সিরাজগঞ্জ : আবাদি মাঠে সৌর বিদ্যুতে চলা অগভীর নলকূপ -সংবাদ
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বোরো (ইরি) ধান জমিতে সৌর বিদ্যুতে চলছে পানি সেচে অগভীর নলকূপ। নিজ আগ্রহে উৎসাহী এক কৃষক পুরোপুরি সোলারে চালিত অগভীর নলকূপ আবাদি মাঠে বসিয়েছেন।
উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের কৈবর্তগাতী আবাদী মাঠে এলাকার মধ্যে এই প্রথম সৌর বিদ্যুতে দুটি অগভীর নলকূপ চলছে। এর একটি বসিয়েছেন কৈবর্তগাতী গ্রামের কৃষক আবু সাঈদ সরকার। তার স্ক্রিমে প্রায় চল্লিশ বিঘা জমি আছে। গত চার দিন হলো বোরো ধান আবাদের জমিতে সৌর বিদ্যুতে চলা অগভীর নলকূপের পানিতে সেচ দেয়া হচ্ছে।
কৃষক আবু সাঈদ এই প্রতিবেদককে জানান, নিজ আগ্রহে জমিতে অগভীর নলকূপ বসিয়েছেন। এটি সৌর বিদ্যুতে চলছে। একটি পাঁচ হর্সের মটর পাইপের নিচে আছে। আর মোট ১৬টি সোলার প্যানেল সিমেন্টের খুঁটির ওপর লোহার ফ্রেমে লাগানো আছে। সব মিলিয়ে চার লাখ ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সকাল থেকে শেষ বিকেল অবধি এটি চলে। রোদ না থাকলে চলে না বলেও জানান তিনি।
এই কৃষক আরো বলেন বিদ্যুতে, ডিজেলে চালিত অগভীর নলকূপ চালানো হলে বিদ্যুৎ বিল বাবদ, ডিজেল কেনায় টাকা লাগে। তার কথায় মোটা অঙ্কের টাকা একবার খরচ করে এটি বসিয়েছেন। এখন সেচ মেশিন চললেও আর টাকা খরচ হচ্ছে না। একই মাঠে কৃষক সোহরাব মোল্লা সৌর বিদ্যুতে চলা তিন হর্সের মটরের একটি অগভীর নলকূপ বসিয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ : আবাদি মাঠে সৌর বিদ্যুতে চলা অগভীর নলকূপ -সংবাদ
শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বোরো (ইরি) ধান জমিতে সৌর বিদ্যুতে চলছে পানি সেচে অগভীর নলকূপ। নিজ আগ্রহে উৎসাহী এক কৃষক পুরোপুরি সোলারে চালিত অগভীর নলকূপ আবাদি মাঠে বসিয়েছেন।
উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের কৈবর্তগাতী আবাদী মাঠে এলাকার মধ্যে এই প্রথম সৌর বিদ্যুতে দুটি অগভীর নলকূপ চলছে। এর একটি বসিয়েছেন কৈবর্তগাতী গ্রামের কৃষক আবু সাঈদ সরকার। তার স্ক্রিমে প্রায় চল্লিশ বিঘা জমি আছে। গত চার দিন হলো বোরো ধান আবাদের জমিতে সৌর বিদ্যুতে চলা অগভীর নলকূপের পানিতে সেচ দেয়া হচ্ছে।
কৃষক আবু সাঈদ এই প্রতিবেদককে জানান, নিজ আগ্রহে জমিতে অগভীর নলকূপ বসিয়েছেন। এটি সৌর বিদ্যুতে চলছে। একটি পাঁচ হর্সের মটর পাইপের নিচে আছে। আর মোট ১৬টি সোলার প্যানেল সিমেন্টের খুঁটির ওপর লোহার ফ্রেমে লাগানো আছে। সব মিলিয়ে চার লাখ ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সকাল থেকে শেষ বিকেল অবধি এটি চলে। রোদ না থাকলে চলে না বলেও জানান তিনি।
এই কৃষক আরো বলেন বিদ্যুতে, ডিজেলে চালিত অগভীর নলকূপ চালানো হলে বিদ্যুৎ বিল বাবদ, ডিজেল কেনায় টাকা লাগে। তার কথায় মোটা অঙ্কের টাকা একবার খরচ করে এটি বসিয়েছেন। এখন সেচ মেশিন চললেও আর টাকা খরচ হচ্ছে না। একই মাঠে কৃষক সোহরাব মোল্লা সৌর বিদ্যুতে চলা তিন হর্সের মটরের একটি অগভীর নলকূপ বসিয়েছেন।