বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিশেষ দিবস ও অতিথি বরণকে ঘিরে দিন দিন বাড়ছে রংপুরের পীরগাছায় ফুলের চাষ। এ বছরেও পীরগাছায় ফুলের ব্যাপক চাষ হয়েছে। সঠিকভাবে বাজার জাত করতে পারলে লাভবান হবেন চাষিরা। কৃষি বিভাগ বলছে বছরব্যাপী আমরা ফুল চাষিদের পরামর্শ দিয়ে থাকি। চোখ জুরানো ফুল বাগান কৃষক শাহিন মাহমুদের। ফুলগুলো শুধু সৌন্দর্য বর্ধনেই করছে না, প্রতি মাসে এই কৃষকের হাতে এনে দিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকাও। প্রতিদিন সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষি শ্রমিকরা কাজ করেন বাগানে। বাগানের পরিচর্যা ও ফুল ওঠানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। বিকেল হলেই কেউ কেউ ফুল নিয়ে চলেন শহরের বাজারগুলোতে। এমন চিত্র দেখা যায় উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়নের স্বচাষ গ্রামে শাহীন মাহমুদের ফুলের বাগানে। শাহীন মাহমুদের ২ একর জমির ফুল বাগানে নিয়মিত তিনজন শ্রমিক কাজ করেন। যাদের বেতন প্রতি মাসে প্রায় ১৫ হাজার টাকা করে। এছাড়া মাসে প্রায় ১০ দিন দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কাজ করেন ১০ জন শ্রমিক। শাহীন মাহমুদের মতো অনেক কৃষক ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও ফুল চাষ করে ভাগ্য বদলের চেষ্টা করছেন। ফুল চাষে বিনিয়োগের তুলনায় বেশি লাভ হওয়ায় ফুল চাষে ঝুঁকছেন কৃষক। তবে কৃষকদের দাবি ফুল চাষে সরকারিভাবে কোনো প্রণোদনা না থাকায় কাঙ্খিত মানের মুনাফা হচ্ছে না। ফুল চাষি শাহীন মাহমুদ বলেন, ২ একর জমি ১৫ লাখ টাকায় ১০ বছরের জন্য লিজ নিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল চাষ করছি। আমার এই ব্যবসা লাভ জনক হওয়ায় প্রতি বছর জমির মালিক কে প্রায় ৫০ হাজার টাকা এককালীন বোনাস দিচ্ছি। আগামিতে বাগান সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে। তবে উপযুক্ত জমি লিজের অপেক্ষায় আছি। কৃষক বলেন, নতুন নতুন বাজার তৈরি করতে এবং উন্নত প্রজাতির বীজ বা চারা দিয়ে কৃষি বিভাগ সহযোগিতা করলে ফুল চাষে আগ্রহ আরও বাড়বে। রংপুর অঞ্চলের মধ্যে সব চেয়ে বেশি ফুলের চাষ হচ্ছে পীরগাছায়। এই উপজেলার চাষ করা ফুল দিয়ে রংপুর অঞ্চলের চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ দেশের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শহরগুলোতে রপ্তানি করা হয়। পীরগাছায় চাষ করা ফুলগুলোর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য গোলাপ, গাদা, রজনীগন্ধা, চন্দ্রমল্লিকাসহ বিভিন্ন প্রজাতির। বিভিন্ন দিবসকে কেন্দ্র করে ফুল চাষিরা বেশি লাভের আসায় থাকেন। এ বছর উপজেলায় ৪ একর জমিতে ফুল চাষ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কৃষি বিভাগ। এখনও দেশের ফুলের চাহিদা অনুযায়ী বাড়ছে না ফুল চাষির সংখ্যা।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা নতুন বাজার তৈরি করতে ও পরামর্শ দিয়ে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করছি।
কল্যাণী ব্লোকের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জুলেখা বলেন, আমি বিভিন্ন সময়ে বাগানে এসে সব ধরনের পরামর্শ দিচ্ছি। সেই সঙ্গে ফুল চাষ সম্প্রসারণের জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি।
শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
বিভিন্ন অনুষ্ঠান, বিশেষ দিবস ও অতিথি বরণকে ঘিরে দিন দিন বাড়ছে রংপুরের পীরগাছায় ফুলের চাষ। এ বছরেও পীরগাছায় ফুলের ব্যাপক চাষ হয়েছে। সঠিকভাবে বাজার জাত করতে পারলে লাভবান হবেন চাষিরা। কৃষি বিভাগ বলছে বছরব্যাপী আমরা ফুল চাষিদের পরামর্শ দিয়ে থাকি। চোখ জুরানো ফুল বাগান কৃষক শাহিন মাহমুদের। ফুলগুলো শুধু সৌন্দর্য বর্ধনেই করছে না, প্রতি মাসে এই কৃষকের হাতে এনে দিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকাও। প্রতিদিন সকাল হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত কৃষি শ্রমিকরা কাজ করেন বাগানে। বাগানের পরিচর্যা ও ফুল ওঠানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। বিকেল হলেই কেউ কেউ ফুল নিয়ে চলেন শহরের বাজারগুলোতে। এমন চিত্র দেখা যায় উপজেলার কল্যাণী ইউনিয়নের স্বচাষ গ্রামে শাহীন মাহমুদের ফুলের বাগানে। শাহীন মাহমুদের ২ একর জমির ফুল বাগানে নিয়মিত তিনজন শ্রমিক কাজ করেন। যাদের বেতন প্রতি মাসে প্রায় ১৫ হাজার টাকা করে। এছাড়া মাসে প্রায় ১০ দিন দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কাজ করেন ১০ জন শ্রমিক। শাহীন মাহমুদের মতো অনেক কৃষক ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও ফুল চাষ করে ভাগ্য বদলের চেষ্টা করছেন। ফুল চাষে বিনিয়োগের তুলনায় বেশি লাভ হওয়ায় ফুল চাষে ঝুঁকছেন কৃষক। তবে কৃষকদের দাবি ফুল চাষে সরকারিভাবে কোনো প্রণোদনা না থাকায় কাঙ্খিত মানের মুনাফা হচ্ছে না। ফুল চাষি শাহীন মাহমুদ বলেন, ২ একর জমি ১৫ লাখ টাকায় ১০ বছরের জন্য লিজ নিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল চাষ করছি। আমার এই ব্যবসা লাভ জনক হওয়ায় প্রতি বছর জমির মালিক কে প্রায় ৫০ হাজার টাকা এককালীন বোনাস দিচ্ছি। আগামিতে বাগান সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে। তবে উপযুক্ত জমি লিজের অপেক্ষায় আছি। কৃষক বলেন, নতুন নতুন বাজার তৈরি করতে এবং উন্নত প্রজাতির বীজ বা চারা দিয়ে কৃষি বিভাগ সহযোগিতা করলে ফুল চাষে আগ্রহ আরও বাড়বে। রংপুর অঞ্চলের মধ্যে সব চেয়ে বেশি ফুলের চাষ হচ্ছে পীরগাছায়। এই উপজেলার চাষ করা ফুল দিয়ে রংপুর অঞ্চলের চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ দেশের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শহরগুলোতে রপ্তানি করা হয়। পীরগাছায় চাষ করা ফুলগুলোর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য গোলাপ, গাদা, রজনীগন্ধা, চন্দ্রমল্লিকাসহ বিভিন্ন প্রজাতির। বিভিন্ন দিবসকে কেন্দ্র করে ফুল চাষিরা বেশি লাভের আসায় থাকেন। এ বছর উপজেলায় ৪ একর জমিতে ফুল চাষ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কৃষি বিভাগ। এখনও দেশের ফুলের চাহিদা অনুযায়ী বাড়ছে না ফুল চাষির সংখ্যা।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা নতুন বাজার তৈরি করতে ও পরামর্শ দিয়ে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করছি।
কল্যাণী ব্লোকের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জুলেখা বলেন, আমি বিভিন্ন সময়ে বাগানে এসে সব ধরনের পরামর্শ দিচ্ছি। সেই সঙ্গে ফুল চাষ সম্প্রসারণের জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি।