alt

অর্থ-বাণিজ্য

প্রণোদনার ঋণ পরিশোধের জন্য আরও বেশি সময় চায় বিজিএমইএ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা মহামারীর ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে আরও কিছু সুবিধা চাইছে।

সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচি থেকে যে ঋণ নিয়ে তারা শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছে, তা ফেরত দিতে আরও সময় চাইছে তারা।

আজ (১৪ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার কয়েকটি দাবি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে যায় শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর একটি প্রতিনিধি দল।

বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম মান্নান (কচি) নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে বৈঠক করেন।

রপ্তানিমুখী কারখানাগুলোকে পোশাক শ্রমিকদের বেতন বাবদ যে প্রণোদনা ঋণ সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তা পরিশোধে ১৮ কিস্তির পরিবর্তে ৩৬ কিস্তি নির্ধারণ করার দাবি জানান।

গত বছরের মার্চ মাসে দেশে করোনাভাইরাস মহামারীর প্রাদুর্ভাবের পর শিল্প খাতের জন্য প্রণোদনা কর্মসূচি ঘোষণা করে সরকার।

এর আওতায় শ্রমিকদের এপ্রিল, মে ও জুন মাসের বেতন পরিশোধ করতে ৪ শতাংশ সুদে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয় পোশাক খাতে। মালিকদের আবেদনে পরে জুলাই মাসে দেওয়া হয় আরও প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা।

২০২০ সালের এপ্রিল থেকে দেওয়া এসব প্রণোদনা ঋণের ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড ইতোমধ্যেই তিন দফায় অতিরিক্ত ছয় মাসেরও বেশি সময় বাড়ানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবারের বৈঠক নিয়ে বিজিএমইএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “এই সঙ্কটময় সময়ে তৈরি পোশাক শিল্পকে টিকিয়ে রাখার নিমিত্তে শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য প্রদত্ত ঋণ পরিশোধের কিস্তির সংখ্যা ১৮টির পরিবর্তে ৩৬টি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।”

বিজিএমইএ নেতারা রুগণ কিংবা বন্ধ ১৩৩টি তৈরি পোশাক কারখানাকে বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের মূল ঋণ ও আয় খাতে নিট সুদ অবসায়নের দাবিও জানিয়েছেন।

মহামারীর এই সময়ে যেসব উদ্যোক্তারা নিরাপদে ব্যবসা বন্ধ করতে চান, তাদের জন্য ‘চ্যাপ্টার ১১’ (দেউলিয়া ঘোষণার মতো) এর অনুরূপ ব্যবসা থেকে প্রস্থান নীতি প্রণয়নের জন্য সরকারকে অনুরোধ করেন তারা।

গত অর্থবছরের শেষ দুই মাসে পোশাক রপ্তানি কিছুটা পিছিয়ে গেলেও নতুন অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে একটু একটু করে প্রবৃদ্ধি অর্জন করা শুরু করেছে পোশাক রপ্তানি।

তবে বিজিএমইএ নেতারা বলছেন, তাদের সঙ্কট এখনও কাটেনি বলে তারা সরকারের দৃষ্টি চান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “দেশে কোভিড-১৯ মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে পোশাক শিল্পের কঠিন সময় দীর্ঘায়িত হয়েছে এবং শিল্প এখনও কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইউরোপসহ বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজারগুলো এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি।

“আশা করা হয়েছিল যে মহামারি পরিস্থিতির উন্নয়নের সাথে সাথে পোশাক শিল্প ঘুরে দাঁড়াতে সমর্থ হবে। কিন্তু নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ও সংক্রমণ শিল্পকে আবার নতুন করে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করেছে।”

বিজিএমইএর প্রতিনিধি দলে সংগঠনের সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) খন্দকার রফিকুল ইসলাম ও পরিচালক এম এহসানুল হক ছিলেন।

বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান এখন যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন।

ছবি

দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ২০০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন

ছবি

বাংলালিংক ইনোভেটর্স এর পঞ্চম পর্বের রেজিস্ট্রেশন শুরু

ছবি

সৌদি বাজারে ১৩৭ পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশ চায় বাংলাদেশ

বড় পতন শেয়ারবাজারে কমেছে সূচক, লেনদেন ও দর

টিসিবির ট্রাকে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু

ছবি

রেমিট্যান্সের ৫৬ শতাংশ এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে

বাংলাদেশকে তুলে ধরতে সুইজারল্যান্ডে রোড শো

পরিবেশ সুরক্ষায় ওয়ালটন কারখানায় এইচএফসি ফেজ আউট প্রকল্প বাস্তবায়ন

জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে এফবিসিসিআই প্রতিনিধিদল

ছবি

অনিয়মের কারণে বন্ধ হলো বিশ্বব্যাংকের ইজ অব ডুয়িং বিজনেস প্রতিবেদন

ছবি

অবশেষে অর্ডার নেয়া বন্ধ করলো ইভ্যালি

ছবি

ধামাকার কাছে ২০০ কোটি টাকা আটকে আছে সেলারদের

বিক্রয় চাপে লেনদেন মন্দা চলছে পুঁজিবাজারে

ছবি

জয়েন্ট স্টক ও বিএসইসি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ছিল

ছবি

ইভ্যালি বিষয়ে ২৬ অক্টোবর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে ই-ক্যাব

ছবি

ধামাকার কাছে ২০০ কোটি টাকা আটকে আছে সেলারদের

অবশেষে অর্ডার নেয়া বন্ধ করলো ইভ্যালি

ছবি

চিনির দাম নির্র্ধারণ হয়েছে তবে মিলছে না সেই দামে

সাপ্তাহিক লেনদেনের ২৩ শতাংশ ১০ কোম্পানির শেয়ারে

ছবি

অনিয়মের কারণে বন্ধ হলো বিশ্বব্যাংকের ইজ অব ডুয়িং বিজনেস প্রতিবেদন

সোনালী পেপারের ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা

ছবি

চাল রপ্তানিতে ৪৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ভারতের

ছবি

ধামাকার কাছে ২০০ কোটি টাকা ফেরত চান সেলাররা

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৪জনের মৃত্যু

ছবি

বিনিয়োগবান্ধব নীতির কারণেই রপ্তানিতে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছে ভিয়েতনাম

ছবি

করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতায় ব্যয় কমেছে ৫৬ কোটি টাকা

সামান্য পতনের সপ্তাহে ১১ হাজার কোটি টাকা মূলধন হারালো শেয়ারবাজার

ওটিসির ৪১ কোম্পানিকে এসএমই ও এটিবিতে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত

চালু হলো বিসিক অনলাইন মার্কেট

চালডালে দেশি বিদেশি ৮৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ

বাংলাদেশকে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা ভ্যাট দিল মাইক্রোসফট

ঘাটতি পূরণে আরও কয়েক মাস প্রয়োজন ছিল : ইভ্যালি

গ্যাসের তীব্র সংকটের কথা জানালেন টেক্সটাইল খাতের ব্যবসায়ীরা

ছবি

বাংলাদেশকে নতুন করে রি-ব্রান্ডিং এর আহ্বান বেসিস সভাপতির

ব্লক মার্কেটে ৪০ কোটি টাকার লেনদেন

ভুয়া ফেইসবুক আইডিতে নগদের নামে মিথ্যা প্রচার

tab

অর্থ-বাণিজ্য

প্রণোদনার ঋণ পরিশোধের জন্য আরও বেশি সময় চায় বিজিএমইএ

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকরা মহামারীর ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে আরও কিছু সুবিধা চাইছে।

সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচি থেকে যে ঋণ নিয়ে তারা শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছে, তা ফেরত দিতে আরও সময় চাইছে তারা।

আজ (১৪ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার কয়েকটি দাবি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে যায় শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর একটি প্রতিনিধি দল।

বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম মান্নান (কচি) নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলটি অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে বৈঠক করেন।

রপ্তানিমুখী কারখানাগুলোকে পোশাক শ্রমিকদের বেতন বাবদ যে প্রণোদনা ঋণ সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তা পরিশোধে ১৮ কিস্তির পরিবর্তে ৩৬ কিস্তি নির্ধারণ করার দাবি জানান।

গত বছরের মার্চ মাসে দেশে করোনাভাইরাস মহামারীর প্রাদুর্ভাবের পর শিল্প খাতের জন্য প্রণোদনা কর্মসূচি ঘোষণা করে সরকার।

এর আওতায় শ্রমিকদের এপ্রিল, মে ও জুন মাসের বেতন পরিশোধ করতে ৪ শতাংশ সুদে সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয় পোশাক খাতে। মালিকদের আবেদনে পরে জুলাই মাসে দেওয়া হয় আরও প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা।

২০২০ সালের এপ্রিল থেকে দেওয়া এসব প্রণোদনা ঋণের ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড ইতোমধ্যেই তিন দফায় অতিরিক্ত ছয় মাসেরও বেশি সময় বাড়ানো হয়েছে।

আজ মঙ্গলবারের বৈঠক নিয়ে বিজিএমইএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “এই সঙ্কটময় সময়ে তৈরি পোশাক শিল্পকে টিকিয়ে রাখার নিমিত্তে শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য প্রদত্ত ঋণ পরিশোধের কিস্তির সংখ্যা ১৮টির পরিবর্তে ৩৬টি করার উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।”

বিজিএমইএ নেতারা রুগণ কিংবা বন্ধ ১৩৩টি তৈরি পোশাক কারখানাকে বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের মূল ঋণ ও আয় খাতে নিট সুদ অবসায়নের দাবিও জানিয়েছেন।

মহামারীর এই সময়ে যেসব উদ্যোক্তারা নিরাপদে ব্যবসা বন্ধ করতে চান, তাদের জন্য ‘চ্যাপ্টার ১১’ (দেউলিয়া ঘোষণার মতো) এর অনুরূপ ব্যবসা থেকে প্রস্থান নীতি প্রণয়নের জন্য সরকারকে অনুরোধ করেন তারা।

গত অর্থবছরের শেষ দুই মাসে পোশাক রপ্তানি কিছুটা পিছিয়ে গেলেও নতুন অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে একটু একটু করে প্রবৃদ্ধি অর্জন করা শুরু করেছে পোশাক রপ্তানি।

তবে বিজিএমইএ নেতারা বলছেন, তাদের সঙ্কট এখনও কাটেনি বলে তারা সরকারের দৃষ্টি চান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “দেশে কোভিড-১৯ মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে পোশাক শিল্পের কঠিন সময় দীর্ঘায়িত হয়েছে এবং শিল্প এখনও কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ইউরোপসহ বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজারগুলো এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেনি।

“আশা করা হয়েছিল যে মহামারি পরিস্থিতির উন্নয়নের সাথে সাথে পোশাক শিল্প ঘুরে দাঁড়াতে সমর্থ হবে। কিন্তু নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ও সংক্রমণ শিল্পকে আবার নতুন করে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করেছে।”

বিজিএমইএর প্রতিনিধি দলে সংগঠনের সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম, সহ-সভাপতি (অর্থ) খন্দকার রফিকুল ইসলাম ও পরিচালক এম এহসানুল হক ছিলেন।

বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান এখন যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন।

back to top