alt

অর্থ-বাণিজ্য

পানিফল চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে সাতক্ষীরায়

মীর খায়রুল আলম, দেবহাটা (সাতক্ষীরা) : শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

পানিফল বা পানি সিংড়ার চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সাতক্ষীরার বিভিন্ন অঞ্চলে। কম খরচে এই ফল চাষ করে বেশি দামে বিক্রি করতে পারার সুযোগ থাকায় এই ফল চাষের দিকে ঝুঁকছে কৃষকরা। প্রতিবছর যে পরিমাণ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, তার চেয়ে বেশি চাষ হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের হিসাবে দেখা যায়, গতবছর পানিফল চাষের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৮ থেকে ২০ হেক্টর জমিতে। চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ধরা হয়েছে ২০ থেকে ২২ হেক্টর জমিতে। বিগত বছরের তুলনায় জেলার সব উপজেলার পাশাপাশি দেবহাটা উপজেলার সখিপুর, গাজিরহাট, কামটা, কোঁড়া, দেবহাটা, পারুলিয়া, কুলিয়া, বহেরাসহ বিভিন্ন এলাকায় চাষ করা হয়েছে।

এ চাষ ফসল চাষের জমি, ডোবা, খানা, মৎস্য ঘেরে সুবিধাজনক। সামান্য লবণাক্ত ও মিষ্টি পানিতে চাষ করার সুযোগ থাকায় দিনে দিনে চাষের পরিধি বেড়ে চলেছে। তাছাড়া পানিফলের গাছ দেখতে কচুড়িপানার মত পানির উপরে ভেসে থাকে, পাতার গোড়া থেকে শিকড়ের মত ডগা বের হয়ে বংশ বিস্তার করে এবং তা থেকে ফল ধারণ করে। পানিফল চাষে খুব বেশি প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় না, সার ও কীটনাশকের পরিমাণ কম লাগে।

উপজেলার পানিফল চাষি মোনাজাত সরদার বলেন, ‘গতবছর অল্প চাষ করছিলাম। এ বছর ৩ বিঘার বেশি জমিতে পানিফল চাষ করছি। ভালো ফলন হলে আগামিতে আরও বেশি জমিতে এ চাষ করবো।’

চাষিরা আরও বলেন, ‘পানিফল মৌসুমি ও অঞ্চলভিত্তিক হওয়ায় আমরা সঠিক মূল্য ও বাজার তৈরি করতে পারিনি। আমরা মনে করি, এটি দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মৌসুমি ফল বাণিজ্যিক হিসাবে ব্যাপক চাষের পাশপাশি মার্কেট তৈরি হবে।’

কামটা গ্রামের পানিফল ব্যবসায়ী খোকন বাবু সরদার জানান, চাষের মৌসুম আসার আগে তিনি অর্ধশতাধিক চাষিদের মাঝে অর্থ বিনিয়োগ করেন। পরবর্তীতে ফলন আসার পরে বাজার দর অনুযায়ী উৎপাদিত ফসল ক্রয় করেন। এভাবে ৭ থেকে ৮ বছর তিনি পানিফল ব্যবসায় নিয়োজিত আছেন। প্রতিদিন তিনি ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, বরগুনা, চিটাগাং, সিলেট, রাজশাহী, বেনাপোল, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এ ফল রপ্তানি করেন। বর্তমান জেলার বাইরের বাজারে ৪০০-৬০০ টাকা মণ দরে পাইকারি বিক্রি করছেন। তাছাড়া স্থানীয় বাজারে বর্তমানে খুবই কম দরে পানিফল পাওয়া যাচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শওকত ওসমান বলেন, ‘পানিফল চাষ এখনও কৃষি ফসলের আওতায় ধরা হয়নি। তবে মৌসুমি ফল হিসাবে গণ্য হচ্ছে। একদিকে কম খরচ অন্যদিকে অল্প পরিশ্রমে বেশ লাভবান হওয়ায় চহিদা বেড়েছে পানিফল চাষিদের।’

