alt

সারাদেশ

অজানা ভাইরাসে ২ মেয়ের মৃত্যুর পর মা-বাবাকে নেওয়া হলো আইসোলেশনে

প্রতিনিধি, রাজশাহী : রোববার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাজশাহীতে বরই খেয়ে অসুস্থ হয়ে দুই দিনের ব্যবধানে দুই সহোদর শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ধারণা করা হলেও চিকিৎসকরা অজানা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও করছেন। সহোদর দুই বোনের মৃত্যুর পর তাদের বাবা-মাকেও হাসপাতালের নিপাহ ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এছাড়া দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ জানতে নমুনা পাঠানো হয়েছে ঢাকায়।

মুনতাহা মারিশা (২) ও মুফতাউল মাশিয়া (৫) নামের ওই দুই শিশু রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামের মনজুর রহমানের মেয়ে। মনজুর রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক। তার স্ত্রীর নাম পলি খাতুন। পরিবারের সবাই রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় ক্যাডেট কলেজের কোয়ার্টারে বসবাস করতেন।

চিকিৎসকরা জানান, কুড়িয়ে পাওয়া বরই না ধুয়ে খেয়েছিল ভুক্তভোগী দুই শিশু। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মারা যায় মনজুরের বড় মেয়ে মাশিয়া। এর আগে গত বুধবার একই লক্ষণ নিয়ে মারা যায় ছোট মেয়ে মারিশা। পরে শিশুদের বাবা-মা মনজুর ও পলিকে হাসপাতালের নিপাহ আইসোলেশনে নেওয়া হয়।

এদিকে, দ্বিতীয় মেয়ে মারা যাবার পর তাদের আইসোলেশনে রাখার কারণে মেয়ের জানাজাতেও যেতে পারেননি তারা। শনিবার বিকেলে স্বজনদের মাধ্যমে মাশিয়ার মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়। সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয় মরদেহ।

মনজুর রহমান বলেন, ‘গত মঙ্গলবার কোয়ার্টারের পাশে কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়েছিল মারিশা আর মাশিয়া। পরদিন বুধবার মারিশার জ্বর ও বমি হয়। এরপর তাকে রাজশাহীর সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে শুক্রবার মাশিয়ার জ্বর আসলে রাজশাহী সিএমএইচে আনলে তার পুরো শরীরে ছোট কালচে দাগ উঠতে থাকে। এরপর চিকিৎসকরা তাকে রামেক হাসপাতালে পাঠান। শুক্রবার রাতে রামেক হাসপাতালে আনলে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকেলে মাশিয়াও মারা যায়।

রামেক হাসপাতালের চিকিৎসকদের ধারণা, দুই শিশুই নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তবে অন্য কোনো ভাইরাসও হতে পারে। এ ঘটনায় পুরো পরিবারের সবার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘টেস্টের রিপোর্ট হাতে আসলে শিশু দুটির মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। তবে তাদের বাবা-মায়ের শারীরিক অবস্থা ভালো। কিন্তু দুই সন্তান হারিয়ে তারা মানসিকভাবে ভয়াবহ পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন।’

ছবি

হোটেলে বাড়তি ভাড়া আদায়, তবুও তিল ধারণের ঠাঁই নেই সাগরপাড়ে

ছবি

বরিশালে নদীতে গোসলে নেমে তরুণী নিখোঁজ

ছবি

চট্টগ্রামে এক নারীর লাশ উদ্ধার

ছবি

ঈশ্বরগঞ্জে একই স্থানে দুপক্ষের বৈশাখী মেলা, সংঘাতের আশঙ্কা

ছবি

আশ্রয় শিবিরের বাইরে আসা ৭১ রোহিঙ্গা আটক

ছবি

নাটোরে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

নানীর সাথে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যু

ছবি

সাভারে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা

ছবি

সিলেটের জাফলংয়ে নারী পর্যটকদের যৌন হয়রানি, যুবককে দুই বছরের কারাদণ্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধানকাটা নিয়ে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত অর্ধশত

শরীয়তপুরে গাছের ঝুলছিলো যুবকের মরদেহ, পরিবারের দাবী হত্যা

ছবি

মাতারবাড়ি-ধলঘাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ঢল

ছবি

রুমায় ভ্রমণ নি‌ষেধাজ্ঞা স্থ‌গিত

ছবি

যশোরে বাইকে এসে দুই আ. লীগ নেতাকে গুলি

রংপুরে ঢাকা কোচ ষ্টান্ডে টিকেট বিক্রিতে নৈরাজ্য,ইচ্ছে মতো দামে বিক্রি

ইসলামপুরে উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গা যুবককে পুলিশ পেঁৗছে দিলো ক্যাম্পে

বকশীগঞ্জে স্ত্রীকে মাংস কিনে দিতে না পারায় চিঠি লিখে যবুকের আত্মহত্যা

শিবচরে গ্রাম্য দলাদলিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১৫

ছবি

বান্দরবানে যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালিত ভ্রমণ নিষেধ

