alt

জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধি ‘পর্যালোচনা’ হচ্ছে: প্রেস সচিব

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট : বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পণ্যে উচ্চ হারে শুল্ক আরোপের পর বাংলাদেশের আমদানি করা মার্কিন পণ্যের শুল্কহার পর্যালোচনা করার ঘোষণা এসেছে সরকার প্রধানের দপ্তর থেকে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর প্রযোজ্য শুল্কহার পর্যালোচনা করছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দ্রুততম সময়ে শুল্ক যৌক্তিককরণের বিকল্পগুলো খুঁজে বের করবে, যা এ বিষয়ে কার্যকর সমাধানের জন্য জরুরি।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তার নতুন ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ নীতির অংশ হিসেবে শতাধিক দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের যে ঘোষণা দিয়েছেন, তাতে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় ৩৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের মুখোমুখি হবে। এতদিন বাংলাদেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার ছিল গড়ে ১৫ শতাংশ, যা এখন দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেল।

বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮৪০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করে, যার মধ্যে তৈরি পোশাকের পরিমাণ ৭৩৪ কোটি ডলার। নতুন করে সম্পূরক শুল্ক আরোপের ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বড় ধাক্কা খেতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের ভাষ্য, মার্কিন রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে যেসব দেশ উচ্চ শুল্কের বাধা তুলে রেখেছে, তাদের তথাকথিত সেই ‘অন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন’ মোকাবিলা করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন পদক্ষেপ।

হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত তালিকায় বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ মার্কিন পণ্যের ওপর ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করে। এর প্রতিক্রিয়ায় এখন থেকে বাংলাদেশি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে ৩৭ শতাংশ ‘হ্রাসকৃত সম্পূরক শুল্ক’ আরোপ করা হবে।

শফিকুল আলম তার ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ এবং বৃহত্তম বড় রপ্তানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমরা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করে আসছি। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আমাদের চলমান আলোচনার মাধ্যমে শুল্কের বিষয়টির সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশা করছি।

ছবি

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক ইস্যুতে সমাধানের আশাবাদ প্রধান উপদেষ্টার

ছবি

বাংলাদেশ-ভারত সরকার প্রধানদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আগামীকাল

ছবি

বিমসটেক সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের কূটনৈতিক তৎপরতা

ছবি

দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার, বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে টিউলিপের পাল্টা অভিযোগ

ছবি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

ছবি

লোহাগাড়ায় দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসায় সরকারি সহায়তার আশ্বাস

ছবি

বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক পরিবহন সম্প্রসারণে বিমসটেকের চুক্তি

ছবি

রোববার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমতে পারে তাপপ্রবাহ

ছবি

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংককের পথে প্রধান উপদেষ্টা, মোদির সঙ্গে বৈঠক হবে

বাগেরহাটে হাতে মেহেদী দেয়া নিয়ে পিতার নির্মম নির্যাতনের শিকার কন্যা

ছবি

নতুন রূপে সাজানো হচ্ছে বাঁশখালী ইকোপার্ক

যাত্রাবাড়ী এলাকায় দূষণকারী সব অবৈধ ব্যাটারি কারখানা সিলগালা

খুলনা ও বাগেরহাট সীমান্তে দোকান লুট ও বাড়িতে হামলা, সংঘর্ষে ১০ জন আহত

বংশালে ঈদমেলায় গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ ৬

ছবি

দেশে কোনো ধরনের জঙ্গিবাদের উত্থান হচ্ছে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন ও সংস্কার নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ দলটির

ছবি

আনন্দ-উৎসবে ঈদ উদযাপিত, ঢাকার রাস্তায় বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল

সংস্কারেই কি আটকে আছে ডাকসু নির্বাচন?

ছবি

সংখ্যা কমেছে, তবুও বাদুড়ের নামেই গ্রাম

গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচার অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই হবে: মাহফুজ আলম

ছবি

বিমসটেক: ইউনূস-মোদির বৈঠক হওয়ার যথেষ্ট ‘সম্ভাবনা আছে’

ছবি

খেলার সময় ৬ বছরের শিশুর কোমরে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি

মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, সিলেটে বৃষ্টি

ছবি

নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধ, ‘বিভ্রান্তিকর’ বলছে অন্তর্বর্তী সরকার

ছবি

চারদিনে সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ, আহত শতাধিক

ছবি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে উপদেষ্টা ফারুক ই আজম

ছবি

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

ছবি

জঙ্গিবাদ উত্থানের সম্ভাবনা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ছবি

বাংলাদেশে উগ্রপন্থার সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা

ছবি

ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ইউনূসকে মোদির চিঠি

ছবি

মুহাম্মদ ইউনূসকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ

ছবি

ঢাকার রাস্তায় বণাঢ্য ঈদ আনন্দ মিছিল

ছবি

দূরত্ব ঘুচিয়ে ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে এগোনোর বার্তা প্রধান উপদেষ্টার

২ দিনে ঢাকা ছেড়েছেন ৪১ লাখ সিম ব্যবহারকারী

দ্রুত নির্বাচন চেয়ে ঈদের জামাতে দোয়া

ছবি

আজ খুশির ঈদ

tab

জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধি ‘পর্যালোচনা’ হচ্ছে: প্রেস সচিব

সংবাদ অনলাইন রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পণ্যে উচ্চ হারে শুল্ক আরোপের পর বাংলাদেশের আমদানি করা মার্কিন পণ্যের শুল্কহার পর্যালোচনা করার ঘোষণা এসেছে সরকার প্রধানের দপ্তর থেকে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর প্রযোজ্য শুল্কহার পর্যালোচনা করছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দ্রুততম সময়ে শুল্ক যৌক্তিককরণের বিকল্পগুলো খুঁজে বের করবে, যা এ বিষয়ে কার্যকর সমাধানের জন্য জরুরি।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প তার নতুন ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ নীতির অংশ হিসেবে শতাধিক দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের যে ঘোষণা দিয়েছেন, তাতে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় ৩৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের মুখোমুখি হবে। এতদিন বাংলাদেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কহার ছিল গড়ে ১৫ শতাংশ, যা এখন দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেল।

বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮৪০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করে, যার মধ্যে তৈরি পোশাকের পরিমাণ ৭৩৪ কোটি ডলার। নতুন করে সম্পূরক শুল্ক আরোপের ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বড় ধাক্কা খেতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের ভাষ্য, মার্কিন রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে যেসব দেশ উচ্চ শুল্কের বাধা তুলে রেখেছে, তাদের তথাকথিত সেই ‘অন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন’ মোকাবিলা করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন পদক্ষেপ।

হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত তালিকায় বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ মার্কিন পণ্যের ওপর ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করে। এর প্রতিক্রিয়ায় এখন থেকে বাংলাদেশি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে ৩৭ শতাংশ ‘হ্রাসকৃত সম্পূরক শুল্ক’ আরোপ করা হবে।

শফিকুল আলম তার ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ এবং বৃহত্তম বড় রপ্তানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমরা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করে আসছি। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আমাদের চলমান আলোচনার মাধ্যমে শুল্কের বিষয়টির সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশা করছি।

back to top