alt

পাঠকের চিঠি

শীতার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসুন

: মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০

ষড়ঋতুর পালাবদল আর প্রকৃতির মনভুলানো রূপলাবণ্য ধারণ করে আমাদের জন্মভূমি পৃথিবীর সব দেশ থেকে আলাদা হয়ে আছে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত কত রঙ, উচ্ছ্বাস আর সৌন্দর্য্য নিয়ে আগলে রাখে প্রকৃতিকে। একের পর এক পরিবর্তন। পরিবর্তনের এই ধারা অনেকের কাছে যেমন উপভোগ্য হয়, তেমনি কারো কাছে হয়ে উঠে দুঃসহ-অভিশাপ।

গৃহহীন হত দরিদ্র শীতার্ত মানুষের কাছে শীত ঋতু রীতিমতো ভয়ের কারণ। কুয়াশাঘেরা রাত্রিগুলো তাদের জীবনকে কঠিন করে তুলে। একটু উষ্ণতার খোঁজে কেউবা খড় পোড়ায়, কেউবা কাঁপতে কাঁপতে খুঁজে বেড়ায় জীবনের মানে। শীতের প্রকোপে খেটে খাওয়া গরিব মানুষগুলোকে পোহাতে হয় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। খোলা আকাশের নিচে কুয়াশার আলিঙ্গন যেমন নিদারুণ কষ্টের সাক্ষী হয় তেমনি নানা রোগ-বালাই দেখা দেয় সুবিধাবঞ্চিত এই মানুষদের।

ইচ্ছে করলেই আমরা হতদরিদ্র শীতার্তদের দুর্ভোগ লাঘবে ভূমিকা রাখতে পারি। নিজেদের অব্যবহৃত কাপড়গুলো ঘরে ফেলে না রেখে আশপাশের দরিদ্রদের হাতে তুলে দিয়ে হতে পারি একেকটি নিষ্কলুষ হাসির ভাগীদার। আমাদের অব্যবহৃত একেকটি শীতবস্ত্র শীত নিবারণের অবলম্বন হতে পারে একজন শীতার্ত মানুষের। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক বোধসম্পন্ন ব্যক্তিরা যদি মানবিকতার হাত বাড়ান দুর্দশাগ্রস্ত এসব মানুষের তরে, তবেই কমবে দুর্ভোগ। আসুন, নিজ নিজ দায়িত্ববোধ থেকে এগিয়ে আসি। সামষ্টিকভাবে উদ্যোগ নিয়ে এক চিলতে হাসি উপহার দেই, ছন্নছাড়া মানুষদের। শীত শুরুর এই সময়টাতে চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শীতার্তদের খোঁজ নেই, জোগান দেই একটু উষ্ণতার।

রিদ্বওয়ান মাহমুদ

শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, এমসি কলেজ সিলেট।

চিঠিপত্র : হাট-বাজারে ডিজিটাল ওজন স্কেল স্থাপন করুন

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত

নারী জাগরণের অগ্রদূত

পরিবেশ রক্ষায় জলাভূমির গুরুত্ব

হাসপাতালের সামনে ডাস্টবিন কেন

আইল কাটার অপসংস্কৃতি বন্ধ হোক

নদী থাকুক নদীর মতো

ছবি

বইয়ের সঠিক মূল্য লিখুন

ছবি

আম শিল্প সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

ছবি

স্কুলে ভর্তি লটারি প্রক্রিয়া হোক স্বচ্ছ

অর্থনীতিতে প্রান্তিক নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে

শিক্ষাক্ষেত্রে অচল অবস্থার অবসান ঘটুক

আমার বাবা সনদবিহীন এক মুক্তিযোদ্ধা

ছবি

অসহায় বস্তিবাসীর পাশে দাঁড়ান

অনলাইন ক্লাস প্রসঙ্গে

নৌপথে অনিয়ম বন্ধ করুন

ভোলায় বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি মেডিকেল কলেজ চাই

সড়কে বিশৃঙ্খলার দায় কার

টেলিটকের দুর্দশা ঘুচবে কবে

অপ্রয়োজনে হর্ন নয়

ছবি

কীর্তিমানের মৃত্যু নাই

ছবি

দ্রব্যমূল্যে দুর্বিষহ জনজীবন

সেশন জট থেকে রক্ষা করুন

রাজধানীতে খেলার মাঠ চাই

বিশুদ্ধতার মানদন্ডে ‘রেল পানি’

