যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের শতাধিক দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের যে ঘোষণা দিয়েছেন, তার সমালোচনা করেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা।
মেলোনি বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ একটি ‘ভুল’ সিদ্ধান্ত, আর অস্ট্রেলিয়ার পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ককে ‘অযৌক্তিক’ বলেছেন আলবানিজ।
ট্রাম্পের ঘোষণায় জানানো হয়, ৫ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা সব ধরনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ ভিত্তিমূলক শুল্ক আরোপ করা হবে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও চীনসহ প্রায় ৬০টি দেশের ওপর ৯ এপ্রিল থেকে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।
যেসব দেশ কেবল ভিত্তিমূলক শুল্কের মুখোমুখি হবে তার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড, তুরস্ক, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, এল সালভাদর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব।
ট্রাম্প বলেছেন, এই পদক্ষেপ আমেরিকাকে আবার ধনী করে তুলবে। তবে তার মিত্র মেলোনি বলছেন, ইইউয়ের ওপর শুল্ক কোনো পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে না। ‘বাণিজ্য যুদ্ধ’ আটকাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি করার জন্য তিনি কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেছেন, স্পেন তার কোম্পানি ও শ্রমিকদের রক্ষা করবে এবং উন্মুক্ত বিশ্বের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। আয়ারল্যান্ডের বাণিজ্যমন্ত্রী সিমন হ্যারিস আপসের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন, তবে দেশটির নেতা মাইকেল মার্টিন ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে ‘গভীরভাবে দুঃখজনক’ বলেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ বলেছেন, অযৌক্তিক শুল্কের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন আমেরিকানরাই। তবে তিনি পরিষ্কার করেছেন যে, অস্ট্রেলিয়া কোনো পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে না।
চীনকে ‘সবচেয়ে অনিষ্টকারী’ দেশগুলোর মধ্যে একটি বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প এবং দেশটির পণ্যে ৫৪ শতাংশ কর হার আরোপ করেছেন। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এ সিদ্ধান্তকে ‘আত্ম-পরাজয়মূলক’ বলে আখ্যায়িত করেছে।
ট্রাম্পের ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট পাল্টা প্রতিক্রিয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ফিরে বসো, এটা মেনে নাও। পাল্টা কিছু করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের শতাধিক দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের যে ঘোষণা দিয়েছেন, তার সমালোচনা করেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা।
মেলোনি বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ একটি ‘ভুল’ সিদ্ধান্ত, আর অস্ট্রেলিয়ার পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ককে ‘অযৌক্তিক’ বলেছেন আলবানিজ।
ট্রাম্পের ঘোষণায় জানানো হয়, ৫ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা সব ধরনের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ ভিত্তিমূলক শুল্ক আরোপ করা হবে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও চীনসহ প্রায় ৬০টি দেশের ওপর ৯ এপ্রিল থেকে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে।
যেসব দেশ কেবল ভিত্তিমূলক শুল্কের মুখোমুখি হবে তার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড, তুরস্ক, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, এল সালভাদর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব।
ট্রাম্প বলেছেন, এই পদক্ষেপ আমেরিকাকে আবার ধনী করে তুলবে। তবে তার মিত্র মেলোনি বলছেন, ইইউয়ের ওপর শুল্ক কোনো পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে না। ‘বাণিজ্য যুদ্ধ’ আটকাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি করার জন্য তিনি কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেছেন, স্পেন তার কোম্পানি ও শ্রমিকদের রক্ষা করবে এবং উন্মুক্ত বিশ্বের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। আয়ারল্যান্ডের বাণিজ্যমন্ত্রী সিমন হ্যারিস আপসের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন, তবে দেশটির নেতা মাইকেল মার্টিন ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে ‘গভীরভাবে দুঃখজনক’ বলেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ বলেছেন, অযৌক্তিক শুল্কের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন আমেরিকানরাই। তবে তিনি পরিষ্কার করেছেন যে, অস্ট্রেলিয়া কোনো পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে না।
চীনকে ‘সবচেয়ে অনিষ্টকারী’ দেশগুলোর মধ্যে একটি বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প এবং দেশটির পণ্যে ৫৪ শতাংশ কর হার আরোপ করেছেন। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এ সিদ্ধান্তকে ‘আত্ম-পরাজয়মূলক’ বলে আখ্যায়িত করেছে।
ট্রাম্পের ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট পাল্টা প্রতিক্রিয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ফিরে বসো, এটা মেনে নাও। পাল্টা কিছু করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।