alt

আন্তর্জাতিক

গাজায় ১৫ স্বাস্থ্যকর্মী হত্যায় ইসরায়েলের ভুল স্বীকার

সংবাদ ডেস্ক : রোববার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫

গাজায় ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একটি অ্যাম্বুলেন্স কনভয়, জাতিসংঘের গাড়ি ও গাজা সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার ট্রাকে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) স্বীকার করেছে যে তাদের সৈন্যরা "ভুল সিদ্ধান্ত" নিয়েছিল। তবে তারা দাবি করছে, নিহতদের মধ্যে কিছু চিকিৎসক ও জরুরি কর্মী হামাসের সাথে যুক্ত ছিল।

গত ২৩ মার্চ রাফাহর কাছে একটি আহত উদ্ধার অভিযানে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্স কনভয়ে ইসরায়েলি সেনারা গুলি চালায়। এতে ১৫ জন জরুরি স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হন। প্রথমে আইডিএফ দাবি করেছিল যে অ্যাম্বুলেন্সগুলো অন্ধকারে হেডলাইট বা জরুরি আলো ছাড়াই "সন্দেহজনকভাবে" এগিয়ে আসছিল এবং তাদের গতিবিধি আগে থেকে সমন্বয় করা হয়নি।

কিন্তু নিহত একজন প্যারামেডিক রেফাত রাদওয়ানের মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য গাড়িগুলো জরুরি আলো জ্বালিয়ে আহতদের সাহায্যে এগিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ ভোররাতে সতর্কবার্তা ছাড়াই গুলিবর্ষণ শুরু হয়। ভিডিওতে ইসরায়েলি সৈন্যদের গাড়ির দিকে এগিয়ে আসার শব্দও শোনা যায়।

আইডিএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, তাদের সৈন্যরা আগে একটি গাড়িতে তিনজন হামাস সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে যখন অ্যাম্বুলেন্সগুলো সেখানে পৌঁছায়, তখন এয়ার সার্ভেইল্যান্সে গাড়িগুলোকে "সন্দেহজনক" বলে চিহ্নিত করা হয়। আইডিএফ স্বীকার করেছে যে অ্যাম্বুলেন্সগুলোতে জরুরি আলো জ্বালানো ছিল এবং কর্মীরা হাই-ভিস পোশাক পরেছিলেন।

তারা আরও জানায়, নিহতদের মধ্যে অন্তত ছয়জন হামাসের সাথে যুক্ত ছিল, কিন্তু এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ দেয়নি। এদিকে, বেঁচে যাওয়া এক প্যারামেডিক বিবিসিকে বলেছেন, তার সহকর্মীরা কোনো সশস্ত্র গ্রুপের সাথে যুক্ত ছিলেন না।

জাতিসংঘ, রেড ক্রিসেন্ট ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এই ঘটনার স্বাধীন তদন্ত দাবি করেছে। আইডিএফ বলেছে তারা ঘটনাটির "গভীরভাবে পরীক্ষা" করবে।

এই হামলার এক সপ্তাহ পর নিহতদের দাফন করা লাশ উদ্ধার করা হয়। ইসরায়েলি সেনাদের অভিযোগ, তারা লাশগুলোকে পশুদের থেকে রক্ষা করতে বালিতে চাপা দিয়েছিল। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

গাজার চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত শতাধিক চিকিৎসক, সাংবাদিক ও জরুরি কর্মী নিহত হয়েছেন।

ছবি

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্প–ইলন মাস্কবিরোধী সমাবেশ, অংশ নিল লাখো মানুষ

ছবি

ট্রাম্প-মাস্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপজুড়ে বিক্ষোভ

ছবি

শেয়ারবাজারে বড় দরপতন ঠেকালো মিউচুয়াল ফান্ড

পফের ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু

ছবি

বিতর্কিত ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামছে ভারতীয় মুসলিমরা

ছবি

গাজায় নিহত ১৭ হাজার শিশু, অনাথ ৩৯ হাজার

আবাসন সংকটে ভুগছে স্পেন, দেশজুড়ে বিক্ষোভ

দুই ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাকে আটক করেছে ইসরায়েল

ছবি

যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ

ছবি

মায়ানমারে ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৩৪৭১

ছবি

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্প ও ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের ডাক, অংশ নিচ্ছে দেড় শতাধিক সংগঠন

ছবি

ট্রাম্প-মাস্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১২০০ বিক্ষোভের প্রস্তুতি

ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৯ শিশুসহ নিহত ১৮

ছবি

গাজায় প্রতিদিন হতাহত হচ্ছে ১০০ শিশু

ছবি

চীনের পাল্টা শুল্ক আরোপ, সতর্ক করলেন ট্রাম্প

টিকটককে যুক্তরাষ্ট্রে আরও ৭৫ দিন সময় দিলেন ট্রাম্প

৭ দশমিক এক মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পাপুয়া নিউগিনি

ছবি

সাগাইংয়ের বাতাসে লাশের গন্ধ, বাইরে বাঁচার লড়াই

ছবি

ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধ: কোন পণ্যে মার্কিনীদের খরচ বাড়বে

