বাগেরহাটের পল্লীতে রোজার ঈদ উপলক্ষ্যে প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে হাতে মেহেদী পরার অপরাধে পাষন্ড পিতার হাতে অমানুষিক ও নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছে উর্মিলা আক্তার (১৩) নামের একজন কিশোরী। নিজ পিতার হাতে নির্যাতনে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত নিয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্র্তি হয়েছেন কিশোরী উর্মিলা। উর্মিলা আক্তার বাগেরহাট সদর উপজেলার গোটাপাড়া ইউনিয়নের বেশরগাতি গ্রামের রফিক ফকিরের মেয়ে। হাসপাতালে চিকিৎসাধিন উর্মিলা ও তার প্রতিবেশীরা জানান, ঈদের আগের দিন বেলা ২ টার দিকে উর্মিলা প্রতিবেশী শওকাত আলীদের বাড়িতে গিয়ে হাতে মেহেদী দেয়। বিকেল ৫ টার দিকে মেয়ের হাতে মেহেদী কেন এ প্রশ্ন করেই পিতা রফিক মেয়ে উর্মিলাকে ধরে মেহেদী লাগানো স্থান ধারালো কাচি দিয়ে কেটে রক্তাক্ত করে দেয়। এতেই ক্ষ্যান্ত হয় নাই হাতুরী দিয়ে মেয়ের পায়ের হাটুতে পিটিয়ে এবং মুখে খুন্তি গরম করে আগুনের ছ্যাকা দিয়ে ক্ষত ক্ষত করে বাড়িতে আটকে আটকে রেখে দেয়। এক পর্যায়ে ঈদের দিন সকালে সুযোগ পেয়ে মেয়ে উর্মিলা তার বাড়ীর পাশে বান্ধবী জনৈকা আজমীরাদের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়।
সেখান থেকে তার স্বজনরা উর্মিলাকে বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর থেকে পিতা রফিক এলাকায় নাই। এ বিষয়ে বাগেরহাট পুলিশ অফিসের মিডিয়া সেলের পরিদর্শক কাজী শাহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি জানার পর পুলিশ খোজঁখবর রাখছে। এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানা পুলিশ আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করবে।
বুধবার, ০২ এপ্রিল ২০২৫
বাগেরহাটের পল্লীতে রোজার ঈদ উপলক্ষ্যে প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে হাতে মেহেদী পরার অপরাধে পাষন্ড পিতার হাতে অমানুষিক ও নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছে উর্মিলা আক্তার (১৩) নামের একজন কিশোরী। নিজ পিতার হাতে নির্যাতনে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত নিয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্র্তি হয়েছেন কিশোরী উর্মিলা। উর্মিলা আক্তার বাগেরহাট সদর উপজেলার গোটাপাড়া ইউনিয়নের বেশরগাতি গ্রামের রফিক ফকিরের মেয়ে। হাসপাতালে চিকিৎসাধিন উর্মিলা ও তার প্রতিবেশীরা জানান, ঈদের আগের দিন বেলা ২ টার দিকে উর্মিলা প্রতিবেশী শওকাত আলীদের বাড়িতে গিয়ে হাতে মেহেদী দেয়। বিকেল ৫ টার দিকে মেয়ের হাতে মেহেদী কেন এ প্রশ্ন করেই পিতা রফিক মেয়ে উর্মিলাকে ধরে মেহেদী লাগানো স্থান ধারালো কাচি দিয়ে কেটে রক্তাক্ত করে দেয়। এতেই ক্ষ্যান্ত হয় নাই হাতুরী দিয়ে মেয়ের পায়ের হাটুতে পিটিয়ে এবং মুখে খুন্তি গরম করে আগুনের ছ্যাকা দিয়ে ক্ষত ক্ষত করে বাড়িতে আটকে আটকে রেখে দেয়। এক পর্যায়ে ঈদের দিন সকালে সুযোগ পেয়ে মেয়ে উর্মিলা তার বাড়ীর পাশে বান্ধবী জনৈকা আজমীরাদের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়।
সেখান থেকে তার স্বজনরা উর্মিলাকে বাগেরহাট জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর থেকে পিতা রফিক এলাকায় নাই। এ বিষয়ে বাগেরহাট পুলিশ অফিসের মিডিয়া সেলের পরিদর্শক কাজী শাহিদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি জানার পর পুলিশ খোজঁখবর রাখছে। এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানা পুলিশ আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করবে।