কৃষি বিভাগের তথ্য থেকে জানা যায়, পানিফল সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল। এর ইংরেজি নাম ওয়াটার চেসনাট এবং বৈজ্ঞানিক নাম ট্রাপা বিসপিনোসা। পানিফলের আদিনিবাস ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকা হলেও এটি প্রথম দেখা যায় উত্তর আমেরিকায়। বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় পানিফলের বাণিজ্যিকভাবে চাষ অনেক আগেই শুরু হয়েছে। পানিফল একটি বর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ। জলাশয় ও বিল-ঝিলে এ ফলটি জন্মে। এর শেকড় থাকে পানির নিচে মাটিতে এবং পাতা পানির উপর ভাসতে থাকে। এক একটি গাছ প্রায় পাঁচ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। পানিফলের আরেক নাম ‘সিংড়া’।

এ ফল চাষ শুরু হয় ভাদ্র-আশ্বিন মাসে এবং ফল সংগ্রহ করা হয় অগ্রহায়ণ- পৌষ মাসে। পানিফল কচি অবস্থায় লাল, পরে সবুজ এবং পরিপক্ক হলে কালো রং ধারণ করে। ফলটির পুরু নরম খোসা ছাড়ালেই পাওয়া যায় হৃৎপিন্ডাকার বা ত্রিভুজাকৃতির নরম সাদা শাঁস। কাঁচা ফলের নরম শাঁস খেতে বেশ সুস্বাদু। প্রতি ১০০ গ্রাম পানিফলে ৮৪.৯ গ্রাম পানি, ০.৯ গ্রাম খনিজ পদার্থ, ২.৫ গ্রাম আমিষ, ০.৯ গ্রাম চর্বি, ১১.৭ গ্রাম শরকরা, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৮ মিলিগ্রাম লৌহ, ০.১১ মিলি গ্রাম ভিটামিন বি-১, ০.০৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-২ ও ১৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলার সদর, কলারোয়া, দেবহাটা, কালিগঞ্জ, আশাশুনি, সদরের আংশিক ও শ্যামনগর উপজেলায় জলাবদ্ধ এলাকার চাষিরা পানিফল চাষ করে অধিক লাভবান হচ্ছেন। ফলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এ ফলের চাষ। সেই সঙ্গে বাড়ছে ফলটির জনপ্রিয়তা।

শেয়ারে কারসাজি করেছে ৯ কোম্পানি, অধিকতর তথ্যের জন্য আরও তদন্ত

আগ্রহের শীর্ষে এনআরবিসি, অনাগ্রহে ড্যাফোডিল

ছবি

সাধারণ মানুষের আয় বৃদ্ধির কথা বললেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির ওয়েবসাইট-অ্যাপ বন্ধ

ছবি

ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে টিকাদানে বৈষম্যে উদ্বেগ প্রকাশ করলো আইএমএফ

ছবি

১১০ বিলাসবহুল গাড়ি বিক্রি করবে কাস্টমস, কিনতে পারবেন যে কেউ

ছবি

সেরা এজেন্টদের পুরস্কৃত করলো ব্র্যাক ব্যাংক

ছবি

বাংলাদেশের বাজারে আসছে ইনফিনিক্স হট সিরিজের সর্বশেষ সংস্করণ ‘হট ১১এস’

দুই হাজার কোটি টাকা মূলধন কমেছে শেয়ারবাজারে

ছবি

ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

ছবি

ই-কমার্স বান্ধব নীতি ও অবকাঠামো জরুরী হয়ে পড়েছে

ছবি

কমেছে পেঁয়াজ-মরিচের দাম, অন্য সবকিছুই বাড়তি

ছবি

মঙ্গলবার নয়, বুধবার ব্যাংক বন্ধ থাকবে

ছবি

এমপিজিএস এ যুক্ত হলো সিটি ব্যাংক লিমিটেড

ছবি

ক্লাউডক্যাম্পাস ৩.০ সল্যুশনে ৪টি আপগ্রেড আনলো হুয়াওয়ে

ছবি

৭০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে সাউথইস্ট ব্যাংক

ছবি

১৫০টি শুল্ক স্টেশন বন্ধ করার কথা ভাবছে এনবিআর

ছবি

১০টি আঞ্চলিক ও ৪১টি নতুন জেলা কার্যালয় স্থাপন করেছে বিএসটিআই

সাধারণ মানুষও পারবে সরকারি সিকিউরিটিজ কেনাবেচা করতে

এহসান গ্রুপ, কিউকম, জেএমআরসহ ১০ প্রতিষ্ঠান ও ৮ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিত

পর পর চারদিন পতন শেয়ারবাজারে, লেনদেন আড়াই মাসে সর্বনিম্ন

ছবি

নবগঠিত ই-কমার্স সেল পুনর্গঠন

ছবি

পেঁয়াজ আমদানিতে ডিসেম্বর পর্যন্ত শুল্ক দিতে হবে না

ছবি

সূচকের পতনে লেনদেন চলছে

বিক্রয় চাপে লেনদেন চলছে পুঁজিবাজারে

ছবি

পোল্ট্রি ফিড ও পশুখাদ্য উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সয়ামিল রপ্তানি বন্ধ

ইভ্যালির দায়দেনা নিরূপণে বোর্ড গঠন আগামী সপ্তাহে

ছবি

পাঁচ বছরের মধ্যে এডিপি বাস্তবায়ন হার সর্বনিম্ন

শেয়ারবাজারে বড় পতন, একদিনে কমলো সাড়ে ৬৫ পয়েন্ট

কমনওয়েলথ ফাইন্যান্স মিনিস্টার্স মিটিংয়ের সভাপতি হলেন অর্থমন্ত্রী

ছবি

ইভ্যালি: কমিটি গঠনে সাবেক তিন সচিবের নাম দাখিল করলো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

ডিএসইতে লেনদেন মন্দা, সিএসইতে বেড়েছে

ইভ্যালি পরিচালনায় বোর্ড গঠন করবে হাইকোর্ট

সূচক ও শেয়ারদর কমলেও লেনদেন বেড়েছে শেয়ারবাজারে

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় স্থাপিত হবে ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার’

ঋণখেলাপি কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশ

tab

অর্থ-বাণিজ্য

পানিফল চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে সাতক্ষীরায়

মীর খায়রুল আলম, দেবহাটা (সাতক্ষীরা)

শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

পানিফল বা পানি সিংড়ার চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সাতক্ষীরার বিভিন্ন অঞ্চলে। কম খরচে এই ফল চাষ করে বেশি দামে বিক্রি করতে পারার সুযোগ থাকায় এই ফল চাষের দিকে ঝুঁকছে কৃষকরা। প্রতিবছর যে পরিমাণ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, তার চেয়ে বেশি চাষ হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের হিসাবে দেখা যায়, গতবছর পানিফল চাষের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৮ থেকে ২০ হেক্টর জমিতে। চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ধরা হয়েছে ২০ থেকে ২২ হেক্টর জমিতে। বিগত বছরের তুলনায় জেলার সব উপজেলার পাশাপাশি দেবহাটা উপজেলার সখিপুর, গাজিরহাট, কামটা, কোঁড়া, দেবহাটা, পারুলিয়া, কুলিয়া, বহেরাসহ বিভিন্ন এলাকায় চাষ করা হয়েছে।

এ চাষ ফসল চাষের জমি, ডোবা, খানা, মৎস্য ঘেরে সুবিধাজনক। সামান্য লবণাক্ত ও মিষ্টি পানিতে চাষ করার সুযোগ থাকায় দিনে দিনে চাষের পরিধি বেড়ে চলেছে। তাছাড়া পানিফলের গাছ দেখতে কচুড়িপানার মত পানির উপরে ভেসে থাকে, পাতার গোড়া থেকে শিকড়ের মত ডগা বের হয়ে বংশ বিস্তার করে এবং তা থেকে ফল ধারণ করে। পানিফল চাষে খুব বেশি প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হয় না, সার ও কীটনাশকের পরিমাণ কম লাগে।

উপজেলার পানিফল চাষি মোনাজাত সরদার বলেন, ‘গতবছর অল্প চাষ করছিলাম। এ বছর ৩ বিঘার বেশি জমিতে পানিফল চাষ করছি। ভালো ফলন হলে আগামিতে আরও বেশি জমিতে এ চাষ করবো।’