ছবি

চীনের পাল্টা শুল্কে ‘ভুল করেছে তারা, আতঙ্কে পড়েছে’: ট্রাম্প

ছবি

মার্কিন পণ্যে অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক বসাচ্ছে চীন, রপ্তানিতেও আসছে নিয়ন্ত্রণ

রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের ক্রিভি রিহে শিশুসহ নিহত ১৪

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১১২ জন নিহত

ছবি

দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ স্থগিত করতে ইউরোপের প্রতি আহ্বান মাখোঁর

ছবি

মায়ানমারে ভূমিকম্পে গৃহহীন ৩০ লাখ মানুষ

বাণিজ্য যুদ্ধে কেউ-ই বিজয়ী হয় না : ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ছবি

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাস, কী আছে এতে

ছবি

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউনকে অভিশংসনে আদালতের অনুমোদন

ছবি

ভারতের লোকসভায় বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস

ছবি

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় তিন স্কুলে নিহত ৩৩, শিশুসহ আহত শতাধিক

ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য তৈরি করলে শুল্ক থেকে মুক্তি: ট্রাম্প

ছবি

বিশ্ব নেতারা বলছেন, ট্রাম্পের শুল্ক সিদ্ধান্ত ‘ভুল’ ও ‘অযৌক্তিক’

ছবি

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি করোনায় আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি

জার্মানিতে দ্বৈত নাগরিকদের নাগরিকত্ব বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক

ছবি

মালয়েশিয়ায় গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ, আহত বেড়ে ১১২

tab

আন্তর্জাতিক

গাজায় ১৫ স্বাস্থ্যকর্মী হত্যায় ইসরায়েলের ভুল স্বীকার

সংবাদ ডেস্ক

রোববার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫

গাজায় ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একটি অ্যাম্বুলেন্স কনভয়, জাতিসংঘের গাড়ি ও গাজা সিভিল ডিফেন্সের ফায়ার ট্রাকে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) স্বীকার করেছে যে তাদের সৈন্যরা "ভুল সিদ্ধান্ত" নিয়েছিল। তবে তারা দাবি করছে, নিহতদের মধ্যে কিছু চিকিৎসক ও জরুরি কর্মী হামাসের সাথে যুক্ত ছিল।

গত ২৩ মার্চ রাফাহর কাছে একটি আহত উদ্ধার অভিযানে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্স কনভয়ে ইসরায়েলি সেনারা গুলি চালায়। এতে ১৫ জন জরুরি স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হন। প্রথমে আইডিএফ দাবি করেছিল যে অ্যাম্বুলেন্সগুলো অন্ধকারে হেডলাইট বা জরুরি আলো ছাড়াই "সন্দেহজনকভাবে" এগিয়ে আসছিল এবং তাদের গতিবিধি আগে থেকে সমন্বয় করা হয়নি।

কিন্তু নিহত একজন প্যারামেডিক রেফাত রাদওয়ানের মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য গাড়িগুলো জরুরি আলো জ্বালিয়ে আহতদের সাহায্যে এগিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ ভোররাতে সতর্কবার্তা ছাড়াই গুলিবর্ষণ শুরু হয়। ভিডিওতে ইসরায়েলি সৈন্যদের গাড়ির দিকে এগিয়ে আসার শব্দও শোনা যায়।

আইডিএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, তাদের সৈন্যরা আগে একটি গাড়িতে তিনজন হামাস সদস্যকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে যখন অ্যাম্বুলেন্সগুলো সেখানে পৌঁছায়, তখন এয়ার সার্ভেইল্যান্সে গাড়িগুলোকে "সন্দেহজনক" বলে চিহ্নিত করা হয়। আইডিএফ স্বীকার করেছে যে অ্যাম্বুলেন্সগুলোতে জরুরি আলো জ্বালানো ছিল এবং কর্মীরা হাই-ভিস পোশাক পরেছিলেন।

তারা আরও জানায়, নিহতদের মধ্যে অন্তত ছয়জন হামাসের সাথে যুক্ত ছিল, কিন্তু এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ দেয়নি। এদিকে, বেঁচে যাওয়া এক প্যারামেডিক বিবিসিকে বলেছেন, তার সহকর্মীরা কোনো সশস্ত্র গ্রুপের সাথে যুক্ত ছিলেন না।

জাতিসংঘ, রেড ক্রিসেন্ট ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এই ঘটনার স্বাধীন তদন্ত দাবি করেছে। আইডিএফ বলেছে তারা ঘটনাটির "গভীরভাবে পরীক্ষা" করবে।

এই হামলার এক সপ্তাহ পর নিহতদের দাফন করা লাশ উদ্ধার করা হয়। ইসরায়েলি সেনাদের অভিযোগ, তারা লাশগুলোকে পশুদের থেকে রক্ষা করতে বালিতে চাপা দিয়েছিল। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

গাজার চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত শতাধিক চিকিৎসক, সাংবাদিক ও জরুরি কর্মী নিহত হয়েছেন।

back to top