চট্টগ্রামের রাউজানে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক ডেকোরেশন ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের পাশে গশ্চি ধরের টেক এলাকায়। গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি ওই এলাকার গরিব উল্লাহ পাড়ার মোহরম আলীর ছেলে ডেকোরেশন ব্যবসায়ী ছালেহ আহমদ (৪২)।
এছাড়া তার ভাগিনা মুহাম্মদ জামশেদকে (২৫) তুলে নিয়ে বেধড়ক মারধর করেছে সন্ত্রাসীরা। জানাযায়, দুটি গাড়ি (কার) করে ৭-৮ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এসে ব্যবসায়ী ছালেহ আহমদের দিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে এবং তার ভাগিনাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ছালেহ আহমদের কপালে এবং পায়ে ছররা গুলি লাগে।
গুলিবিদ্ধ ছালেহ আহমদ বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী তিনি। তাদের ওপর একই দলের প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা করেন। হামলাকারীরা বিএনপির চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী বলে অভিযোগ করেন। দুই মাস আগেও তার দোকানে হামলা ভাঙচুর ও সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ দেন তিনি। এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ঘটনার বিষয়টি জেনে সেখানে পুলিশ পাঠাই। তুলে নেয়া ব্যক্তিকে পুলিশ উদ্ধার করে হাসপতালে পাঠান। তবে পুলিশ যাওয়ার আগেই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আহত ব্যক্তিরা মামলা দিলে আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
চট্টগ্রামের রাউজানে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক ডেকোরেশন ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের পাশে গশ্চি ধরের টেক এলাকায়। গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি ওই এলাকার গরিব উল্লাহ পাড়ার মোহরম আলীর ছেলে ডেকোরেশন ব্যবসায়ী ছালেহ আহমদ (৪২)।
এছাড়া তার ভাগিনা মুহাম্মদ জামশেদকে (২৫) তুলে নিয়ে বেধড়ক মারধর করেছে সন্ত্রাসীরা। জানাযায়, দুটি গাড়ি (কার) করে ৭-৮ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এসে ব্যবসায়ী ছালেহ আহমদের দিকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে এবং তার ভাগিনাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ছালেহ আহমদের কপালে এবং পায়ে ছররা গুলি লাগে।
গুলিবিদ্ধ ছালেহ আহমদ বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী তিনি। তাদের ওপর একই দলের প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা করেন। হামলাকারীরা বিএনপির চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহ্বায়ক গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী বলে অভিযোগ করেন। দুই মাস আগেও তার দোকানে হামলা ভাঙচুর ও সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ দেন তিনি। এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ঘটনার বিষয়টি জেনে সেখানে পুলিশ পাঠাই। তুলে নেয়া ব্যক্তিকে পুলিশ উদ্ধার করে হাসপতালে পাঠান। তবে পুলিশ যাওয়ার আগেই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। আহত ব্যক্তিরা মামলা দিলে আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।