alt

পাঠকের চিঠি

কীর্তিমানের মৃত্যু নাই

সাদিয়া উম্মে হাবিবা

: মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০

বেশ ছোটবেলায়, বয়স কত হবে আর সাত কিংবা আট, সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা, ডবল ফেলুদা, আবার ফেলুদা সিরিজের বইগুলো পড়তে শুরু করেছি। চিকন মলাটের বইগুলোতে যে সত্যজিৎ রায়ের কয়েক পৃষ্ঠায় তার হাতে আঁকা ছবি থাকতো সেই ছবির আদলেই আমার ফেলুদার সঙ্গে পরিচয়। তখন থেকেই অদেখা কল্পনায় সত্যজিৎ রায় আর সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় আমার কাছে এক। বেশ কিছুটা বড় হবার পর এ দুজনের স্বকীয়তা আমার কাছে অভিন্ন এক ধারায় প্রকাশ পায়। তাদের কিছু চলচ্চিত্র আর বই তখন আমার দখলে। এখন সেই অভিন্ন ধারায় প্রকাশিত ব্যক্তির সেই দুজনেই আর নেই। ব্যক্তি নেই তবে তার কীর্তি রয়ে গেছে। কীর্তিমানরা অমর, তারা বেঁচে থাকেন তাদের কাজের মাঝে।

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। বাঙালি সত্তায় সত্যজিৎ রায় আর সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বেঁচে থাকবেন।

চিঠিপত্র : হাট-বাজারে ডিজিটাল ওজন স্কেল স্থাপন করুন

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত

নারী জাগরণের অগ্রদূত

পরিবেশ রক্ষায় জলাভূমির গুরুত্ব

হাসপাতালের সামনে ডাস্টবিন কেন

আইল কাটার অপসংস্কৃতি বন্ধ হোক

নদী থাকুক নদীর মতো

ছবি

বইয়ের সঠিক মূল্য লিখুন

ছবি

আম শিল্প সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

ছবি

স্কুলে ভর্তি লটারি প্রক্রিয়া হোক স্বচ্ছ

অর্থনীতিতে প্রান্তিক নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে

শিক্ষাক্ষেত্রে অচল অবস্থার অবসান ঘটুক

আমার বাবা সনদবিহীন এক মুক্তিযোদ্ধা

ছবি

অসহায় বস্তিবাসীর পাশে দাঁড়ান

অনলাইন ক্লাস প্রসঙ্গে

ছবি

শীতার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসুন

নৌপথে অনিয়ম বন্ধ করুন

ভোলায় বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি মেডিকেল কলেজ চাই

সড়কে বিশৃঙ্খলার দায় কার

টেলিটকের দুর্দশা ঘুচবে কবে

অপ্রয়োজনে হর্ন নয়

ছবি

দ্রব্যমূল্যে দুর্বিষহ জনজীবন

সেশন জট থেকে রক্ষা করুন

রাজধানীতে খেলার মাঠ চাই

বিশুদ্ধতার মানদন্ডে ‘রেল পানি’

দুর্ভোগের নাম সনদপত্র সত্যায়িত করণ

ছবি

নো মাস্ক নো সার্ভিস

ছবি

সবজির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিন

লাগামহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার

সেলফিতে সতর্কতা প্রয়োজন

ছবি

বেপরোয়া মোটরবাইক নিয়ন্ত্রণ জরুরি

নৌপথে অনিয়ম বন্ধ করুন

পর্যটকদের সচেতন হতে হবে

ছবি

করোনা প্রতিরোধে মাস্কই শ্রেয়

ধর্মীয় উগ্রবাদ সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি

tab

পাঠকের চিঠি

কীর্তিমানের মৃত্যু নাই

সাদিয়া উম্মে হাবিবা

মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০

বেশ ছোটবেলায়, বয়স কত হবে আর সাত কিংবা আট, সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা, ডবল ফেলুদা, আবার ফেলুদা সিরিজের বইগুলো পড়তে শুরু করেছি। চিকন মলাটের বইগুলোতে যে সত্যজিৎ রায়ের কয়েক পৃষ্ঠায় তার হাতে আঁকা ছবি থাকতো সেই ছবির আদলেই আমার ফেলুদার সঙ্গে পরিচয়। তখন থেকেই অদেখা কল্পনায় সত্যজিৎ রায় আর সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় আমার কাছে এক। বেশ কিছুটা বড় হবার পর এ দুজনের স্বকীয়তা আমার কাছে অভিন্ন এক ধারায় প্রকাশ পায়। তাদের কিছু চলচ্চিত্র আর বই তখন আমার দখলে। এখন সেই অভিন্ন ধারায় প্রকাশিত ব্যক্তির সেই দুজনেই আর নেই। ব্যক্তি নেই তবে তার কীর্তি রয়ে গেছে। কীর্তিমানরা অমর, তারা বেঁচে থাকেন তাদের কাজের মাঝে।

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। বাঙালি সত্তায় সত্যজিৎ রায় আর সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বেঁচে থাকবেন।

back to top