চাষিরা আরও বলেন, ‘পানিফল মৌসুমি ও অঞ্চলভিত্তিক হওয়ায় আমরা সঠিক মূল্য ও বাজার তৈরি করতে পারিনি। আমরা মনে করি, এটি দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মৌসুমি ফল বাণিজ্যিক হিসাবে ব্যাপক চাষের পাশপাশি মার্কেট তৈরি হবে।’

কামটা গ্রামের পানিফল ব্যবসায়ী খোকন বাবু সরদার জানান, চাষের মৌসুম আসার আগে তিনি অর্ধশতাধিক চাষিদের মাঝে অর্থ বিনিয়োগ করেন। পরবর্তীতে ফলন আসার পরে বাজার দর অনুযায়ী উৎপাদিত ফসল ক্রয় করেন। এভাবে ৭ থেকে ৮ বছর তিনি পানিফল ব্যবসায় নিয়োজিত আছেন। প্রতিদিন তিনি ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, বরগুনা, চিটাগাং, সিলেট, রাজশাহী, বেনাপোল, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় এ ফল রপ্তানি করেন। বর্তমান জেলার বাইরের বাজারে ৪০০-৬০০ টাকা মণ দরে পাইকারি বিক্রি করছেন। তাছাড়া স্থানীয় বাজারে বর্তমানে খুবই কম দরে পানিফল পাওয়া যাচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শওকত ওসমান বলেন, ‘পানিফল চাষ এখনও কৃষি ফসলের আওতায় ধরা হয়নি। তবে মৌসুমি ফল হিসাবে গণ্য হচ্ছে। একদিকে কম খরচ অন্যদিকে অল্প পরিশ্রমে বেশ লাভবান হওয়ায় চহিদা বেড়েছে পানিফল চাষিদের।’

কৃষি বিভাগের তথ্য থেকে জানা যায়, পানিফল সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল। এর ইংরেজি নাম ওয়াটার চেসনাট এবং বৈজ্ঞানিক নাম ট্রাপা বিসপিনোসা। পানিফলের আদিনিবাস ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকা হলেও এটি প্রথম দেখা যায় উত্তর আমেরিকায়। বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় পানিফলের বাণিজ্যিকভাবে চাষ অনেক আগেই শুরু হয়েছে। পানিফল একটি বর্ষজীবী জলজ উদ্ভিদ। জলাশয় ও বিল-ঝিলে এ ফলটি জন্মে। এর শেকড় থাকে পানির নিচে মাটিতে এবং পাতা পানির উপর ভাসতে থাকে। এক একটি গাছ প্রায় পাঁচ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। পানিফলের আরেক নাম ‘সিংড়া’।

এ ফল চাষ শুরু হয় ভাদ্র-আশ্বিন মাসে এবং ফল সংগ্রহ করা হয় অগ্রহায়ণ- পৌষ মাসে। পানিফল কচি অবস্থায় লাল, পরে সবুজ এবং পরিপক্ক হলে কালো রং ধারণ করে। ফলটির পুরু নরম খোসা ছাড়ালেই পাওয়া যায় হৃৎপিন্ডাকার বা ত্রিভুজাকৃতির নরম সাদা শাঁস। কাঁচা ফলের নরম শাঁস খেতে বেশ সুস্বাদু। প্রতি ১০০ গ্রাম পানিফলে ৮৪.৯ গ্রাম পানি, ০.৯ গ্রাম খনিজ পদার্থ, ২.৫ গ্রাম আমিষ, ০.৯ গ্রাম চর্বি, ১১.৭ গ্রাম শরকরা, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৮ মিলিগ্রাম লৌহ, ০.১১ মিলি গ্রাম ভিটামিন বি-১, ০.০৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-২ ও ১৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলার সদর, কলারোয়া, দেবহাটা, কালিগঞ্জ, আশাশুনি, সদরের আংশিক ও শ্যামনগর উপজেলায় জলাবদ্ধ এলাকার চাষিরা পানিফল চাষ করে অধিক লাভবান হচ্ছেন। ফলে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এ ফলের চাষ। সেই সঙ্গে বাড়ছে ফলটির জনপ্রিয়তা।

back to top