চিলমারী (কুড়িগ্রাম) : নাব্যতা হারানো ব্রহ্মপুত্র নদ এখন কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে রূপ নিয়েছে -সংবাদ
নাব্যতা হারানো ব্রহ্মপুত্র নদ এখন কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে রূপ নিয়েছে। শুনতে বেখাপ্পা লাগলেও এমনটাই যেন ঘটেছে কুড়িগ্রামের চিলমারীর বহ্মপুত্র তীরে। প্রিয়জনকে নিয়ে নৌকায় ঘোরাফিরা আর নদে জেগে ওঠা বালুচরে পায়ে হাঁটা। কেউ আবার স্পিডবোর্ডে ঘুরছেন নদের একদিক থেকে অন্যদিকে। এমন হাজারো ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
আর তাই দলে দলে মানুষ ছুটছেন চিলমারী নৌ-বন্দর এলাকার বিপরীতে ব্রহ্মপুত্র নদের চরগুলোতে ভিড় করছেন টিকটকাররা। বানানো হচ্ছে টিকটক, রিলস।
তবে নাগরিক সমাজ বলছে, ব্রহ্মপুত্রকে স্থায়ী খনন করে বিনোদন প্রেমীদের জন্য একটি দর্শনীয় স্থান গড়ে তোলা হলে বিনোদন প্রেমীদের চিলমারীতে বিনোদনের কোনো স্পট না থাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীর, বাহারেরঘাট ব্রিজ ও নির্মাণাধীন হরিপুর-চিলমারী তিস্তা সেতু এলাকায় বিনোদনপ্রেমিদের ঢল নেমেছে। ঈদের দ্বিতীয়-তৃতীয় দিনেও এসব স্থানে বিনোদনপ্রেমী মানুষদের ভিড় করতে দেখা গেছে।
উপজেলার কোথাও কোনো বিনোদন পার্ক না থাকায় ঈদের ছুটিতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে ফকিরের হাট এলাকা থেকে জোড়গাছ বাজার এলাকা পর্যন্ত, নির্মাণাধীন হরিপুর-চিলমারী তিস্তা সেতুর রাস্তা, বাহারেরঘাট ব্রিজ, আকালুরঘাট ব্রিজসহ বিভিন্ন স্থান হাজারো দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে।
ঈদের দিন সোমবার বিকেলে সরেজমিনে চিলমারী নৌ-বন্দর এলাকায় দেখা যায়, নদ তীরের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় তিল ধারণের জায়গায় নেই। বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ সেখানে ভিড় করছেন। রাস্তার উপরে কয়েকটি ঝালমুড়ি, আচার, বাদাম ও হরেক রকম আলপনার দোকান বসেছে। ঘুরতে আসা সিপন, বাপ্পি, আলমসহ অনেকে জানান, এলাকায় বিনোদনের কোনো স্থান না থাকায় পড়ন্ত বিকালে ব্রিজের এই জায়গায় বেড়াতে এসেছেন তারা।
ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে ঘুরতে জাহাঙ্গির, কল্পনা, মনিকা, নুর ইসলামসহ অনেকে বলেন, নদী দেখতে ভাল লাগে তাই তারা। ব্রহ্মপুত্র তীরে ঘুরতে এসেছেন। সরকারি কিংবা ব্যক্তি উদ্যোগে এসব এলাকায় বিনোদন পার্ক কিংবা বসার স্থান করা হলে শুধু স্থানীয়রা নয় বাহির থেকেও প্রচুর দর্শনার্থী আসতো।
চিলমারী (কুড়িগ্রাম) : নাব্যতা হারানো ব্রহ্মপুত্র নদ এখন কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে রূপ নিয়েছে -সংবাদ
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
নাব্যতা হারানো ব্রহ্মপুত্র নদ এখন কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে রূপ নিয়েছে। শুনতে বেখাপ্পা লাগলেও এমনটাই যেন ঘটেছে কুড়িগ্রামের চিলমারীর বহ্মপুত্র তীরে। প্রিয়জনকে নিয়ে নৌকায় ঘোরাফিরা আর নদে জেগে ওঠা বালুচরে পায়ে হাঁটা। কেউ আবার স্পিডবোর্ডে ঘুরছেন নদের একদিক থেকে অন্যদিকে। এমন হাজারো ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
আর তাই দলে দলে মানুষ ছুটছেন চিলমারী নৌ-বন্দর এলাকার বিপরীতে ব্রহ্মপুত্র নদের চরগুলোতে ভিড় করছেন টিকটকাররা। বানানো হচ্ছে টিকটক, রিলস।
তবে নাগরিক সমাজ বলছে, ব্রহ্মপুত্রকে স্থায়ী খনন করে বিনোদন প্রেমীদের জন্য একটি দর্শনীয় স্থান গড়ে তোলা হলে বিনোদন প্রেমীদের চিলমারীতে বিনোদনের কোনো স্পট না থাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীর, বাহারেরঘাট ব্রিজ ও নির্মাণাধীন হরিপুর-চিলমারী তিস্তা সেতু এলাকায় বিনোদনপ্রেমিদের ঢল নেমেছে। ঈদের দ্বিতীয়-তৃতীয় দিনেও এসব স্থানে বিনোদনপ্রেমী মানুষদের ভিড় করতে দেখা গেছে।
উপজেলার কোথাও কোনো বিনোদন পার্ক না থাকায় ঈদের ছুটিতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে ফকিরের হাট এলাকা থেকে জোড়গাছ বাজার এলাকা পর্যন্ত, নির্মাণাধীন হরিপুর-চিলমারী তিস্তা সেতুর রাস্তা, বাহারেরঘাট ব্রিজ, আকালুরঘাট ব্রিজসহ বিভিন্ন স্থান হাজারো দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে।
ঈদের দিন সোমবার বিকেলে সরেজমিনে চিলমারী নৌ-বন্দর এলাকায় দেখা যায়, নদ তীরের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় তিল ধারণের জায়গায় নেই। বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ সেখানে ভিড় করছেন। রাস্তার উপরে কয়েকটি ঝালমুড়ি, আচার, বাদাম ও হরেক রকম আলপনার দোকান বসেছে। ঘুরতে আসা সিপন, বাপ্পি, আলমসহ অনেকে জানান, এলাকায় বিনোদনের কোনো স্থান না থাকায় পড়ন্ত বিকালে ব্রিজের এই জায়গায় বেড়াতে এসেছেন তারা।
ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে ঘুরতে জাহাঙ্গির, কল্পনা, মনিকা, নুর ইসলামসহ অনেকে বলেন, নদী দেখতে ভাল লাগে তাই তারা। ব্রহ্মপুত্র তীরে ঘুরতে এসেছেন। সরকারি কিংবা ব্যক্তি উদ্যোগে এসব এলাকায় বিনোদন পার্ক কিংবা বসার স্থান করা হলে শুধু স্থানীয়রা নয় বাহির থেকেও প্রচুর দর্শনার্থী আসতো।