ছবি

পটিয়ায় বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে বাইক আরোহী দুজন নিহত

ছবি

সদরঘাটে নিহত এক পরিবারের ৩ জনের লাশ দাফন পিরোজপুরে

ছবি

হবিগঞ্জে গরুকে ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩৫

রংপুরে ১০ বছর ধরে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেপ্তার

এস আলম তেলের কারখানার আগুন ২ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে

বেনাপোলে ভারতগামী মানুষের ভীড়

মীরপুরে ভাসানটেকে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ দগ্ধ ৬

সখীপুরে এক মায়ের গর্ভে ৬ সন্তান, প্রসবের পরেই মৃত্যু

ছবি

নেত্রকোণায় পাহাড় দেখতে যাওয়ার পথে বাইকের চাকা ফেটে ৩ আরোহীর মৃত্যু

ছবি

সাভারে ঈদের পুড়ল পোশাক কারখানা

ছবি

নাথান বমের স্ত্রীকে বান্দরবান থেকে লালমনিরহাটে বদলি

ছবি

বান্দরবানে যৌথ অভিযান: নিরাপদ স্থানে যেতে মাইকিং

ঈশ্বরগঞ্জে ঈদের জামাতে ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু

ছবি

শরীয়তপুরে ঈদের দিন সকালে আগুনে পুড়ে ছাই হলো ২৫ টি দোকান

নওগায় বাংলা মদ খেয়ে তিন বন্ধুর মৃত্যু

ছবি

সিরাজগঞ্জে অপহরণের ছয় দিন পর সেপটিক ট্যাংকে মিলল শিশুর লাশ

ছবি

অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগ, স্বজনরা হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ

tab

সারাদেশ

অজানা ভাইরাসে ২ মেয়ের মৃত্যুর পর মা-বাবাকে নেওয়া হলো আইসোলেশনে

প্রতিনিধি, রাজশাহী

রোববার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাজশাহীতে বরই খেয়ে অসুস্থ হয়ে দুই দিনের ব্যবধানে দুই সহোদর শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিপাহ ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ধারণা করা হলেও চিকিৎসকরা অজানা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও করছেন। সহোদর দুই বোনের মৃত্যুর পর তাদের বাবা-মাকেও হাসপাতালের নিপাহ ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এছাড়া দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ জানতে নমুনা পাঠানো হয়েছে ঢাকায়।

মুনতাহা মারিশা (২) ও মুফতাউল মাশিয়া (৫) নামের ওই দুই শিশু রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামের মনজুর রহমানের মেয়ে। মনজুর রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক। তার স্ত্রীর নাম পলি খাতুন। পরিবারের সবাই রাজশাহীর চারঘাটের সারদায় ক্যাডেট কলেজের কোয়ার্টারে বসবাস করতেন।

চিকিৎসকরা জানান, কুড়িয়ে পাওয়া বরই না ধুয়ে খেয়েছিল ভুক্তভোগী দুই শিশু। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মারা যায় মনজুরের বড় মেয়ে মাশিয়া। এর আগে গত বুধবার একই লক্ষণ নিয়ে মারা যায় ছোট মেয়ে মারিশা। পরে শিশুদের বাবা-মা মনজুর ও পলিকে হাসপাতালের নিপাহ আইসোলেশনে নেওয়া হয়।

এদিকে, দ্বিতীয় মেয়ে মারা যাবার পর তাদের আইসোলেশনে রাখার কারণে মেয়ের জানাজাতেও যেতে পারেননি তারা। শনিবার বিকেলে স্বজনদের মাধ্যমে মাশিয়ার মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়। সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয় মরদেহ।

মনজুর রহমান বলেন, ‘গত মঙ্গলবার কোয়ার্টারের পাশে কুড়িয়ে পাওয়া বরই খেয়েছিল মারিশা আর মাশিয়া। পরদিন বুধবার মারিশার জ্বর ও বমি হয়। এরপর তাকে রাজশাহীর সিএমএইচ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে শুক্রবার মাশিয়ার জ্বর আসলে রাজশাহী সিএমএইচে আনলে তার পুরো শরীরে ছোট কালচে দাগ উঠতে থাকে। এরপর চিকিৎসকরা তাকে রামেক হাসপাতালে পাঠান। শুক্রবার রাতে রামেক হাসপাতালে আনলে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকেলে মাশিয়াও মারা যায়।

রামেক হাসপাতালের চিকিৎসকদের ধারণা, দুই শিশুই নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। তবে অন্য কোনো ভাইরাসও হতে পারে। এ ঘটনায় পুরো পরিবারের সবার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘টেস্টের রিপোর্ট হাতে আসলে শিশু দুটির মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। তবে তাদের বাবা-মায়ের শারীরিক অবস্থা ভালো। কিন্তু দুই সন্তান হারিয়ে তারা মানসিকভাবে ভয়াবহ পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন।’

back to top