গাড়িটি নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নেয়া। ৯. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি ও বারান্দায় না থাকা। জানালা বন্ধ রাখা এবং ঘরের ভিতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকা। ১০. বজ্রপাতের সময় মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ল্যান্ডফোন, টিভি, ফ্রিজসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং এগুলো বন্ধ রাখা। ১১. বজ্রপাতের সময় ধাতব হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার না করা। জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করা। ১২. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখা এবং নিজেরাও বিরত থাকা। ১৩. বজ্রপাতের সময় ছাউনিবিহীন নৌকায় মাছ ধরা নিষেধ, তবে এ সময় সমুদ্র বা নদীতে থাকলে মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করা। ১৪. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ না করা। ১৫. প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্রনিরোধক দ- স্থাপন নিশ্চিত করা। ১৬. খোলা স্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালে বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যেতে বলা হয়েছে। ১৭. কোন বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ১৮. বজ্রপাতে কেউ আহত হলে বৈদ্যুতিক শকে আহতদের মতো করেই চিকিৎসা করতে হবে। প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসক ডাকতে হবে বা হাসপাতালে নিতে হবে। বজ্র আহত ব্যক্তির শাস-প্রশ্বাস ও হ্রদ স্পন্দন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এস এম ফেরদৌস সংবাদকে বলেন, ‘সারা দেশের বজ্রপাতের হতাহতের বিষয়ে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এ ছাড়া বজ্রপাত থেকে মানুষদের নিরাপদ রাখতে বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া হয়।’ এ নিয়ে একটি প্রকল্পের নেয়ার কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, বজ্রপাতের গত বছরে ২ হাজার ১৬৪ জন মুত্যুবরণ করেন। এর মধ্যে ২০১১ সালে ১৭৯ জন, ২০১২ সালে ২০১ জন, ২০১৩ সালে ১৮৫ জন, ২০১৪ সালে ১৭০ জন, ২০১৫ সালে ১৬০ জন, ২০১৭ সালে ৩০১ জন, ২০১৮ সালে ৩৫৯ জন, ২০১৯ সালে ১৬৮ জন ও ২০২০ সালে ২৩৬ জন মারা গেছেন।

আজ ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতি অ্যাপ-বেইসড ড্রাইভারস ইউনিয়নের

২৩ শতাংশ নারী শ্রমিক বিদেশ থেকে ফিরেছেন বছর পূর্ণ না হতেই

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে তালা মেরে মার্কেট বন্ধ করে দেয়ার অভিযোগ

ভাসানচর থেকে পালানোর সময় ৩৫ রোহিঙ্গা আটক

ছবি

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি বিষয়ক জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ছবি

অনলাইন ও অফলাইনে সেবা বাড়াচ্ছে ভিভো

ছবি

সাবেক ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ঢাবিতে ছাত্রলীগ নেতাকে পেটালেন আরেক সিনিয়র নেতা

ছবি

৬ দফা দাবিতে রাইড শেয়ার চালকদের কর্মবিরতি কাল

ছবি

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ,শিক্ষক নেতা আনোয়ারা সুলতানা মারা গেছেন

ছবি

মাদারীপুুরে ভুল চিকিৎসায় ইমামের মৃত্যুর অভিযোগ স্বজনদের

মুুন্সীগঞ্জে চাকরির খোঁজে বের হয়ে নিখোঁজ, লাশ মিলল ধলেশ্বরীর তীরে

ছবি

গবেষনাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে আখ্যায়িত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত

ছবি

পরীমণির জব্দকৃত ১৬ আলামত ফেরত দিতে সুপারিশ

ছবি

বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা ব্যতীত দেশের উন্নয়ন-অর্জনের ইতিহাস নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন জীবন্ত কিংবদন্তি: তথ্যমন্ত্রী

ছবি

দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা: পর্যবেক্ষণসহ আপিল বিভাগের নিষ্পত্তি

ছবি

আমরা আইনের ঊর্ধ্বে কোনো সরকার নই: পরিকল্পনামন্ত্রী

ছবি

হবিগঞ্জে প্রতারণার অভিযোগে চিকিৎসকসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জরিমানা

ছবি

গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ২

ছবি

নির্মাণাধীন ভবনের পাশে মিললো মালিকের লাশ

ছবি

হবিগঞ্জে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত

ছবি

জটিলতা কাটলো সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ নির্মাণে

ছবি

মান্দায় অবৈধভাবে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

ছবি

কক্সবাজারে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

সখীপুর থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ-যুবদল কর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

সোনারগাঁয়ে আবাদী জমি রক্ষায় মানববন্ধন

ছবি

রামেক হাসপাতালে আরও ৪ জনের মৃত্যু

ছবি

ফের শুরু হচ্ছে গণটিকা

ছবি

এম গার্লস নিয়ে আইকনিক ফ্যাশন গ্যারেজ

ছবি

নাটোরের সিংড়ায় বন্যার্তদের মাঝে হুয়াওয়ের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