দুর্ভোগের নাম সনদপত্র সত্যায়িত করণ

ছবি

নো মাস্ক নো সার্ভিস

ছবি

সবজির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নজর দিন

লাগামহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার

সেলফিতে সতর্কতা প্রয়োজন

ছবি

বেপরোয়া মোটরবাইক নিয়ন্ত্রণ জরুরি

নৌপথে অনিয়ম বন্ধ করুন

পর্যটকদের সচেতন হতে হবে

ছবি

করোনা প্রতিরোধে মাস্কই শ্রেয়

ধর্মীয় উগ্রবাদ সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি

tab

পাঠকের চিঠি

শীতার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসুন

মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০

ষড়ঋতুর পালাবদল আর প্রকৃতির মনভুলানো রূপলাবণ্য ধারণ করে আমাদের জন্মভূমি পৃথিবীর সব দেশ থেকে আলাদা হয়ে আছে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত কত রঙ, উচ্ছ্বাস আর সৌন্দর্য্য নিয়ে আগলে রাখে প্রকৃতিকে। একের পর এক পরিবর্তন। পরিবর্তনের এই ধারা অনেকের কাছে যেমন উপভোগ্য হয়, তেমনি কারো কাছে হয়ে উঠে দুঃসহ-অভিশাপ।

গৃহহীন হত দরিদ্র শীতার্ত মানুষের কাছে শীত ঋতু রীতিমতো ভয়ের কারণ। কুয়াশাঘেরা রাত্রিগুলো তাদের জীবনকে কঠিন করে তুলে। একটু উষ্ণতার খোঁজে কেউবা খড় পোড়ায়, কেউবা কাঁপতে কাঁপতে খুঁজে বেড়ায় জীবনের মানে। শীতের প্রকোপে খেটে খাওয়া গরিব মানুষগুলোকে পোহাতে হয় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। খোলা আকাশের নিচে কুয়াশার আলিঙ্গন যেমন নিদারুণ কষ্টের সাক্ষী হয় তেমনি নানা রোগ-বালাই দেখা দেয় সুবিধাবঞ্চিত এই মানুষদের।

ইচ্ছে করলেই আমরা হতদরিদ্র শীতার্তদের দুর্ভোগ লাঘবে ভূমিকা রাখতে পারি। নিজেদের অব্যবহৃত কাপড়গুলো ঘরে ফেলে না রেখে আশপাশের দরিদ্রদের হাতে তুলে দিয়ে হতে পারি একেকটি নিষ্কলুষ হাসির ভাগীদার। আমাদের অব্যবহৃত একেকটি শীতবস্ত্র শীত নিবারণের অবলম্বন হতে পারে একজন শীতার্ত মানুষের। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক বোধসম্পন্ন ব্যক্তিরা যদি মানবিকতার হাত বাড়ান দুর্দশাগ্রস্ত এসব মানুষের তরে, তবেই কমবে দুর্ভোগ। আসুন, নিজ নিজ দায়িত্ববোধ থেকে এগিয়ে আসি। সামষ্টিকভাবে উদ্যোগ নিয়ে এক চিলতে হাসি উপহার দেই, ছন্নছাড়া মানুষদের। শীত শুরুর এই সময়টাতে চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শীতার্তদের খোঁজ নেই, জোগান দেই একটু উষ্ণতার।

রিদ্বওয়ান মাহমুদ

শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, এমসি কলেজ সিলেট।

back to top