ছবি

বইমেলায় সেরা পেমেন্ট গ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুরস্কৃত করলো বিকাশ

ছবি

আকাশ কিনে আরও তিন গ্রাহক টি-২০ বিশ্বকাপে

ছবি

ফেইসবুকের মাধ্যমে ৭০ বছর পর শতবর্ষী মা ফিরে পেলেন সন্তানকে

ছবি

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করবেন

tab

বাংলাদেশ

বজ্রপাতে ১০ বছরে ২,১৬৪ জন মারা গেছেন

২০১৮ সালে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ৩৫৯ জন, বজ্রপাত থেকে নিরাপদ রাখতে ১৮ দফা নির্দেশনা

ইবরাহীম মাহমুদ আকাশ

বুধবার, ০৪ আগস্ট ২০২১

বজ্রপাতে সারা দেশে গত ১০ বছরে ২ হাজার ১৬৪ জন মারা গেছেন। ২০১১ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বজ্রপাতের এই মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখ করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বার্তায়। এর মধ্যে সর্বাধিক ৩৫৯ জন মারা গেছে ২০১৮ সালে। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সাধারণত বছরের এপ্রিল, মে ও জুন-এই তিন মাসে বজ্রবৃষ্টি হয়। তবে এ বছর বুধবারই (৪ আগস্ট) চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। বজ্রপাত থেকে নিরাপদ রাখতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ১৮ দফা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এতে বজ্রপাতের সময় টিনের চালা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঘটনায় বজ্রপাতের সময় নিহত সবাই টিনের চালার নিচেই অবস্থান নিয়েছিল। তাই হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ১৮ দফা নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে- ১. এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রবৃষ্টি বেশি হয়; বজ্রপাতের সময়সীমা সাধারণত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। এ সময়টুকু ঘরে অবস্থান করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ২. ঘন কালো মেঘ দেখা দিলে ঘরের বাহির না হওয়া। অতি জরুরি প্রয়োজনে রবারের জুতা পড়ে বাইরে বের হওয়া।

৩. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, খোলা মাঠ অথবা উঁচু স্থানে না থাকা। ৪. বজ্রপাতের সময় ধান খেত বা খোলা মাঠে থাকলে তাড়াতাড়ি পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে থাকা। ৫. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা ছাদের নিচে আশ্রয় নেয়া। টিনের চালা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা। ৬. উঁচু গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার বা ধাতব খুঁটি, মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা। ৭. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা বা জলাশয় থেকে দূরে থাকা। ৮. বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতর অবস্থান করলে, গাড়ির ধাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ না থাকা। সম্ভব হলে গাড়িটি নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নেয়া। ৯. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি ও বারান্দায় না থাকা। জানালা বন্ধ রাখা এবং ঘরের ভিতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকা। ১০. বজ্রপাতের সময় মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ল্যান্ডফোন, টিভি, ফ্রিজসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার থেকে বিরত থাকা এবং এগুলো বন্ধ রাখা। ১১. বজ্রপাতের সময় ধাতব হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার না করা। জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করা। ১২. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখা এবং নিজেরাও বিরত থাকা। ১৩. বজ্রপাতের সময় ছাউনিবিহীন নৌকায় মাছ ধরা নিষেধ, তবে এ সময় সমুদ্র বা নদীতে থাকলে মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করা। ১৪. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ না করা। ১৫. প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্রনিরোধক দ- স্থাপন নিশ্চিত করা। ১৬. খোলা স্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালে বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যেতে বলা হয়েছে। ১৭. কোন বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ১৮. বজ্রপাতে কেউ আহত হলে বৈদ্যুতিক শকে আহতদের মতো করেই চিকিৎসা করতে হবে। প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসক ডাকতে হবে বা হাসপাতালে নিতে হবে। বজ্র আহত ব্যক্তির শাস-প্রশ্বাস ও হ্রদ স্পন্দন ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এস এম ফেরদৌস সংবাদকে বলেন, ‘সারা দেশের বজ্রপাতের হতাহতের বিষয়ে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এ ছাড়া বজ্রপাত থেকে মানুষদের নিরাপদ রাখতে বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া হয়।’ এ নিয়ে একটি প্রকল্পের নেয়ার কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, বজ্রপাতের গত বছরে ২ হাজার ১৬৪ জন মুত্যুবরণ করেন। এর মধ্যে ২০১১ সালে ১৭৯ জন, ২০১২ সালে ২০১ জন, ২০১৩ সালে ১৮৫ জন, ২০১৪ সালে ১৭০ জন, ২০১৫ সালে ১৬০ জন, ২০১৭ সালে ৩০১ জন, ২০১৮ সালে ৩৫৯ জন, ২০১৯ সালে ১৬৮ জন ও ২০২০ সালে ২৩৬ জন মারা গেছেন।

back to top